নীড় পাতা » ফিচার » অরণ্যসুন্দরী » বদলে যাবে বান্দরবানের সাত পর্যটনকেন্দ্র

বদলে যাবে বান্দরবানের সাত পর্যটনকেন্দ্র

Untitled-1 copyবান্দরবানে আকর্ষণীয় পর্যটন স্পটগুলো সংরক্ষণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। খুব শীগ্রই পর্যটন মন্ত্রণালয়ের ঘোষিত সাতটি স্পটের সীমানা নির্ধারণ এবং অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান চালানো হবে বলে জানিয়েছে বান্দরবান জেলা প্রশাসন।
প্রশাসন সূত্রে জানাগেছে, চলতি বছরের ১৩ই জুলাই পর্যটন মন্ত্রণালয় বান্দরবান জেলার আকর্ষনীয় সাতটি পর্যটন স্পটকে সংরক্ষিত এলাকা হিসেবে ঘোষণা করেন। পর্যটন স্পটগুলো হচ্ছে- জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত পর্যটন স্পট মেঘলা, নীলাচল, প্রান্তিক লেক, শৈল প্রপাত,চিম্বুক পাহাড়, লামা উপজেলা প্রশাসন পরিচালিত মিরিঞ্জা পর্যটন স্পট এবং বৌদ্ধ ধর্মালম্বীদের তীর্থস্থান হিসেবে পরিচিত বৌদ্ধ ধাতু স্বর্ণ মন্দির জাদী।
পর্যটন মন্ত্রণালয়ের ঘোষণা মতে, স্থানগুলোর ২৭২ দশমিক ৪৬ একর এলাকা জুড়ে পর্যটন ও পরিবেশ বান্ধব কার্যক্রম ব্যতিত অন্য কোনো কাজ করা যাবে না। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সাতটি স্পটের জায়গা সংরক্ষণের সুবিধার্থে সীমানা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। জমির পরিমাণ হচ্ছে- মেঘলা পর্যটন কমপ্লেক্সের ৯০ একর, নীলাচল পর্যটন স্পটের ১০০ একর, প্রান্তিক লেক স্পটের ৩৮.৪৬ একর, লামার মিরিঞ্জা পর্যটন স্পটের ৩৩ একর এবং বৌদ্ধ ধাতু স্বর্ণ মন্দির ৫ একর।

বেসরকারী রিসোর্ট হলিডে ইন এর পরিচালক জাকির হোসেনসহ পর্যটন সংশ্লিষ্টরা জানান, বান্দরবানের পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে সরকারী ঘোষিত সিদ্ধান্ত খুবই কাজে আসবে। দ্রুত ঘোষণা বাস্তবায়নের মাধ্যমে পর্যটন স্পটগুলো অবৈধ দখল মুক্ত প্রয়োজন।
জানাগেছে, ঘোষিত সংরক্ষিণ এলাকাগুলোতে কোনো ধরনের ব্রিক ফিল্ড, দোকান-পাট, ঘরবাড়ি, অবৈধ বিলবোর্ড ইত্যাদি স্থাপনার বিষয়েও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। অথচ নিষেধাজ্ঞা জারির তিন মাস পরও অবৈ21ধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়নি। তবে অচিরেই চিহ্নিত স্থানগুলো থেকে অবৈধ স্থাপনাগুলো উচ্ছেদে জেলা প্রশাসন পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
22
এ বিষয়ে বান্দরবান জেলা প্রশাসনের নেজারত ডেপুটি কালেক্টর (এনডিসি) শামীম হোসেন জানান, সংরক্ষিত এলাকাগুলোর নির্ধারিত সীমার মধ্যে কোনো প্রকার অবৈধ স্থাপনা তৈরি করা যাবেনা। সাতটি পর্যটন স্পট থেকে সকল ধরণের অবৈধ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে। তবে ঘোষণা সম্পর্কে জেলাবাসী এখনো জানেন না। তাই জেলাব্যাপী ব্যানার, পোস্টার, ফেস্টুন ও বিলবোর্ডের মাধ্যমে সচেতনতামূলক প্রচারণা চালানোর পর অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান শুরু করবো।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

লামায় বাড়ছে করোনা সংক্রমণ, লকডাউন চলছে

বান্দরবানের লামা উপজেলায় প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে সারাদেশের মতো উপজেলাতেও পালিত …

Leave a Reply