নীড় পাতা » ফিচার » পর্বতকন্যা » ফিরোজা বেগম চিনু এমপি’র বিশেষ সাক্ষাৎকার

ফিরোজা বেগম চিনু এমপি’র বিশেষ সাক্ষাৎকার

chinu-Apa-cover-pic

‘আমার স্বপ্ন পাহাড়ে দ্বন্ধ,সংঘাত,পারস্পরিক অবিশ্বাস,হানাহানি বন্ধ করা এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নে কাজ করা। কারণ, চুক্তি বাস্তবায়ন নিয়ে পাহাড়ী ও বাঙালীদের মধ্যে যে পারস্পরিক ভুল বোঝাবুঝি আছে, যে সন্দেহ ও অবিশ্বাস আছে, চুক্তির পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন হলে তা কেটে যাবে বলেই আমার বিশ্বাস। আমি আশা করছি, পার্বত্য রাঙামাটি থেকে যেহেতু আরেকজন সংসদ সদস্য আছেন,তিনিও আমার সাথে একমত হবেন এবং আমরা একসাথে মিলে কাজ করলে অনেক সমস্যার দ্রুত সমাধান হবে।’

পার্বত্য চট্টগ্রাম ভিত্তিক অনলাইন নিউজ পোর্টাল

পাহাড় টোয়েন্টিফোর ডটকম

এর সাথে এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেছেন,রাঙামাটি থেকে সংরক্ষিত মহিলা আসনে নির্বাচিত নারী সংসদ সদস্য ফিরোজা বেগম চিনু। খোলামেলা আলোচনায় পার্বত্য চট্টগ্রামের সাম্প্রতিক রাজনীতি,ঘটনাপ্রবাহ,নানান মেরুকরণ সম্পর্কে নিজের ও দলের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছেন এবং নিজের স্বপ্নের কথা বলেছেন রাঙামাটি জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এই নেত্রী,যিনি গত ৩৫ বছর ধরেই রাঙামাটিতে ঐতিহ্যবাহি রাজনৈতিক দল আওয়ামীলীগের রাজনীতির সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর এটাই কোন গনমাধ্যমে দেয়া তার প্রধম সাক্ষাৎকার।

স্বাধীনতার ৪২ বছর পর পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে প্রথম বাঙালী নারী সংসদ সদস্য হলেন আপনি,কেমন লাগছে ?

CHinu-apa-interview-cover
স্বাভাবিকভাবেই আমি ভীষণ খুশি। দীর্ঘ ৩৫ বছর আওয়ামীলীগের রাজনীতি করার পর সংরক্ষিত কোটায় আমি সংসদ সদস্য হয়েছি। এটা আমার রাজনৈতিক ‘রিওয়ার্ড’ লাভ। এর পুরো কৃতিত্ব জননেত্রী শেখ হাসিনার। তিনিই আমাকে মনোনয়ন দিয়েছেন। পাশাপাশি আমার নেতা দীপংকর তালুকদারকেও ধন্যবাদ জানাই। তিনি অনুধাবন করেছেন,পার্বত্য এলাকায় পাহাড়ীদের পাশাপাশি বসবাসকারি বাঙালিদেরও মূল্যায়ন করা উচিত,সেই জন্য তিনি উদ্যোগ নিয়ে এমপি হতে আমাকে সহযোগিতা করেছেন,এই জন্য তার প্রতি আমি বিশেষভাবে কৃতজ্ঞ।

পার্বত্য এলাকায় পাহাড়ী বাঙালীর সম্পর্ক উন্নয়নে কি পদক্ষেপ নিবেন আপনি ?

আমি চেষ্টা করবো মটিভেশনের মাধ্যমে দুই পক্ষের মধ্যকার বিবাদমান অবিশ্বাস,সন্দেহ,হানাহানি দূর করতে। দূরত্ব যা আছে,তা মোটিভেশনের মাধ্যমে কমিয়ে আনার চেষ্টা করবো। চেষ্টা করবো,যদি পারিতো ভালো,আর যদি না পারি নিজের ব্যর্থতা স্বীকার করে নিবো। সব পক্ষের সহযোগিতা পেলে এটা অসম্ভব কিছু নয়।
মনে রাখতে হবে,এই পার্বত্য চট্টগ্রাম বাংলাদেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এখানে একজন পাহাড়ী যেমন নিরাপদে বসবাস করবে,তেমনি একজন বাঙালীও করবে। আমি যদি একই নদীতে গোছল করতে পারি,একই পাইপের পানি খেতে পারি,একই বাজারে কেনাকাটা করতে পারি,একই স্কুলে লেখাপড়া করতে পারি,একই মাটিতে হেসে খেলে বড় হচ্ছি,সেখানে কেনো এতো বৈরিতা থাকবে ? এটা কি বাংলাদেশের বাইরের কোন অংশ ? আমরা চাই এখানে সকল সম্প্রদায় তার নায্য অধিকার নিয়ে সুন্দরভাবে বসবাস করবে। পাহাড়ের শান্তিকামি মানুষ তাই’ই চায় এবং তারা সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে সম্প্রীতির জনপদ প্রতিষ্ঠায় কাজ করবে বলেই আমার বিশ্বাস।Photo0161

