নীড় পাতা » ব্রেকিং » বাড়ছে আশাবাদ,কমছে জটিলতা…

বাড়ছে আশাবাদ,কমছে জটিলতা…

UNI-picরাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাস চালু করা প্রসঙ্গে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার এক মতবিনিময় সভায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় রাঙামাটির স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা ছাড়াও, বিশ্ববিদ্যালয়টির ভিসি,রাঙামাটি মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষসহ রাঙামাটির বিশিষ্টজনরা উপিস্থত ছিলেন। সভায় প্রায় সকল বক্তাই আলোচনার মাধ্যমে সৃষ্ট সংকটের সমাধান করে দ্রুততম সময়ের মধ্যেই সমস্যার সমাধান করার পরামর্শ দেন।

বৃহস্পতিবার সকালে রাঙামাটি জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা প্রশাসক সামসুল আরেফিন এর সভাপতিত্বে রাঙামাটি জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান, সুশিল সমাজ, জনপ্রতিনিধি, বিশিষ্টজন সহ বিভিন্ন গণমাধ্যম কর্মী উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখযোগ্য যারা উপস্থিত ছিলেন তারা হলেন রাঙামাটি পৌরসভার মেয়র সাইফুল ইসলাম চৌধুরী ভূট্টো, রাঙামাটি সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ বাঞ্চিতা চাকমা,রাঙামাটি পাবলিক কলেজের অধ্যক্ষ তাসাদ্দেক হোসেন কবির,পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক সমিতির সভাপতি গৌতম দেওয়ান, সাবেক পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ড. মানিক লাল দেওয়ান, জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও জেলা পরিষদ সদস্য মোঃ মুছা মাতব্বর, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডেও জনসংযোগ কর্মকর্তা মংচেনলাইন রাখাইন,রাঙামাটি রিজিয়নের জিটুআই মেজর তসলিম তারেক, রাঙামাটি প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি সুনীল কান্তি দে, রাজপরিবারের সন্তান কুমার সমিত রায়,সাবেক পৌর চেয়ারম্যান একে দেওয়ান,শিক্ষাবিদ নিরূপা দেওয়ান,অভয় প্রকাশ চাকমা, চিংকিউ রোয়াজা, এডভোকেট মামুনুর রশীদ,মনিরুজ্জামান মহসিন রানা,রাণী দয়াময়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রনতোষ মল্লিক,নারীনেত্রী মনোয়ারা জসীম,দৈনিক রাঙামাটি সম্পাদক আনোয়ার আল হক,জেলা জাতীয় পার্টিও সভাপতি হারুন মাতব্বর প্রমূখ।

অনুষ্ঠানের শুরুতে রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপর্চায্য ড. প্রদানিন্দু বিকাশ চাকমা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অগ্রগতি সহ প্রকল্পরে বিভিন্ন বিষয় ‘পাওয়ার পয়েন্ট’ এর মাধ্যমে উপস্থাপনা করেন। পরে মুক্ত আলোচনা সভায় রাঙামাটির বিশিষ্ট জনেরা তাদের মতামত প্রদান করেন।

মনিরুজ্জামান মহসিন রানা বলেন, রাঙামাটিতে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় চালুর ব্যপারে রাঙামাটি বাসী আনন্দিত। যদিও একটি মহল এর বিরোধিতা করে বিভিন্নভাবে কাজ চালাচ্ছে, কিন্তু তাদের প্রচেষ্টা সফল হবে না, রাঙামাটিতে বিশ্ববিদ্যালয় হবেই। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের নিরাপত্তা বিষয়ে তিনি বলেন, এখানে যারা পড়ালেখা করতে আসবে তাদের ধ্যে অনেকে আমাদের এখানকার ছেলে-মেয়ে থাকবে, এর পাশাপাশি বিভিন্ন জেলা থেকে এখানে ছেলে-মেয়েরা পড়ালেখা করতে আসবে, তাই তাদের নিরাপত্তার দায়িত্ব আমাদেরকেই দিতে হবে। সে লক্ষ্যে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনি তাদের যথাযথ ভূমিকা পালন করবে বলে আমরা আশা করি। তিনি আরো বলেন, ছাত্র-ছাত্রীদের বর্তমান নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে রাঙামাটি সদরের চম্পকনগর এলাকায় পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর ব্যবহার করলে ভালো হবে। সেখানে থাকার এবং নিরাপদে ক্লাস করার ব্যবস্থা রয়েছে, তাই এটিকে বর্তমানে অস্থায়ী ভাবে ব্যবহার করে ক্লাস অতিদ্রুত চালু করার অনুরোধ করেন তিনি।

রাঙামাটি জেলা পরিষদ সাবেক চেয়ারম্যান গৌতম দেওয়ান পার্বত্য এলাকার কথা বিবেচনা করে এই এলাকার যে সংস্কৃতি, সামাজিক ধারণা বিষয়ে বিষয় নির্ধারণ করা যায় কিনা সে ব্যাপারে উদ্যোগ গ্রহন করার জন্য আহবান জানিয়ে এবং পাহাড়ী কোটা নিয়ে প্রশ্ন করে বলেন, আমাদের এখানকার ছেলে মেয়েরা এখানে পড়ার জন্য সঠিক ভাবে কোটা পাবে কিনা, এখানে তাদের সুযোগ আছে বলে সবাই বলে, কিন্তু আসলে তারা সে সুবিধা পায় না। তাই তাদের সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে। তাছাড়া চুক্তিতে বলা আছে, এখানে কোন কিছু করতে চাইলে আঞ্চলিক পরিষদের সাথে আলোচনা করতে হবে, কিন্তু এটি করা হয়েছে কি? না হলে কেন করা হয় নি? এই বিষয়গুলো বিবেচনার দাবি জানান তিনি।

কলামিস্ট অভয় প্রকাশ চাকমা বলেন, এখানে সেনাবাহিনি কতৃর্ক ক্যান্টনম্যান্ট স্কুল এন্ড কলেজ করার ব্যাপারে দুইবার উদ্যোগ নেয়া হয়, কিন্তু তা পরবর্তীতে বিভিন্ন কারণে না হয়ে খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে চলে গেছে। একারণে আসলে আমাদেরই ক্ষতি হয়েছে। ঠিক তেমনি ভাবে রাঙামাটিতে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় হবার কথা থাকলেও তা বিভিন্ন কারনে এখান থেকে অন্য জেলায় চলে গেছে, তাই এটি যে আবার এসেছে তা আমাদের জন্য সৌভাগ্য। শান্তি চুক্তির সাথে এটির কোন সম্পর্ক নেই দাবি করে তিনি বলেন, শান্তিচুক্তির বাস্তবায়ন যেমন আমরা চাই, ঠিক তেমনিভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ও আমরা চাই। শান্তি চুক্তির সাথে এটিকে মেলানো সঠিক হবে না। চুক্তি বাস্তবায়নও হোক, আবার রাঙামাটিতে মেডিকেল ও বিজ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয়ও হক। এগুলো হলে আমাদের জন্যই ভালো।

রাঙামাটি বিএনপি সদর থানা কমিটির সভাপতি এ্যাডভোকেট মামুনুর রশিদ মামুন বলেন, রাঙামাটিতে মেডিকেল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় হলে আমাদের জন্যই ভালো হবে। মাঝে কথা হয়েছিলো যদি রাঙামাটিতে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দুটি না হয় তবে তা বান্দরবানে নিয়ে যাওয়া হবে, এটি হলে কি আমাদের জন্য ভালো হবে? যদি এই প্রতিষ্ঠান দুটি এখানে হয়, তবে পার্বত্য এলাকার সামাজিক,অথনৈতিক ভাবে সুবিধা হবে। তাই এই সমস্যাগুলো অতিদ্রুত সমাধান করে বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হোক।

মানবাধিকার কমিশন সদস্য নিরূপা দেওয়ান বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষকতা পেশায় যুক্ত ছিলাম, তাই আমি জানি উচ্চ শিক্ষার যে চাহিদা সে সম্পর্কে। তাই আমি চাই এই প্রতিষ্ঠান দুটি চালু হোক এবং সামনের দিকে এগিয়ে যাক।

