নীড় পাতা » খেলার মাঠ » ফেভারিট কাপ্তাইকে ৩-০গোলে হারিয়ে ফাইনালে রাঙামাটি সদর

ফেভারিট কাপ্তাইকে ৩-০গোলে হারিয়ে ফাইনালে রাঙামাটি সদর

p-1যে জমজমাট ফুটবলের প্রত্যাশা নিয়ে হরতালের বিকেলে মাঠে হাজির হয়েছিলো রাঙামাটি শহর এবং কাপ্তাই থেকে নানা দুর্ভোগ পেরিয়ে আসা কয়েক হাজার দর্শক,তাদের ফুটবল তৃঞ্চা মেটেনি। অনেকটা একতরফা খেলায় ফেভারিট কাপ্তাই উপজেলাকে ৩-০ গোলে পরাজিত করে ফাইনালের টিকেট পেয়েছে রাঙামাটি সদর উপজেলা।

হাইভোল্টেজ এ ম্যাচকে ঘিরে দর্শকদের মাঝে ছিল বাড়তি উত্তেজনা। ছিল দুই  দলেই ছিল জেলার তারকা খেলোয়াড়ে ঠাসা। আর তাইতো হরতালের মাঝেও দুর-দুরান্ত হতে ফুটবলপ্রেমিরা দুপুর গড়াতেই হাজির হয়েছিল মাঠে। প্রখর রোদের মাঝেও তাদের চেহারায় ছিল না এতটুকু মলিনতাও। দীর্ঘ পথ পায়ে হেঁেট মাঠে হাজির হতে পারাটাই যেনো ছিলো  তাদের বাড়তি আনন্দ। খেলা শুরুর আগেই মাঠের দক্ষিন গ্যালারী দর্শকে পরিপূর্ণ হয়ে উঠে।
খেলা শুরুর পর উভয় দলই আক্রমন পাল্টা আক্রমন চালাতে থাকে। খেলার প্রথমার্ধের ৩৯মিনিটে রাঙামাটি সদর উপজেলা দলের ১০নং জার্সি পরিহিত খেলোয়াড় রনবীর কর্নার থেকে গোল করে হতবাক করে দেয় দর্শকদের। দৃষ্টিনন্দন এ গোলে আনন্দে ফেটে পড়ে দর্শকরা। এরপর গোল পরিশোধে মরিয়া হয়ে খেলে কাপ্তাই উপজেলা দল, যদিও খেলার দ্বিতীয়ার্ধের পুরো সময় জুড়ে ছিল রাঙামাটি সদর উপজেলা দলের খেলোয়াড়দের আধিপত্য। ১৮মিনিটে রাঙামাটি সদর উপজেলা দলের ১১নং জার্সি পরিহিত খেলোয়াড় মুন্না আসাম গোল করে দলকে ২-০গোলে এগিয়ে রাখে। মাঝ মাঠে বল পাশ করার সাথে সাথেই অর্থাৎ ১৯মিনিটে রনবীর আবারো গোল করে দলকে ৩-০গোলে এগিয়ে নেয়। এরপর আরো কয়েকটি সুযোগ পায় তারা। কিন্তু ভাগ্য দেবী বোধয় অনুকুলে ছিল না। তা না হলে এত চমৎকার শট জালে না জড়ানোর কারন নেই। এছাড়াও খেলার শেষ দিকে তিনটি সুযোগ পাই কাপ্তাই উপজেলা দল। কিন্তু তাতেও বিধি বাম। একটি শট রাঙামাটি সদর উপজেলা দলের বাপ্পি ত্রিপুরার গায়ে লেগে চলে যায় মাঠের বাইরে। আর দুইটি বল জালে জড়াতে পারেনি। তবে খেলার দ্বিতীয়ার্ধে কাপ্তাই উপজেলা দলের খেলোয়াড়দের অনেকটা নিম্প্রানই দেখা গেছে। নির্ধারিত সময়ে আর কোনো দল গোল করতে না পারায় কাপ্তাই উপজেলা দলকে ৩-০গোলে হারিয়ে রাঙামাটি সদর উপজেলা দল প্রথম টিকেট পায় ফাইনালের।
খেলা পরিচালনা করেন চট্টগ্রাম থেকে আনা রেফারি  মোঃ ফরহাদ। সেমিফাইনালের দুটি খেলা এবং ফাইনাল খেলা পরিচালনা করবে রাঙামাটির বাইরের রেফারিরা,এমন সিদ্ধান্ত আগেই নিয়েছিলো পরিচালনা কমিটি।
উত্তেজনাপূর্ণ এ ম্যাচ দেখতে মাঠে আসেন রাঙামাটি জেলা প্রশাসক মোঃ মোস্তফা কামাল, আঞ্চলিক পরিষদ সদস্য ঊষাতন তালুকদার, পৌর মেয়র সাইফুল ইসলাম চৌধুরী ভুট্টো, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুমানা শারমিন শম্পা, পাহাড়ে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় পতাকা উত্তোলনকারী মুক্তিযোদ্ধা লেঃ কর্ণেল (অবঃ) মনীষ দেওয়ান। এছাড়াও জেলা প্রশাসন ও ক্রীড়া সংস্থার উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মঙ্গলবার বিকেলে বিলাইছড়ি এবং কাউখালি উপজেলার মধ্যে অনুষ্ঠিত  দ্বিতীয় সেমিফাইনালে বিজয়ী দলের সাথে ফাইনালে মুখোমুখি হবে তারা।  p-0

Micro Web Technology

আরো দেখুন

খোকন-রঞ্জনের স্মৃতিতে রাত্রিকালিন ক্রিকেট টুর্নামেন্ট শহরে

রাঙামাটির একসময়কার সাড়াজাগানো ক্রিকেটার ও ক্রিকেট সংগঠক খোকন ও রঞ্জন স্মরণে তাদের হাতে গড়া ক্রিকেটারদের  …

২ comments

  1. সাবাস রাঙ্গামাটি সদর উপজেলা ফুটবল দল। Bravo ! Rangamati sadar football team.

  2. সাবাস রাঙ্গামাটি সদর উপজেলা ফুটবল দল। Bravo ! Rangamati sadar football team.

Leave a Reply

%d bloggers like this: