নীড় পাতা » পাহাড়ের অর্থনীতি » বান্দরবানে পেয়াজের কেজি ১৬০ টাকা !

বান্দরবানে পেয়াজের কেজি ১৬০ টাকা !

Bandarban-Payas-PiCবান্দরবানে পেয়াজের কেজি ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বেড়েছে ডিমের দামও। ডজন প্রতি ৮৪ থেকে এক লাফে ৯৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে ডিম। ফলে সীমিত আয়ের মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে। বান্দরবান বাজারের ক্রেতা ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে তথ্যগুলো জানা গেছে। বৃহস্পতিবার বান্দরবান ও বালাঘাটা বাজারে পেয়াজ বিক্রি হয়েছে ১৬০ টাকায়। গত কয়েকদিনের অবরোধে সংকট থাকায় কেজিতে পেয়াজের দাম বেড়েছে প্রায় চল্লিশ টাকা। কয়েকদিন আগেও বাজারে পেয়াজ বিক্রি হয়েছে একশ দশ থেকে বিশ টাকায়।

স্থানীয় ক্রেতা ফয়সাল জানান, পেয়াজের ঝাঁঝ কমলেও দাম কমেনি। কয়েকদিনের অবরোধে কেজিতে পেয়াজের দাম বেড়েছে প্রায় চল্লিশ টাকা। দেশের অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে আগামীতে দুইশ টাকা ছাড়িয়ে যাবে। পেয়াজ ছাড়ায় রান্না খেতে হবে।

বৃহস্পতিবার বান্দরবান বাজারের প্রায় ত্রিশটি দোকান ঘুরে দেখাগেছে, পেয়াজ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি দেড়শ থেকে ১৬০ টাকায়। কয়েকটি দোকানে পেয়াজের মান খারাপ থাকায় একশ চল্লিশ টাকায়ও বিক্রি করতে দেখা গেছে। তবে অধিকাংশ দোকানেই পেয়াজ নেই। অথচ এক সপ্তাহ আগেও দেশি পেঁয়াজ ৮০ টাকা এবং ভারত ও মায়ানমার থেকে আমদানি করা পেঁয়াজ ৬০ টাকায় বিক্রি হয়েছিল।

স্থানীয় বাজারের ব্যবসায়ী মোহাম্মদ ইউনুচসহ কয়েকজন ব্যবসায়ী জানান, অবরোধের কারণে সরবরাহ কম। গাড়ি ঢাকায় ঢুকতে পারছে না। তাই দাম বাড়ছে। অবরোধ না হলে এতদিনে পেঁয়াজের দাম ৪০ টাকায় চলে আসত। চট্টগ্রামে পেয়াজের আরোতগুলোতেও পেয়াজ নেই। বেশি দাম দিয়ে পেয়াজ কেনার পরও অবরোধের কারণে বান্দরবান পেয়াজ আনতে পারছি না। সংকটের কারণে দাম বাড়ছে, বিষয়টা অস্বাভাবিক কিছু নয় বলেও মন্তব্য করেন ব্যবসায়িরা।

তবে ব্যবসায়িরা যাই বলুন না কেনো,নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যটির মূল্যের পাগলাঘোড়া না থামালে সাধারন মানুষের যে নাভিশ্বাস তৈরি হয়েছে তা আরো বাড়বেই বৈকি।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর বাইশারী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ফিরল ফুটবল

পার্বত্য বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার রাবার শিল্প নগরী হিসেবে পরিচিত বাইশারীতে দীর্ঘদিন পর মাঠে ফিরেছে ফুটবল। …

Leave a Reply