নীড় পাতা » পাহাড়ের সংবাদ » বান্দরবানে নিষিদ্ধ পপি ক্ষেত ধ্বংস, আটক ৩

বান্দরবানে নিষিদ্ধ পপি ক্ষেত ধ্বংস, আটক ৩

Bandarban-Poppy-PiC.বান্দরবানের আলুঝিড়িতে নিষিদ্ধ পপি ক্ষেত ধংস করেছে যৌথ বাহিনী। এসময় পপি চাষের সঙ্গে জড়িত থাকার দায়ে পাড়া কারবারীসহ ৩ জন’কে আটক করা হয়। মঙ্গলবার সকালে আলীকদম সেনা জোনের মেজর কামরুল হাসানের নেতৃত্বে যৌথ বাহিনীর সদস্যরা জেলার আলীকদম-থানছি অভ্যন্তরিন সড়কের দূর্গম আলুঝিরি কারবারী পাড়া পাহাড়ের অরণ্যে অভিযান চালায়। এসময় পাহাড়ী ঝিড়ির পাশে চাষকৃত ছোট্ট ছোট্ট ৫টি নিষিদ্ধ পপি বাগান ধংস করে আগুনে পুড়িয়ে দিয়েছে যৌথ বাহিনী। ঘটনাস্থল থেকে পপি চাষের সঙ্গে সম্পৃক্ত তিন জন পাহাড়ীকে আটক করা হয়েছে। এরা হলেন-পাড়া কারবারী চন্দ্র মনি ত্রিপুরা, ছেলে নাদির ত্রিপুরা ও স্থানীয় বাসিন্দার উতিচা ত্রিপুরা।
আলীকদম সেনা জোনের মেজর কামরুল হাসান জানান, যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলোতে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা গোপনে বিপদগামী পাহাড়ীদের নানা প্রলোভন দেখিয়ে নিষিদ্ধ পপিচাষে বাধ্য করে। চাষকৃত পপি বাগান থেকে বিভিন্ন উপায়ে পপিক্ষেত থেকে ‘কষ’ আহরণ এবং ফল থেকে বীজ সংগ্রহ করে পপি চাষীরা। তবে ঘনঘন অভিযানের কারণে পপি চাষীরা অনেকটা কোনঠাসা হয়ে পড়েছে। আগের তুলনায় পপি চাষও অনেক কমে গেছে। নিরাপত্তা বাহিনী ও স্থাণীয় পাহাড়ীরা জানান, ১৯৯০ সালের প্রথমদিকে জেলার সীমান্তবর্তী থানছি ও আলীকদম উপজেলার দূর্গমাঞ্চলে নিষিদ্ধ আফিম (পপি) চাষ শুরু হয়।

প্রথমদিকে মিয়ানমারের বিচ্ছিন্নবাদী সন্ত্রাসীরা সীমান্তের নৌম্যান্স ল্যান্ডে আফিম চাষ করলেও বর্তমানে বাংলাদেশের রিজার্ভ ফরেষ্টের সংরক্ষিত বনাঞ্চলকে আফিম চাষ করা হচ্ছে। আর আফিম চাষের শ্রমিক হিসেবে এখন দূর্গমাঞ্চলের বসবাসরত পাহাড়ীদের বেঁেচ নিয়েছে বিচ্ছিন্নতাবাদীরা। স্থানীয় পাহাড়ীরাও বর্তমানে জড়িয়ে পড়েছে নিষিদ্ধ পপি চাষে।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

থানচিতে অবৈধ ইটভাটা ভেঙেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত

বান্দরবানের থানচিতে অনুমোদনহীন গড়ে ওঠা অবৈধ একটি ড্রাম চিমুনীর ইটের ভাটা ভেঙে দিয়েছে ভ্রম্যমাণ আদালত। …

Leave a Reply