সম্প্রতি শেষ হওয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে পাহাড়ে আওয়ামীলীগের ভরাডুবি হয়েছে,বলা হচ্ছে,চুক্তি বাস্তবায়ন না হওয়ার কারণেই দলটির এই পরাজয়,আপনার বক্তব্য কি ?

সত্যিকার অর্থে যদি বলি, চুক্তি সম্পাদনকারি ও বাস্তবায়নকারি দল হলো বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ। চুক্তির পর আরো অন্য দলের সরকার ক্ষমতায় থাকলেও তারা চুক্তি বাস্তবায়নে কোন পদক্ষেপ নেয়নি। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ যখনই ক্ষমতায় থাকে,তখনই চুক্তির কিছু না কিছু বাস্তবায়ন হয় এবং হয়েছেও। পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নও আওয়ামীলীগের আমলে হবে,এটা আমার বিশ্বাস। যারা এটা বলছে,তারা ঠিক বলছেনা। কারণ একটি আঞ্চলিক দল অস্ত্রবাজির মাধ্যমে,চাঁদাবাজির মাধ্যমে,অপহরণ ও গুমের মাধ্যমে সাধারন মানুষের মধ্যে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে পার্বত্য এলাকায় নিজেদের আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করতে চায়,অথচ আমরা সেই আঞ্চলিক দলের সাথেই চুক্তি করেছিলাম,আমরা আশা করেছিলাম তারা আমাদের সাথে একসাথে কাজ করবে। কিন্তু এখন দেখতে পাচ্ছি, যারা এই চুক্তি কখনই চায় নাই,এই চুক্তিকে কালো চুক্তি বলেছে,এই চুক্তি ক্ষমতায় গেলে বাতিল করবে বলেছে,তাদের সাথেই সে আঞ্চলিক দলটি আঁতাত করে নানান অপকর্ম করছে। আমরা আশা করি এবং বিশ্বাস করি, তারা এইসব বিভ্রান্তি থেকে বের হয়ে,চুক্তি বাস্তবায়নে আমাদের সাথে একসাথে কাজ করবে।
যারা এটা বলছে,তারা ঠিক বলছেনা। কারণ একটি আঞ্চলিক দল অস্ত্রবাজির মাধ্যমে,চাঁদাবাজির মাধ্যমে,অপহরণ ও গুমের মাধ্যমে সাধারন মানুষের মধ্যে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে পার্বত্য এলাকায় নিজেদের আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করতে চায়,অথচ আমরা সেই আঞ্চলিক দলের সাথেই চুক্তি করেছিলাম,আমরা আশা করেছিলাম তারা আমাদের সাথে একসাথে কাজ করবে। কিন্তু এখন দেখতে পাচ্ছি, যারা এই চুক্তি কখনই চায় নাই,এই চুক্তিকে কালো চুক্তি বলেছে,এই চুক্তি ক্ষমতায় গেলে বাতিল করবে বলেছে,তাদের সাথেই সে আঞ্চলিক দলটি আঁতাত করে নানান অপকর্ম করছে। আমরা আশা করি এবং বিশ্বাস করি, তারা এইসব বিভ্রান্তি থেকে বের হয়ে,চুক্তি বাস্তবায়নে আমাদের সাথে একসাথে কাজ করবে।Photo0169

আপনি পাহাড়ে সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি বন্ধে সংসদে বক্তব্য রেখেছেন,কেউ কেউ বলছেন,আপনার পরিণতিও দীপংকরের মতো হবে…

দেখেন,আমি সরাসরি নির্বাচন করে এমপি হই নাই। আমাকে জননেত্রী শেখ হাসিনা যাচাই বাছাই করে মনোনয়ন দিয়েছেন। আমি আমার কথা,পাহাড়ের সাধারন মানুষের কথা বলেই যাবো। এতে হয়তো দীপংকর তালুকদারের মতো আমার বিরুদ্ধেও অপপ্রচার হবে,হুমকি আসবে। কিন্তু এটা আমার মাতৃভূমি,আমি এই মাটির সন্তান,আমি এসব কথা বলেই যাবো। এই কারণে যদি আমার জীবন বিপন্ন হয়, তবুও আমি বলেই যাবো। মৃত্যুকে বা কোন হুমকিকে ভয় করে আমি পিছপা হবোনা।

রাঙামাটিতে প্রস্তাবিত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং মেডিকেল কলেজ স্থাপনে আপনার ভূমিকা কি হবে ?

