নীড় পাতা » ব্রেকিং » বিএনপি নেতা হত্যায় ইউপিডিএফ’র স্ট্যান্ডবাজি?

বিএনপি নেতা হত্যায় ইউপিডিএফ’র স্ট্যান্ডবাজি?

ইউপিডিএফ/বিএনপি

রাঙামাটির রাজস্থলী উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি ও জেলা বিএনপির সদস্য, হেডম্যান দীপাময় তালুকদারকে অপহরণের পর হত্যার ঘটনায় হঠাৎই ফের অস্থির হয়ে উঠার শঙ্কার মধ্যেই একটি বিবৃতি জন্ম দিয়েছে নানান প্রশ্নের।

হত্যাকাণ্ডের শিকার হওয়া দীপাময় দুইবার ইউপি চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করার পাশাপাশি সক্রিয় ছিলেন বিএনপির রাজনীতিতেও। সঙ্গত কারণেই তার মৃত্যুতে তাৎক্ষনিক বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে রাঙামাটি শহরে বিএনপি ও সহযোগি সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

কিন্তু হত্যাকাণ্ডের পরপরই পাহাড়ের আঞ্চলিক দল প্রসিত খীসার নেতৃত্বাধীন ইউপিডিএফ এই ঘটনার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে পাঠানো একটি বিবৃতিতে বেশ ‘বিব্রত ও ক্ষুদ্ধ’ রাঙামাটি জেলা বিএনপি। বরাবরই নিজেদের কর্মী বা সমর্থক কেউ নিহত হওয়া ছাড়া আর কোনো হত্যাকান্ডের পর নির্বাক ও বিবৃতিহীন থাকা ইউপিডিএফ’র এই বিবৃতিকে সন্দেহের চোখে দেখা বিএনপি মনে করছে, মূলত: ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চাইছে পাহাড়ের এই আঞ্চলিক দলটি।

রাঙামাটি জেলা বিএনপির সভাপতি হাজী মো. শাহ আলম জানিয়েছেন, ‘নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার দীপাময় আমাদের নেতা। তাকে হত্যার পর ইউপিএফ বিবৃতি দিয়ে হয়তো প্রমাণ করতে চাইছে, সে তাদের কর্মী ! এটা এক ধরণের অপরাজনীতি।’

শাহ আলম আরও বলেন, আমরা যদ্দুর জানি, রাজস্থলীতে ইউপিডিএফ এর অস্তিত্বও নেই। তারা মূলত: বিবৃতি দিয়ে নিজেদের নাম গণমাধ্যমে এনে আলোচনায় আসতে চাইছে এবং আমাদের নিহত নেতার রাজনৈতিক পরিচয়কে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে। এই চর্চা খুবই দুঃখজনক।’

রাঙামাটি জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম পনির বলেছেন, ‘সে কোনো আঞ্চলিক দলের সাথে জড়িত থাকার প্রশ্নই আসেনা। সে দীর্ঘদিন ধরেই বিএনপি করে। সে আমাদের দলের নেতা হিসেবে দুটি মামলার আসামিও। ইউপিডিএফ বা জেএসএস কোনো দলের সাথেই সে সম্পৃক্ত ছিলো না। ইউপিডিএফ এই বিবৃতি সঙ্গতকারণেই রহস্যজনক তো বটেই। এটা সম্ভব রাজনৈতিক স্ট্যান্ডবাজি।’

Micro Web Technology

আরো দেখুন

পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে রাঙামাটি বিএনপির বিক্ষোভ

কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে পার্বত্য জেলা রাঙামাটিতে পেঁয়াজ ও নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতির প্রতিবাদে বিক্ষোভ …

Leave a Reply