নীড় পাতা » পাহাড়ে নির্বাচনের হাওয়া » বিজয়ী হওয়ার আশাবাদ উষাতনের

বিজয়ী হওয়ার আশাবাদ উষাতনের

usatan-01আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাঙামাটি আসনে নিজের বিজয়ী হওয়ার আশাবাদের কথা জানিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির কেন্দ্রীয় সহসভাপতি উষাতন তালুকদার বলেছেন,আশা করছি নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে,এখন পর্যন্ত প্রশাসনের আচরণও ভালো মনে হয়েছে। শেষ পর্যন্ত তা থাকলেই ভালো।

হাতি মার্কার স্বতন্ত্র প্রার্থী উষাতন তালুকদার রবিবার নিজের ব্যক্তিগত নির্বাচনী কার্যালয়ে বসে পাহাড় টোয়েন্টিফোর ডট কমকে এসব কথা বলেন।

উষাতন তালুকদার আরো বলেন,পার্বত্য চট্টগ্রাম বিভিন্ন জাতীয় দল থেকে যারা সংসদে গেছেন,তারা সেখানে পার্বত্যাঞ্চলের মানুষের আশা আকাংখা ও দাবি দাওয়ার কথা তুলে ধরতে ব্যর্থ হয়েছেন,তাই নির্বাচিত হয়ে পাহাড়ে সম্প্রীতি ও আস্থা প্রতিষ্ঠা করতে চাই।

নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা প্রসঙ্গে তিনি,নির্বাচন হলো গনতান্ত্রিক প্রক্রিয়া,যেধরণের নির্বাচনই হোক অংশগ্রহণের মাধ্যমে দল এবং কর্মীবাহিনীকে গতিশীল ও সক্রিয় রাখা যায়,তাই নির্বাচনে অংশ নিচ্ছি।

বিভিন্ন প্রত্যন্ত এলাকার পাহাড়ি বাঙালি সবার সহযোগিতা পাচ্ছেন জানিয়ে উষাতন তালুকদার বলেন,আমরা বছরের পর বছর পাহাড়ের মানুষের জন্য কাজ করেছি,তাদের জন্য আন্দোলন সংগ্রাম করেছি,আশা করছি জনগনও তার প্রতিদান দেবে।

আমরা বছরের পর বছর পাহাড়ের মানুষের জন্য কাজ করেছি,তাদের জন্য আন্দোলন সংগ্রাম করেছি,আশা করছি জনগনও তার প্রতিদান দেবে।

এখনো পর্যন্ত নির্বাচনী প্রচারনা চালাতে গিয়ে তিনি কোথাও বাধার সম্মুখিন হননি জানিয়ে উষাতন তালুকদার সুবলং-এ তাঁর পোস্টার ছিঁেড় ফেলা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন। বিষয়টি স্থানীয় পুলিশ ফাঁড়িতে জানানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।
নির্বাচনী বৈতরনী পার হতে কোনো প্রার্থীর সাথে সমঝোতা হবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, সমঝোতা হলেতো মনোনয়ন গ্রহণের আগেই হতো। এখন আর সমঝোতা হওয়ার সুযোগ নেই।
বাঙালীরা তাঁকে ভোট দিবেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান বাঙ্গালীদের একটি অংশ তাঁকে ভোট দিবেন বলে তিনি আশাবাদি।

ঊষাতন তালুকদার জানান,যে লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নিয়ে পার্বত্য শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল চুক্তি স্বাক্ষরের ১৬ বছরেও সে উদ্দেশ্য সফল হয়নি। তাই চুক্তির যথাযথ বাস্তবায়ন ও পার্বত্য অঞ্চলের সাধারন মানুষের আশা আকাক্সক্ষার কথা জাতীয় সংসদের মাধ্যমে তুলে ধরতে তাঁর নির্বাচনে অংশ নেয়া। এ জন্য তিনি ১০ দফা নির্বাচনী ইশতেহারও তৈরী করেছেন।

নির্বাচনে আঞ্চলিক দলগুলোর বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর পোস্টার ছিড়ে ফেলা ও কর্মীদের বাধাদানের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন,তারা কার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে তা আমি জানিনা,তবে আমি আমার কর্মীদের স্পষ্টভাষায় বলে দিয়েছি,নির্বাচনী আচরণবিধি লংঘন হয়,এইরকম কোন কাজ যেনো না করে এবং কেউ তা করবেও না।

প্রতিদিনই নতুন নতুন জায়গায় নির্বাচনী প্রচারে যাচ্ছেন উষাতন তালুকদার। বিভিন্ন উপজেলায় এখন চলছে প্রচারণার কাজ। উপজেলায় কাজ শেষে শহরে প্রচারণা শুরু করবেন বলে জানিয়েছেন তার নির্বাচনী এজেন্ট উদয়ন ত্রিপুরা।usatan-02

Micro Web Technology

আরো দেখুন

নানিয়ারচর সেতু : এক সেতুতেই দুর্গমতা ঘুচছে তিন উপজেলার

কাপ্তাই হ্রদ সৃষ্টির ৬০ বছর পর এক নানিয়ারচর সেতুতেই স্বপ্ন বুনছে রাঙামাটি জেলার দুর্গম তিন …

Leave a Reply