বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সদস্যদের পাশে দাঁড়ালো আইডিএফ

সাম্প্রতিক সময়ে টানা বর্ষণ ও পাহাড়ী ঢলে সৃষ্ট বন্যায় আইডিএফ সদস্যদের মধ্য থেকে ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। এমটুডব্লিউটু প্রকল্পের ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে আর্থিক সহায়তা দিয়েছে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা হেলেন কেলার ইন্টারন্যাশনাল। সোমবার দীঘিনালা উপজেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে প্রতি সদস্যকে ৩ হাজার টাকা করে ১৭৬ জন সদস্যের মাঝে এ টাকা বিতরন করা হয়। তবে ক্ষতিগ্রস্থদের তালিকা তৈরিতে সচ্ছতা হয়নি এবং প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্থ বাদ পরার অভিযোগ থাকলেও কতৃপক্ষ তা অস্বীকার করেছে।

অনুষ্ঠানিকভাবে অর্থ বিতরন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নব কমল চাকমা, নারী ভাইসচেয়ারম্যান গোপা দেবী চাকমা, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা শাহীনুল ইসলাম, প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা জওহর লাল চাকমা ও সিঁড়ির সিনিয়র প্রোগ্রাম ম্যানেজার সুতাপা পালসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থার কর্মকর্তাগন।

দীঘিনালা উপজেলা টিম লিডার অনির্বান চাকমা জানান, দীঘিনালা উপজেলার ৩টি ইউনিয়ন দীঘিনালা, মেরুং ও কবাখালীর ক্ষতিগুস্থদের মাঝে সহায়তা দেওয়া হয়েছে। এতে কৃষি ফসল ও গবাদিপশু-পাখি ক্ষতিগ্রস্ত মোট ১৭৬ পরিবারকে ৩ হাজার টাকা করে মোট ৫ লক্ষ ২৮ হাজার টাকা বিতরণ করা হয়। মুলত, সংস্থার উপকারভোগী সদস্যদের মাঝে সবজি বীজ বিতরণ করা হয়েছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক বন্যায় সব্জিতলা ক্ষতি হয়েছে এমন উপকারভোগীদের নগদ আর্থীক সহায়তা দেওয়া হলো।

মেরুং ইউনিয়নের কালাচাঁদ মহাজন পাড়ায় সংস্থাটির সদস্য রয়েছে ২৩ জন। কিন্তু আর্থীক সহযোগীতা পেয়েছেন দুই সদস্য। তারা হলেন, পূর্ন চাকমা ও চন্দ্র উদয় চাকমা। একই এলাকার কান্দ্রা চাকমা (২৮) অভিযোগের সুরে বলেন, ‘কিভাবে তালিকা করলো, কবে তালিকা করলো কিছুই জানিনা। যারা টাকা পেয়েছেন তাদের চেয়ে আমার (কান্দ্রার) আরও বেশি ক্ষতি হয়েছে তবুও আমি টাকা পেলামনা)। তবে এধরণের অভিযোগ অস্বীকার করে খাগড়াছড়ির সিনিয়র টেকনিক্যাল অফিসার মো. রেজাউল করিম জানান, সংস্থার নিজস্ব মাঠ কর্মীদের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্থদের তালিকা তৈরি করা হয়েছে।

প্রোগ্রাম ম্যানেজার দীপংকর চাকমা জানান, কয়েকদফা বন্যা হয়েছে; প্রতিবার তালিকা করা সম্ভব হয়নি। একবার তালিকা করা হয়েছে সে কারণে এরকম হয়ে থাকতে পারে।

উল্লেখ্য, হেলেন কেলার ইন্টারন্যাশনাল ও এর সহযোগী সংস্থা আইডিএফ ২০১৩ সালের জুলাই থেকে দীঘিনালায় ১হাজার ২৫০ দুস্থ পরিবার নিয়ে কাজ করছে। প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য-১ (২০১৫ সালের মধ্যে ক্ষুধা ও অতি দারিদ্রতা নিরসন) এ অর্জনে বাংলাদেশ সরকারকে সহযোগিতা করা।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

বিদ্যুৎ সুবিধাবঞ্চিত মহালছড়ি সদরের ২ গ্রামের মানুষ

আধুনিক প্রযুক্তির ক্রমবিকাশে পাল্টে যাচ্ছে দুনিয়া। প্রতিনিয়ত উদ্ভাবন হচ্ছে নতুন নতুন আবিষ্কার। মানুষের জনজীবনে পড়ছে …

Leave a Reply