নীড় পাতা » ব্রেকিং » বন্ধ হলো কাপ্তাই হ্রদে মাছ ধরা

তিন মাসের জন্য

বন্ধ হলো কাপ্তাই হ্রদে মাছ ধরা

কাপ্তাই হ্রদে মাছ ধরছেন জেলেরা (পুরনো ছবি)

কার্প জাতীয় মাছের বংশবৃদ্ধি, হ্রদে অবমুক্ত করা পোনা মাছের সুষ্ঠু বৃদ্ধি, মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন নিশ্চিতকরণসহ হ্রদের প্রাকৃতিক পরিবেশ মৎস্য সম্পদ বৃদ্ধির সহায়ক হিসাবে গড়ে তোলার লক্ষে রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। প্রতি বছরের মতো এবারও পহেলা মে থেকে আগামী তিন মাসের জন্য দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম কৃত্রিম জলাধার কাপ্তাই হ্রদে সব ধরণের মাছ ধরা, বাজারজাতকরণ এবং পরিবহন বন্ধ থাকবে।

বিএফডিসি রাঙামাটি কেন্দ্রের তথ্য মতে, কাপ্তাই হ্রদে কার্প প্রজাতি মা মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন নিশ্চিত করার জন্য ডিম ছাড়ার মৌসুমে মাছ ধরা বন্ধ রাখা প্রয়োজন। কাপ্তাই হ্রদ দেশের কার্প জাতীয় মাছের প্রাকৃতিক প্রজননের একটি অন্যতম স্থান। এসময় মাছ শিকার বন্ধে কাপ্তাই হ্রদে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে। একইসঙ্গে স্থানীয় বরফ কলগুলোও বন্ধ থাকবে। সরকারি হিসেবে পুরো জেলায় কাপ্তাই হ্রদে মাছ শিকারের ওপর নির্ভরশীল প্রায় ২২ হাজার জেলে।

বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডিসি) রাঙামাটি কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক লেফটেন্যান্ট কমান্ডার তৌহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, এবছর ৮ হাজার ৫০৪ টন মাছ আহরণের বিপরীতে ১৫ কোটি ২২ লাখ টাকার রাজস্ব আদায় করা হয়েছে। করোনার উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কম সংখ্যাক জেলেরা নদীতে মাছ শিকারে নেমেছিল। পরিস্থিতি ভালো থাকলে রাজস্ব আদায় আরও বাড়তো।

রাঙামাটি জেলা প্রশাসক একেএম মামুনুর রশিদ জানিয়েছেন, কার্প জাতীয় মাছের বংশবৃদ্ধি, হ্রদে অবমুক্ত করা পোনা মাছের সুষ্ঠু বৃদ্ধি, মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন নিশ্চিতকরণে ১ মে থেকে আগামী তিনমাস কাপ্তাই হ্রদে মৎস্য আহরণে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। এসময় মাছ শিকার বন্ধে নৌ-পুলিশের পাশাপাশি জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ টিমও কাজ করে যাবে। নিষেধাজ্ঞাকালীন সময়ে কেউ হ্রদে মাছ আহরণ করলে অপরাধ অনুযায়ী তাকে দণ্ড দেওয়া হবে।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

পাহাড়ের বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি সংরক্ষণ-বিকাশে কাজ করছে সরকার: সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী

সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এম খালিদ বলেছেন, ‘পাহাড়ের বৈচিত্রময় সংস্কৃতি সংরক্ষণ ও বিকাশে কাজ করছে সরকার। …

Leave a Reply