সাবেক পৌর চেয়ারম্যান ড. এ.কে দেওয়ান বলেন, রাঙামাটির যে জায়গাগুলো রয়েছে, তা সঠিকভাবে ব্যবহার করে এই কলেজ দুটি হক এবং তাদের যে কার্যক্রম চলছে তা চলবে আর এর মাধ্যমে তারা এগিয়ে যাবে বলেই বিশ্বাস আমার।

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ডিন ও সাবেক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ড. মানিক লাল দেওয়ান বলেন, আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলাম, এখন আমি যদি বলি বিশ্ববিদ্যালয় চাইনা তবে মানুষ আমাকে পাগল বলবে। উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হচ্ছে একটি ফুলের বাগান। এটি থেকে ফুল ফুটবে এবং তা সুগন্ধ ছড়াবে। তাই আমাদের দরকার এক হয়ে এই বাগানের পরিচর্যা করা। সবাই মিলে আলোচনা করে এই সমস্যা গুলো সমাধান করে কাজ চালিয়ে যাওয়ার অনুরোধ করেন এই শিক্ষাবিদ।

রাঙামাটি জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক হাজী হাজী মোঃ মুছা মাতব্বর বলেন, প্রথম ব্যাচে যেসব শিক্ষার্থীরা ভর্তি হয়েছে তাদের ক্লাস এখনো শুরু হয়নি, এর মধ্য অন্য একটি সেশনও চলে আসছে। বিরোধিতার জন্য বিরোধিতা না কওে, সবাই মিলে এই বিশ্ববিদ্যালয়টি চালুর জন্য এগিয়ে আসা দরকার। নয়তো এই ছেলেমেয়েদেও জীবন থেকে একটি বছর নষ্ট হবে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী যে কথা দিয়েছেন রাঙামাটিরতে এসে, তিনি তা যে কোন মূল্যে বাস্তবায়ন করবেন, তাই আমাদের পার্বত্য এলাকার কথা বিবেচনা কওে, বিরোধিতা না করে সবার এগিয়ে আসা প্রয়োজন।

রাঙামাটি সরকারী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের অধ্যক্ষ বাঞ্ছিতা চাকমা বলেন, রাঙামাটির অধিকাংশ মানুষই দরিদ্র, তাদের ছেলে-মেয়েকে উচ্চ শিক্ষার জন্য বাহিরে পাঠাতে পারেনা, সে কারনে এই ধরনের বিশ্ববিদ্যালয় রাঙামাটিতে হলে সবার জন্যই ভালো হবে। রাঙামাটি সরকারী কলেজের কথা উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, রাঙামাটি কলেজ সরকারী স্কুলে চালু হয়েছে, তা আজ নিজস্ব ক্যাম্পাসে চলছে, এটি চালু হওয়াতে কেউ বাধা দিতে পারেনি। এখন কলেজে অর্নাস,মাস্টাস রয়েছে এর ফলে আমাদের পার্বত্য এলাকার মানুষের জন্যইতো ভালো হয়েছে। তাই আমি চাই এই বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ এগিয়ে যাক।

রাঙামাটি সরকারি মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডাঃ টিপু সুলতান বলেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ অনেকখানি এগিয়ে গেছে, তাই আমার মনে হয় বাকি কাজ শেষ করার জন্য সামনে আরো এগিয়ে যাওয়া দরকার। তিনি শিক্ষার্থীদের একটি বছর জীবন থেকে চলে যাবে, তাই সবাইকে এই শিক্ষার্থীদের পাশে এসে দাড়াঁনোর অনুরোধ করেন।

রাঙামাটির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাজমুল হাসান বলেন, বাংলাদেশে যে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো রয়েছে তাদের মধ্য এটি একটি অন্য রকম বিশ্ববিদ্যালয়। কারন এখানে শিক্ষক, কর্মচারী, শিক্ষার্থী সবার জন্য আবাসিক ব্যবস্থা থাকছে। তাই এটির মান অন্যরকম হবে।
নিরাপত্তার ব্যাপারে তিনি বলেন, আমার এর আগেও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে কাজ করার সুযোগ হয়েছে, ফলে এদেরকে কিভাবে নিরাপত্তা দিতে হবে সে ব্যাপারে আমি ভালোভাবেই জানি। তাদের পড়ালেখা সুবিধার জন্য, তাদের চলাচলে নিরাপত্তার ব্যাপারে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনি সব ধরণের সহযোগিতা করবে।

