নীড় পাতা » পাহাড়ের সংবাদ » বীর বাহাদুর’কে পার্বত্য মন্ত্রী করার দাবি

বীর বাহাদুর’কে পার্বত্য মন্ত্রী করার দাবি

Bir-Bahadur-coverবান্দরবানে আনন্দ মিছিল করেছে আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা। দশম জাতীয় সংসদে পঞ্চম বারের মত নির্বাচিত হওয়ায় বীর বাহাদুর এমপি’কে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী করার দাবি উঠেছে আনন্দ সমাবেশ থেকে। মঙ্গলবার বান্দরবান বঙ্গবন্ধু মুক্তমঞ্চে জেলা আওয়ামীলীগের সহসভাপতি আব্দুর রহিম চৌধুরীর সভাপতিত্বে আওয়ামীলীগ আয়োজিত সমাবেশ থেকে এই দাবি আরো জোরালো ভাবে তুলে ধরা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও নবনির্বাচিত এমপি বীর বাহাদুর। আনন্দ মিছিলের সামনেও লাল গোলাপ হাতে দেখা যায় তাকে।

নবম জাতীয় সংসদে পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা থেকে মাত্র একজন প্রতিমন্ত্রী ছিলেন রাঙামাটি থেকে নির্বাচিত দীপংকর তালুকদার। এবারের দশম নির্বাচনে জনসংহতি সমিতির কেন্দ্রীয় নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী উষাতন তালুকদারের কাছে দীপংকর তালুকদার হেরে যান। তাই দাবী উঠেছে ,প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ¯েœহধন্য ও আস্থাভাজন বীর বাহাদুরকে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী করা হোক। যদি তাকে পূর্নমন্ত্রী করা হয় স্বাধীনতার পর এই প্রথম বান্দরবানবাসী একজন পূর্নমন্ত্রী পাবেন।

১৯৯১ সাল থেকে পর পর পাঁচবার নির্বাচিত আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক বীর বাহাদুর নবম জাতীয় সংসদে প্রতিমন্ত্রীর পদ মর্যাদায় পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান ছিলেন। জেলা শ্রমিকলীগের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম ও জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সুজন চৌধুরী বলেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স ডিগ্রীধারী বীর বাহাদুর বান্দরবান জেলায় কয়েক হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ সম্পাদন করেছেন। আরো প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন মূলক কাজ চলমান রয়েছে। জেলায় এমন কোনো জায়গা নেই যেখানে বীর বাহাদুরের উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। বীর বাহাদুর পার্বত্যাঞ্চলের অসাম্প্রদায়িক বীর এবং আধুনিক বান্দরবানের রুপকার বলে অবহিত করেন তারা।

প্রসঙ্গত, স্বাধীনতার পর ১৯৭৩ সালে এ সংসদীয় আসনে চাইথোয়াই রোয়াজা স্বতন্ত্র, ১৯৭৯ সালে স্বতন্ত্র অংশৈ প্রু চৌধুরী, ১৯৮৬-৮৮ সালে মংশৈ প্রু চেীধুরী (জাতীয় পার্টি) এবং ১৯৯১ থেকে ২০১৪ এ পর্যন্ত আওয়ামীলীগের প্রার্থী বীর বাহাদুর পঞ্চমবার এমপি নির্বাচিত হন। বীর বাহাদুরের পূর্বে নির্বাচিতদের কেউই পূর্নাঙ্গ মন্ত্রী ছিলেন না। এবং বর্তমানে এদের কেউই বেঁচে নেই। পঞ্চম বারের মত নির্বাচিত সংসদ সদস্য বীর বাহাদুর সাংবাদিকদের বলেন, টানা পাঁচবার বান্দরবানের জনগন তাকে নির্বাচিত করাই পাহাড়ী-বাঙ্গালীর সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বিজয় হয়েছে। এই বিজয় বান্দরবানবাসীর। পার্বত্য চট্টগ্রামের গনমানুষের সুষম উন্নয়নে অসাম্প্রদায়িক ডিজিটাল বান্দরবান গড়তে সকলের সহযোগীতা চেয়েছেন।
এবারের নির্বাচনে বীর বাহাদুর নৌকা প্রতিক নিয়ে পেয়েছেন ৬২ হাজার ১৪২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্রার্থী স্বতন্ত্র প্রসন্ন কান্তি তঞ্চঙ্গ্যা টেবির ঘড়ি প্রতিক নিয়ে পেয়েছেন ৩৩ হাজার ৮ ভোট।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

লামায় সহায়তা পেল কর্মহীন মানুষ

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে দেশব্যাপী অসহায় ও দুস্থ মানুষের জন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনী মানবিক সহায়তা করে চলেছে। …

One comment

  1. Ami bandarban basir pakke parbattya bir k porna mantry dekte chai.

Leave a Reply

%d bloggers like this: