নীড় পাতা » পাহাড়ের অর্থনীতি » বিলাইছড়িতে বেল’র বাণিজ্যিক সম্ভাবনা

বিলাইছড়িতে বেল’র বাণিজ্যিক সম্ভাবনা

Bellবিলাইছড়ি উপজেলায় বেল চাষে অপার সম্ভাবনা দেখা গেলেও এটি এখনও চোখের আড়ালে রয়ে গেছে মিশ্রফল চাষীদের । উপজেলায় আম, ও লিচুসহ বিভিন্ন মিশ্রফল চাষের উদ্যোক্তা অনেক দেখা গেলেও এদের কাউকে বাণিজ্যিকভাবে বেলচাষ করতে দেখা যায়নি। বিচ্ছিন্নভাবে কারো কারো ব্যক্তিগত উদ্যোগে বেল গাছ লাগানোর প্রবণা দেখা গেলেও জনপ্রিয় এই ফলটির বাণিজ্যিক দিক উপেক্ষিত প্রায়।
উপজেলা সদরের বিভিন্ন স্থানে পরিচর্যাহীনভাবে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা বেলগাছে নজরকাড়া ফল দেখা গিয়েছে। তবে বাণিজ্যিকভাবে বেলচাষে অপার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষি বিভাগ সংশ্লিষ্টরা।

কেরনছড়ির হিরেন্দ্রলাল চাকমা বলেন, বেলচাষে প্রচুর সম্ভাবনা আছে। তার পাশাপাশি দেশীয় বড়ই ও তেঁতুলেরও প্রচুর ফলন এবং চাহিদা রয়েছে। এগুলোর বাজার চাহিদাও অনেক বেশি। ফলে আমার বাড়ির পাশে কয়েকটি বেল, বড়ই ও তেঁতুল গাছ আছে। প্রতি বছর ব্যবসায়ীরা নিজে এসে পাইকারী দরে সেগুলো কিনে নিয়ে যায়। তবে বাজারে খুচরা বিক্রয় করতে পারলে লাভ বেশি, পাইকারী দরে দাম কম পাওয়া যায়। Bell-2

তাগলকছড়া মোনের কৃষ্ণ চন্দ্র চাকমা বলেন, আমার বাড়ীর পাশে ৫/৬টি বেল গাছ রয়েছে। উপজেলা সদর হতে প্রায় ৭ থেকে ৮ কিলোমিটার দুর্গম পাহাড়ি রাস্তা হলেও প্রতিবছর সেখানে ব্যবসায়ীরা পাইকারী দরে বেল কিনতে যায়। এ বছর দাম কম দেওয়ায় আমি তাদের কাছে পাইকারী বিক্রয় করিনি। আমি বাজারে নিজেই বিক্রি করেছি এবং ভালোই দাম পেয়েছি।

ডাক্তারি মতে, বেল গরমেখুবই উপকারী। গরমের দিনে দুপুরে এটি সরবত বানিয়ে খেতে পারলে শরীর ঠান্ডা হয়ে যায়, পাকস্থলী পরিস্কার করে এবং গরমে ঘামের সাথে নিঃসৃত শরীরের জলীয় পদার্থকে ক্ষয়-পূরণ করতে সক্ষম হয়। ফলে গরমের জন্য বেল খাওয়া অত্যাবশ্যক।

শরীরের জন্য উপকারী এই ফলটির বাণিজ্যিক চাষাবাদে উদ্যোগ নেয়া হলে লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা আছে দরিদ্র মৌসুমী ফল চাষীদের।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

তিল চাষে রাঙামাটির বাসুদেব চাকমার সাফল্য

রাঙামাটির সদর উপজেলার রাঙামাটি-কাপ্তাই সংযোগ সড়কের জীবতলী ইউনিয়নের আগরবাগান এলাকার পাহাড়ি জমি জুড়ে তিল চাষ …

Leave a Reply