নীড় পাতা » বিশেষ আয়োজন » প্রিয়বরেষু প্রভাংশু ত্রিপুরা

প্রিয়বরেষু প্রভাংশু ত্রিপুরা

Prabhangshu-tripuraতুমি অবয়বে আটপৌরে সাধারণ একজন মানুষ। সাধারণ খোলসের ভেতরে কি অসাধারণ শক্তি লুকিয়ে ছিল, তা কি কেউ জান্ত? না। তুমি প্রমাণ করেছো সাধনা ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে পৃথিবী জয় করা সম্ভব। গবেষণায় সামগ্রিক অবদানের জন্য জাতীয় প্রতিষ্ঠান বাংলা একাডেমী তোমায় স্বীকৃতি দিল, পুরস্কৃত করলো। কে বলেছে আমাদের দেশে গুনীর কদর হয়না? তুমি গুণী। তুমি সারা জীবন যে শেকড়ের সন্ধান করেছো, তা স্বীকৃতি পেলো বৈকি। একটি জাতির গর্বিত ইতিহাস সন্ধান করে তা শেকড় থেকে শিখরে পৌঁছে দিয়েছো তুমি। তুমি অমিত সম্ভাবনার সূতিকাগার। তোমার অসাধারণ মেধা থেকে বেড়িয়ে এসেছে শেকড়ের ইতিহাস।
শিক্ষা-সংস্কৃতির সুকুমার বৃত্তিগুলো যখন “বাণিজ্য” নামক দানবের হাতে বন্দী, তখন তোমার হিরন্ময় আর্ভিভাব সোনালী দিনে ইঙ্গিত বহন করে। তুমি শিখিয়ে দিলে কিভাবে শেকড়ের সন্ধান করতে হয়। তুমি স্বপ্নের ফেরিওয়ালা, স্বপ্ন বিলাও অবিরাম। তুমি শুধু নির্দিষ্ট একটি জাতি-গোষ্ঠির নও। তুমি বাংলাদেশের সকল গণমানুষের চারণ কবি। আমরাতো সেই গৌরবাজ্জ্বল ইতিহাসের উত্তরাধিকারী। আমরা মাতৃভাষার জন্য বুকের তাঁজা রক্ত ঢেলে রাজপথে আলপনা এঁকেছি। শৃংখল মুক্তির জন্য স্বাধীনতার জন্য অকাতরে জীবন উৎসর্গ করেছি। আমরা তো রবীন্দ্রনাথ, নজরুল, জীবনানন্দ, তিতুমীর, সূর্যসেনের যোগ্য উত্তরসূরী, বঙ্গবন্ধু রক্তবীজের সন্তান। আমাদের ইতিহাস গৌরবের, সম্মানের।
আমরা গর্বিত, সম্মানিত। তোমার হিরন্ময় আলোয় আমরা আলোকিত। তুমি স্বপ্ন দেখিয়েছো। তোমার স্বপ্ন আমাদের স্বপ্নবান করেছে। তোমার আলোর মিছিলে আমরা আলোর অভিযাত্রী। তুমি পাঞ্জেরি হয়ে চিরকাল আমাদের পথ দেখাবে। তোমার জ্ঞানের আলোকবর্তিকা ছড়িয়ে পড়–ক প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে। আমরা আমাদের জীবনাচারে, প্রাত্যহিকতায় তোমার বটবৃক্ষের সুশীতল ছায়ায় অবগাহন করবো। তোমার হাত ধরে আমাদের আলোর অভিযাত্রা একদিন সুবর্ণপুরের “সূর্যোদয়ে” পৌছে যাবে। তোমার মণিষার দীপশিখায় দীপ্তিময় হোক বাংলাদেশ। তোমার জয়যাত্রায় আমাদের শুভ কামনা। তুমি দীর্ঘজীবি হও। জয়তু প্রভাংশু ত্রিপুরা।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

ভাষা শিক্ষায় আশার আলো

একটা সময় ছিলো যখন প্রাথমিক স্তরে মাতৃভাষা শিক্ষার ক্ষেত্রে সরকারকে অন্যতম প্রতিবন্ধকতা মনে করতেন অনেকেই। …

Leave a Reply