রাঙামাটি সেনাবাহিনীর রাঙামাটি রিজিয়নের জিটুআই মেজর তসলিম তারেক বলেন,ক্যান্টনমেন্ট স্কুল এন্ড কলেজ রাঙামাটিতে দু‘বার এসেছিলো, কিন্তু এই এলাকার বিভিন্ন সমস্যার জন্য এগুলো আবার এখান থেকে চলে গেছে। যার কারনে আপনাদের অসুবিধা হচ্ছে। আপনারা বলছেন আমরা পিছিয়ে পড়ছি ,আপনারাতো ইচ্ছা করে পিছিয়ে পড়ছেন। আপনারা এই উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এর জন্য বিরোধিতা করে নিজেদের জন্য অসুবিধা করছেন, আপনারা সবাই এক হয়ে এগুলো বাস্তবায়নে এগিয়ে আসা দরকার। আর এখানে যে মারামারি হয়, তা কারো কাম্য নয়। সবার দরকার এক সাথে এসে এই সমস্যাগুলো সমাধান করা।
তিনি বলেন, যারা বিরোধিতা করছে বা যারা এর পক্ষে আছে, সবার এখানে এসে এসব কথা শুনা প্রয়োজন, তাদের মনের কথা এখানে তুলে ধরা দরকার, তবেই এই সমস্যাগুলো সমাধান করা সম্ভব হবে।

রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপচার্য ড. প্রদানেন্দু বিকাশ চাকমা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পদে কর্মচারী নিয়োগ করা হয়ে গেছে আর এদের মধ্য পার্বত্য চট্টগ্রামের মানুষকেই বেশি প্রাধান্য দেয়া হয়েছে। তাহলে এটি আমাদের জন্য কি ভালো হল না ? এখানে স্থানীয় লোকেরা চাকরির সুবিধা পেলো,ভবিষ্যতে আরো সুবিধা পাবে।

তিনি বলেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ে যখন বলা হয়েছে কোটার কথা তখন কেউ কিছু বলেনি কিন্তু মন্ত্রনালয় পার্বত্য এলাকার কথা চিন্তা করে ২৫% কোটা নির্ধারণ করে দিয়েছে। যার মধ্য খাগড়াছড়ি থেকে ৪ জন, বান্দরবান থেকে ৫ জন ও রাঙামাটি থেকে ৪ জন, মোট ১৩ জন শিক্ষার্থী মেডিকেলে ভর্তির সুযোগ পেলো।

তিনি বলেন, আপনারা আমাদের এই ছেলেদের জন্য দোয়া করবেন তাদের সেশন যেন নষ্ট না হয়। তাদের সেশন আমি নষ্ট হতে দিবোনা, ক্লাস শুরু হবেই।

রাঙামাটির জেলা প্রশাসক সামসুল আরেফিন সভাপতির বক্তব্যে বলেন, প্রধানমন্ত্রী যে কথা বলেছেন তার পরিপেক্ষিতে এই প্রতিষ্ঠানগুলোর ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়ে, একটিতে এখন ক্লাস চলছে, অন্যটিতে ক্লাস অতি দ্রুত শুরু হবে। ভালো কাজের জন্য বাঁধা আসবে, এটিকে বাঁধা মনে না কওে, তা আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের দিকে এগিয়ে যেতে হবে, তবেই এর সুফল ভোগ করতে পারবে পাহাড়ের মানুষ। তিনি সবাইকে এক হয়ে রাঙামাটির সার্বিক উন্নয়নের জন্য কাজ করার আহবান জানিয়ে সভার সমাপ্তি করেন।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নির্মাণে বিরোধীতার প্রতিবাদ রাঙামাটিতে

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য নির্মাণে বিরোধীতার নামে ‘উগ্রমৌলবাদ ও ধর্মান্ধগোষ্ঠীর জনমনে বিভ্রান্তির …

Leave a Reply

%d bloggers like this: