নীড় পাতা » ফিচার » অরণ্যসুন্দরী » ফের চাঙ্গা হচ্ছে রাঙামাটির পর্যটন

ফের চাঙ্গা হচ্ছে রাঙামাটির পর্যটন

parzatan-picপর্বতকণ্যা রাঙামাটির পাহাড়, ঝর্না ও হ্রদের স্বচ্ছ জলরাশি দেখার জন্য আসতে শুরু করেছে পর্যটক। দীর্ঘদিন অবরোধ-হরতালসহ দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি অস্থিতিশীল থাকায় রাঙামাটিতে পর্যটক আসা কমে গিয়েছিলো। ভরা মৌসুমেও পর্যটকশূন্য ছিলো জেলার পর্যটনস্পটগুলো। দেশের রাজনৈতিক অবস্থা স্থিতিশীল হওয়ায় দীর্ঘদিন পর রাঙামাটি পর্যটন কমপ্লেক্স আবারো পর্যটকের পদভারে মুখর হয়ে উঠেছে। শুক্র ও শনিবার ছুটির দিনে দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে রাঙামাটির দর্শনীয় জায়গা দেখার জন্য পর্যটকে ভরপুর হয়ে উঠেছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে আসা রিপন জানান, প্রতি শীতের মৌসুমে আমরা বন্ধুরা মিলে দেশের বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রে ঘুরতে যায়। এবছর রাঙামাটি আসার পরিকল্পনা থাকলেও হরতাল-অবরোধের কারণে বের হতে পারেনি। এখন পরিবেশ কিছুটা শান্ত হওয়ায় বন্ধুরা সকলেই মিলে রাঙামাটি ঘুরতে আসলাম।

হোটেল হিল পার্কের ব্যবস্থাপক স্বপন শীল জানান, হরতাল-অবরোধে আমরা এতোদিন বসেছিলাম। এখন রাজনৈতিক পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হওয়ায় পর্যটক আসা শুরু হয়েছে।

টেক্সটাইলের বিক্রয়কর্মী তানিয়া চাকমা জানান, গত দুই মাস আমরা বসে থাকলেও গত কিছু দিন ধরে রাঙামাটিতে পর্যটক আসা শুরু হয়েছে। এখন সারাবছরে যে বিশাল লোকসান হয়ে তা কাটিয়ে উঠার চেষ্টা করছি আমরা।

পর্যটক ঘাটের ভারপ্রাপ্ত ইজারাদার মোঃ রমজান আলী জানান, গত দুইমাস পর্যটন ঘাটে আমাদের প্রায় ৮৫ টি বোট প্রায় অচল বসেছিলো। কোনো ভাড়া ছিলো না। এখন পর্যটক আসতে শুরু করায় বোট ভাড়া হচ্ছে। এখন প্রতিদিন ৩০-৩৫টি বোট ভাড়া হয় বলে জানান তিনি। এটি ধীরে ধীরে আরো বাড়বে বলে আশাবাদের কথা জানান তিনি।

রাঙামাটির পর্যটন কমপ্লেক্সের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপক ইউসুফ পাটোয়ারী জানান, আমার মনে হয়েছে এতোদিন আমরা জোর করে পর্যটকদের বাসায় বন্দী করে রেখেছিলাম। গত দুই মাস আমরা বসে থাকলেও এখন রাজনৈতিক পরিস্থিতি কিছুটা উন্নত হওয়ায় পর্যটক আসতে শুরু হয়েছে। এখন প্রতিদিন পর্যটন কমপ্লেক্সে প্রায় ৭-৮ হাজার লোকের সমাগম হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

মৌলিক সুবিধাবঞ্চিত রামগড়ের গারোরা

পাহাড়ে গারোদের কষ্টের জীবন। খাগড়াছড়ির রামগড়ে দীর্ঘ বছর ধরে বসবাস করলেও নেই তাদের মৌলিক কোন …

Leave a Reply