রাঙামাটির প্রস্তাবিত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং রাঙামাটি মেডিকেল কলেজ দ্রুত কাজ শুরু হওয়ার জন্য আমার শতভাগ ভূমিকা থাকবে। আমি মনে করি,এর মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামের অবহেলিত মানুষের সন্তানেরা আলোর মুখ দেখবে। কারোই উচিত নয় এর বিরোধীতা করা,কোন বিবেকবান মানুষ এর বিরোধীতা করতে পারেনা। এখানকার মানুষের সন্তানদের লেখাপড়ায় নতুন দিগন্ত উম্মোচিত হবে এই দুটি উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে। আমি ব্যক্তিগতভাবে শিক্ষামন্ত্রীর সাথে ইতোমধ্যেই এই বিষয়ে কথা বলেছি। জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ইচ্ছেপূরণ এবং পাহাড়ী মানুষের স্বার্থে এই বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজ স্থাপনে যা যা করার আমি সবই করবো। chinu-apa-012

সম্প্রতি আপনারা পার্বত্য জেলা পরিষদ পুর্নগঠন নিয়ে কাজ করছেন,কিন্তু জেএসএস এর বিরোধীতা করছে,পুনর্গঠন কি আদৌ হতে পারবে ?

পার্বত্য শান্তিচুক্তির পর এ পর্যন্ত আমরা যতগুলো পদক্ষেপ নিয়েছি,প্রতিটি পদক্ষেপেরই বিরোধীতা করেছে জেএসএস। কখনোই তারা আমাদের আন্তরিকভাবে গ্রহণ করেনি,করেওনা। ভূমি কমিশন গঠনের কাজেও ওনারা বাধা সৃষ্টি করেছেন। সুতরাং এখন জেলা পরিষদ পুনর্গঠনে ওনারা বাধা দিবেন,কিন্তু সে বাধা কতটা কার্যকর ভূমিকা রাখবে,তা সময়ই বলে দেবে।

পার্বত্য এলাকায় আওয়ামীলীগের পাহাড়ী ভোট কমছে,কারণ কি ?

আমরা আগে মনে করতাম,দীপংকর তালুকদারের বিরুদ্ধেই জেএসএস এর অবস্থান। কিন্তু সাম্প্রতিক তাদের নানান কর্মকান্ডে প্রমাণিত হয়েছে,তাদের অবস্থান আসলে দীপংকরের বিরুদ্ধে নয়, আওয়ামীলীগের বিরুদ্ধেই। পাহাড়ীদের মধ্যে আওয়ামী লীগ বিরোধী অপপ্রচার তারা সফলভাবে করতে পেরেছে,তাই হয়তো পাহাড়ী ভোট আপাতত: কমেছে। কিন্তু এই অবস্থা বেশিদিন চলবেনা। সচেতন পাহাড়ীরা ঠিকই একদিন বাস্তবতা বুঝবে,পার্বত্য এলাকায় আওয়ামীলীগের কি ভূমিকা ছিলো এবং একমাত্র বাংলাদেশ আওয়ামীলীগই তাদের পাশে অবস্থান নিতে পারে। তারা বুঝবেন,তাদেরকে ভুল বুঝিয়ে,ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে আওয়ামীলীগ থেকে দুরে সরানো হলেও তারা সত্যিকার অর্থে আওয়ামীলীগকেই ভালোবাসবেন একদিন।
মনে রাখতে হবে,পাহাড়ে একটি বিশেষ আঞ্চলিক দল এবং একটি বিশেষ নৃগোষ্ঠী শুধু নিজেদের স্বার্থটাই দেখে। তারা শুধু নিজেদের স্বার্থ দেখে ঠিক কিন্তু অন্য পিছিয়ে পড়া ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীগুলোর উন্নয়নের কথা তারা ভাবেনা। ফলে বঞ্চিত নৃগোষ্ঠীগুলো ঠিকই আওয়ামীলীগের পাশে আছে,পাহাড়ের নির্বাচিত ৪ মারমা চেয়ারম্যানই তার প্রমাণ।Photo0165

পার্বত্য এলাকার নারীদের জন্য আপনার পরিকল্পনা কি ?

পার্বত্য এলাকার নারীদের জন্য আমি বিশেষ কিছু করা চেষ্টা করব। পাহাড়ী নারীরা বাবার সম্পত্তির অংশ পায়না এবং তাদের বিয়ে রেজিস্ট্রি হয়না, আমি বিষয়টি সুরাহার চেষ্টা করবো। এবং পাহাড়ের নারীদের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বরাদ্দ দিয়ে ছোট ছোট শিল্প উদ্যোগকে সহযোগিতা করবো। নারীদের বিভিন্ন সমিতিকে পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো আমি।

আপনি তো চারজেলার এমপি,কিন্তু অন্যরা আপনার কাছ থেকে বঞ্চিত হবে কিনা ?

আমাদের এখনো সংসদীয় এলাকা ভাগ করে দেয়া হয়নি। আমার যে এলাকায় দায়িত্ব দেয়া হবে কোন এলাকার সাথেই আমি বৈষম্য করবো না। আমি চেষ্টা করবো,সব এলাকার মধ্যে সমন্বয় করার। এর আগে মহিলা এমপিরা কোনদিন আমাদের সাথে কোন সমন্বয়ও করে নাই,যোগাযোগও ছিলোনা। আমি তাদের মতো হবোনা।

পাহাড়ের পর্যটন সম্ভাবনা নিয়ে কোন পরিকল্পনা আছে কিনা আপনার ?

পার্বত্য এলাকার পর্যটন সম্ভাবনা বিষয়ে কাজ করার ইচ্ছে আছে। আমাদের সরকার গত ৫ বছর যেভাবে এই পার্বত্য এলাকার উন্নয়নে ও পর্যটন শিল্পের বিকাশে কাজ করেছে,আমিও সরকারকে সহযোগিতা করব এবং সবার সাথে আলোচনা করে নতুন নতুন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করবো। পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং পুরনো স্পটগুলোকে আকর্ষনীয় করে তোলার পাশাপাশি নতুন নতুন পর্যটন স্থাপনা নির্মাণ ও পাহাড়ের প্রকৃত সৌন্দর্য্যকে সারাবিশ্বের মানুষের কাছে তুলে ধরার জন্য কাজ করবো আমি।

সংসদে দেয়া আপনার প্রথম বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া কি ?

আমার বক্তব্যের পর অনেক সংসদ সদস্য বিষয়গুলো সম্পর্কে ব্যক্তিগতভাবে আমার কাছে জানতে চেয়েছেন,তারা জানতেন না যে পাহাড়ে এতো চাঁদাবাজি হয়,অস্ত্রবাজি হয়। আমি বিষয়টি তাদের ব্যাখ্যা করেছি, তারা স্পষ্ট কিছু ধারণা পেয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রাম সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটিতে আমাকে সদস্য করা হয়েছে। আমি সেখানেও বিষয়গুলো তুলে ধরবো। পাহাড়ের অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও চাঁদাবাজি বন্ধে আমি নিয়মিতভাবে শক্তিশালী ভূমিকা রেখে যাবো।

আমরা দেখি,ক্ষমতায় গেলে সবাই বদলে যায়,আপনিও কি তাদের মতোই হবেন ?

Photo0157
আমার ভীষন ইচ্ছে আছে,না বদলানোর। আমি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ, আমি যেনো একবিন্দুও না বদলাই। এরপরও যদি বদলে যাই কিংবা বদলাতে চেষ্টা করি,আমরা বিশ্বাস, তোমরা সবাই মিলে সঠিক সমালোচনা করে, পাশে থেকে,পরামর্শ দিয়ে আমাকে বদলাতে দেবেনা।

পাহাড়টোয়েন্টিফোর ডট কম সম্পর্কে কিছু বলুন-

পাহাড় টোয়েন্টিফোর এর নিয়মিত পাঠক আমি। আমি ঢাকায় বসেই রাঙামাটির সব খবর এই অনলাইনটি পড়েই জেনে যাই। চমৎকার এই উদ্যোগটির জন্য তোমাদের ধন্যবাদ জানাই। তোমাদের অফিসও আমার খুউব পছন্দ হয়েছে। রাঙামাটি এলেই আমি অন্তত: একবার চা খেতে চলে আসবো তোমাদের এখানে। তোমাদের টীমের সবাইকে আমার ব্যক্তিগত শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।

সাক্ষাৎকারের শেষ পর্যায়ে এসে এই নারী নেত্রী বলেন, ‘আমার প্রাণের বিনিময়েও যদি পাহাড়ে শান্তি ফিরে আসে,আমাদের সন্তানেরা যদি নিরাপদে বসবাস করতে পারে,এটা হবে আমার জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন। ’
Micro Web Technology

আরো দেখুন

রাঙামাটিতে করোনায় আরও এক নারীর মৃত্যু

রাঙামাটি শহরে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার ভোররাতে শহরের চম্পকনগর আইসোলেশন …

Leave a Reply