নীড় পাতা » খাগড়াছড়ি » বাদশার ঠাঁই হলো বৃদ্ধাশ্রমে

বাদশার ঠাঁই হলো বৃদ্ধাশ্রমে

যাযাবর জীবন; মানসিক ভারসাম্যহীন হলেও মানুষের ভাষা বোঝে। সব সময় চুপচাপ থাকা পঞ্চাশোর্ধ মানুষটি অনেকের মন জয় করেছেন। একেক সময় একেক নাম বললেও শেষ পর্যন্ত নিজের নাম বাদশা বলে দাবি তাঁর। আর পরিবারহীন বাদশার শেষ ঠিকানা হলো ঢাকার একটি বৃদ্ধাশ্রমে। খাগড়াছড়ির কয়েকজন তরুণের উদ্যোগে তাঁর ঠাইঁ হলো ঢাকার মিরপুুরে অবস্থিত চাইল্ড অ্যান্ড ওল্ড কেয়ার নামক একটি বৃদ্ধাশ্রমে।

জানা গেছে, গত ৩০ মে সড়ক দুর্ঘটনায় বাম পায়ের গোড়ালীর ওপরের হাড় ভেঙে যায়। এসময় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে খাগড়াছড়ি আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে আসে। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে অপারেশন করে সুস্থ করে তোলেন। এছাড়াও তাঁর আরও কিছু রোগ ধরা পড়ে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি স্থানীয় যুবক মো. সাহাব উদ্দি মমতায় লোকটিকে সুস্থ করে তোলেন। পরবর্তীতে তাঁর উদ্যোগে বাদশাকে ঢাকার একটি বৃদ্ধাশ্রমে পাঠানোর উদ্যোগ গ্রহন করা হয়।

সাহাব উদ্দিন জানায়, অসুস্থ হওয়ার পর থেকে যতটুকু সম্ভব তাঁর পাশে থেকেছি। এখন তিনি পুরোপুরি সুস্থ বলা যায়। ঢাকার চাইল্ড অ্যান্ড ওল্ড কেয়ার হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাটা মিল্টন সমাদ্দারকে বিস্তারিত বললে তিনি সব দ্বায়িত্ব নেয়ার কথা জানান এবং দ্রুত পাঠাতে বলেন। পথেঘাটে ঘোরার চেয়ে বৃদ্ধাশ্রমে তিনি শান্তিতে থাকতে পারবেন। তাই সেখানে দিয়ে এসেছি।

এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লেখালেখি হলে অনেকে অর্থসহায়তা দিয়ে পাশে থাকার আগ্রহ ব্যক্ত করেন। এদিকে এমন কাজ করায় উদ্যোক্তরা প্রশংসা কুড়িয়েছেন সকলের। অপর উদ্যোক্তা জনি দত্ত জানায়, মানুষ হয়ে অন্য মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মত ভালো কাজ আর কিছুই হতে পারে না। আমাদের কিছুটা সামর্থ্য ও সুযোগ আছে বলে অসহায় মানুষটির পাশে দাঁড়িয়েছি। অনেকে র্অর্থ, বুদ্ধি পরামর্শ দিয়ে আমাদের সহযোগীতা করেছেন বলে কাজটি সহজ হয়েছে।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

বিদ্যুৎ সুবিধাবঞ্চিত মহালছড়ি সদরের ২ গ্রামের মানুষ

আধুনিক প্রযুক্তির ক্রমবিকাশে পাল্টে যাচ্ছে দুনিয়া। প্রতিনিয়ত উদ্ভাবন হচ্ছে নতুন নতুন আবিষ্কার। মানুষের জনজীবনে পড়ছে …

Leave a Reply