নীড় পাতা » পাহাড়ের রাজনীতি » বিজয়ী আর বিজিতের হৃদ্যতাহীন সৌজন্য সাক্ষাত !

বিজয়ী আর বিজিতের হৃদ্যতাহীন সৌজন্য সাক্ষাত !

DSC00137
ফুল আর মিষ্টি নিয়ে দীপংকরের বাসায় প্রবেশ করছেন উষাতন ও সঙ্গীরা
dip-usa-cover-1
দুইনেতার প্রাণহীন সাক্ষাত
DSC00148
মন খারাপ করেই দীপংকরের বাসা থেকে বের হয়ে আসছেন উষাতন

সকাল থেকেই বিজিত দীপংকরের সাথে সৌজন্য সাক্ষাত করার চেষ্টা করছিলেন বিজয়ী উষাতন। কিন্তু নানাভাবে চেষ্টা করেও পাচ্ছিলেন না দীপংকরের শিডিউল। অগত্যা দীপংকর তালুকদার বাসায় আছেন জেনে সরাসরি তার চম্পকনগরস্থ বাসায় চলে গেলেন উষাতন তালুকদার,তার প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট উদয়ন ত্রিপুরা,জিসান বখতেয়ার,সচিন চাকমা,কুশল চাকমা। সাথে ছিলো ফুল আর বনফুলের মিষ্টিও। কিন্তু বিজয়ী আর বিজিত দুই প্রার্থীর সৌজন্য সাক্ষাতটা খুব বেশি আন্তরিক,হৃদ্যতাপূর্ণ ছিলোনা। বিজয়ী আর বিজিত দুই প্রার্থী পরস্পরকে আলিঙ্গনও করেননি,করেননি পুষ্প বিনিময়ও,উষাতনের পক্ষে উদয়ন ত্রিপুরাই দীপংকরের হাতে ফুলের তোড়া তুলে দেন।
দীপংকর তালুকদার এইসময় উষাতন তালুকদারকে উদ্দেশ্যে করে বলেন, ‘আপনারা তো আমাকে ‘কুলাঙ্গার’ ‘জাতীয় বেঈমান’ বলে গালি দিয়েছেন,চুক্তি বাস্তবায়ন নিয়ে নানা কথা বলেছেন,আমাকে অভিযুক্ত করেন,এখন নিজে এমপি হয়েছেন,মহাজোট সরকারের মন্ত্রীও হচ্ছেন,আপনি দেখেন কতদূর কি করতে পারেন,আশা করি আপনি চুক্তির অবাস্তবায়িত বিষয় বাস্তবায়ন করতে পারবেন,পাহাড়ে সন্ত্রাস,চাঁদাবাজি বন্ধ করতে পারবেন,আপনাকে অভিনন্দন জানাই।’ এসময় তিনি উষাতন তালুকদার ও তার সঙ্গীদের চা-বিস্কুট দিয়ে আপ্যায়ন করেন। দীপংকরের এইসব কথাবার্তার জবাবে কিছু না বলে মৃদুভাষি উষাতন তালুকদার দায়িত্বপালনে দীপংকরের সহযোগিতা কামনা করেছেন।
প্রসঙ্গত,২০০৮ সালের নির্বাচনে দীপংকর তালুকদার বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হন। সেবার তৃতীয়স্থানে থাকা এবারের বিজয়ী প্রার্থী উষাতন তালুকদারের আঞ্চলিক পরিষদের রেস্টহাউজের বাসায় গিয়ে তাকেও ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছিলেন দীপংকর তালুকদার।

পাহাড়ের জনপ্রিয় নেতা,তিনবারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী দীপংকর তালুকদার এবং নব নির্বাচিত সংসদ সদস্য উষাতন তালুকদার একযোগে,সকল বৈরিতা ভুলে পার্বত্য রাঙামাটির উন্নয়নে কাজ করবেন এমন প্রত্যাশা রাঙামাটিবাসির।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

বাদশার ঠাঁই হলো বৃদ্ধাশ্রমে

যাযাবর জীবন; মানসিক ভারসাম্যহীন হলেও মানুষের ভাষা বোঝে। সব সময় চুপচাপ থাকা পঞ্চাশোর্ধ মানুষটি অনেকের …

One comment

  1. দীপংকর তালুকদার উষাতনের সাথে এধরনের কথাবার্থা বলা ঠিক হয়নি। কারণ তিনি একজন মন্ত্রী হয়ে এধরনের বক্তব্য মানায় না। এ ধরনের বক্তব্যের জন্য জনগন আগামীতেও দীপংকরের ব্যালটের মাধ্যমে সঠিক জবাব দেবে।

Leave a Reply

%d bloggers like this: