নীড় পাতা » ফিচার » অন্য আলো » বদলে গেলো অন্তর্বর্তীকালীন পার্বত্য জেলা পরিষদের অবয়ব

বদলে গেলো অন্তর্বর্তীকালীন পার্বত্য জেলা পরিষদের অবয়ব

pairlament-picপার্বত্য জেলা পরিষদগুলোর জন্য ১ জন চেয়ারম্যানসহ ১৫ জন সদস্যের সমন্বয়ে অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদ গঠনের বিধান রেখে তিনটি পৃথক বিল সংশোধিত আকারে পাস করা হয়েছে।

বিলটি উত্থাপনের পর সরকারি দলের সুবিদ আলী ভূইয়া, জাতীয় পার্টির এম এ হান্নান, নুরুল ইসলাম মিলন, স্বতন্ত্র সদস্য হাজী মো. সেলিম ও রুস্তম আলী ফরাজী বিল তিনটির ওপর জনমত যাচাই, বাছাই কমিটিতে প্রেরণ ও সংশোধনী প্রস্তাব করেন। এর মধ্যে সুবিদ আলী ভূইয়ার সংশোধনী প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়। বাকি প্রস্তাবগুলো কণ্ঠভোটে নাকচ হয়ে যায়।

রোববার রাতে দশম জাতীয় সংসদের চতুর্থ অধিবেশনে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর উ শৈ সিং বিল তিনটি পাসের প্রস্তাব করেন বলে জানিয়েছে ।

পাস হওয়া ৩টি বিল হচ্ছে, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ (সংশোধন) বিল ২০১৪, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ (সংশোধন) বিল ২০১৪ ও খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ (সংশোধন) বিল ২০১৪।

রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ (সংশোধন) বিলে ১৫ সদস্যের পরিষদে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী থেকে চেয়ারম্যান ছাড়া বাকি ১৪ সদস্যের মধ্যে চাকমা চার জন প্রতিনিধি, মারমা দুই জন, খেয়াং ও লুসাই ও পাংখোয়া একজন করে, ত্রিপুরা একজন, তঞ্চঙ্গ্যাঁ একজন, রাঙালি তিন জন , বাঙালি নারী সদস্য একজন ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর একজন মনোনীত নারী সদস্য রাখার বিধান রাখা হয়েছে।

বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ (সংশোধন) বিলে ১৫ সদস্যের পরিষদে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী থেকে চেয়ারম্যান ছাড়া বাকি ১৪ সদস্যের মধ্যে, মারমা তিন জন, তঞ্চঙ্গ্যাঁ ও চাকমা একজন করে, ম্রো (মুরাং) একজন, ত্রিপুরা একজন, চাক, খিয়াং ও খুমী একজন, বম, লুসাই ও পাংখোয়া একজন করে ও তিনজন বাঙালি, বাঙালি নারী ১ জন এবং ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ১ জন নারী সদস্য রাখার বিধান করা হয়।

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ (সংশোধন) বিলে ১৫ সদস্যের পরিষদে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী থেকে চেয়ারম্যান ছাড়া বাকি ১৪ সদস্যের মধ্যে, চাকমা তিনজন, মারমা তিন জন, ত্রিপুরা তিন জন ও বাঙালী তিন জন, একজন বাঙালি নারী সদস্য এবং একজন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী মনোনীত মহিলা সদস্য রাখার বিধান করা হয়েছে।

কৃতজ্ঞতা : বাংলানিউজ

Micro Web Technology

আরো দেখুন

জুরাছড়িতে গুলিতে নিহত কার্বারির ময়নাতদন্ত সম্পন্ন

রাঙামাটির জুরাছড়ি উপজেলায় স্থানীয় এক কার্বারিকে (গ্রামপ্রধান) গুলি করে হত্যা করেছে অজ্ঞাত বন্দুকধারী সন্ত্রাসীরা। রোববার …

Leave a Reply