প্রশ্নপত্র ফাঁস, নাকি শুধুই গুজব ?

01রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বিতর্ক যেনো পিছু ছাড়ছেই না। লিখিত পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণার মাত্র ৮ ঘন্টার মধ্যেই ভাইভা গ্রহণ,ভূয়া ও প্রক্সি পরীক্ষার্থীদের ব্যাপক অংশগ্রহণ,খোদ শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তার অন্যের হয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ,বিপুল পরিমাণ টাকা পয়সা লেনদেনের অভিযোগ ও গুজবের মধ্যেই রবিবার সাংবাদিকদের হাতে আসে পরীক্ষার প্রশ্নপত্র,যা পরীক্ষার্থীরা উত্তরসহ পরীক্ষার হলেই জমা দিয়ে আসার কথা ! Untitled-2Untitled-3Untitled-4Untitled-5

সাংবাদিককের হাতে আসা একাধিক প্রশ্নপত্র বিষয়েবেশ কজন শিক্ষার্থীর সাথে কথা বলেও মিল খুুঁজে পাওয়া যায়,তবে কোন দায়িত্বশীল সূত্রই এই প্রশ্নপত্রের বিষয় নিশ্চিত কোন তথ্য জানাতে পারেনি । অথচ এই প্রশ্নতেই সঠিক উত্তরে টিকমার্ক দিয়ে পরীক্ষার হলেই জমা দিয়ে এসেছিলো পরীক্ষার্থীরা ! তাহলে এতো গোপনীয়তার পরেও এই প্রশ্ন কিভাবে বাইরে এলো ? এনিয়ে রবিবার সারাদিনই স্থানীয় সাংবাদিক আর পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ছিলো জোর আলোচনা ও সমালোচনা।

তবে জেলা পরিষদ সদস্যরা এবং নিয়োগ প্রক্রিয়ার সাথে সম্পৃক্তরা প্রকাশ্যে এই বিষয়ে কথা বলতে চাননি। তবে তারা প্রত্যেকেই অস্বীকার করেছেন বিষয়টি। তাদের দাবি, প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়ার প্রশ্নই আসেনা ! তাদের বক্তব্য,কেউ ভূয়া প্রশ্নপত্র তৈরি করে পরিষদের এবং নিয়োগ প্রক্রিয়াকে বিতর্কিত করার অপপ্রয়াস চালাচ্ছে। প্রশ্নপত্রটি আসল নাকি ভূঁয়া তা নিয়েও শহরজুড়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে। জেলা পরিষদ সদস্য  ও নিয়োগ কমিটির আহ্বায়ক মো: মুছা মাতব্বর, প্রশ্ন ফা঳স হওয়ার কোন সম্ভাবনাই  নেই বলে অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, কঠোর গোপনীয়তায় এবং সতর্কতার সাথেই প্রশ্ন প্রণয়ন ও তা কেন্দ্রে পৌঁছে দেয়া হয়েছে।

তবে তারা যাই বলুন না কেনো,গত শুক্রবার অনুষ্ঠিত আলোচিত ও বিশাল এই নিয়োগ পরীক্ষার ‘ফাঁস হওয়া’ এই প্রশ্নপত্রের যে কপিটি পাহাড়টোয়েন্টিফোর ডট কমের হাতে এসেছে তা আমাদের পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে দেয়া হলো। এখন একমাত্র পরীক্ষায় অংশ নেয়া শিক্ষার্থী আর প্রশ্ন প্রণয়ন ও সংরক্ষের সাথে জড়িতরাই জানতে পারবেন এটি আসল না নকল প্রশ্ন। যদি আসল প্রশ্ন হয়ে থাকে,তবে কিভাবে এটি বাইরে আসলো এবং এর সাথে কারা জড়িত তাদের খুঁজে বের করে শাস্তির আওতায় আনাটা ভীষণ জরুরী। আর যদি এটি সঠিক না হয়ে থাকে,সেই ক্ষেত্রে মিথ্যা জিনিস প্রচার করে জেলা পরিষদের ভাবমূর্তি নষ্টের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধেও যথাযথ পদক্ষেপ নেয়ার দাবি সকলের। এখন এটিকে ‘সত্য’ বা ‘মিথ্যা’ প্রমাণের দায়ও কিন্তু  জেলা পরিষদেরই।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

কারাতে ফেডারেশনের ব্ল্যাক বেল্ট প্রাপ্তদের সংবর্ধনা

বাংলাদেশ কারাতে ফেডারেশন হতে ২০২১ সালে ব্ল্যাক বেল্ট বিজয়ী রাঙামাটির কারাতে খেলোয়াড়দের সংবধর্না দিয়েছে রাঙামাটি …

৪ comments

  1. এখানে জেলা পরিষদ এখন জ্বালাপরিষদে রূপান্ত হয়েগেছে।এখানে বছরের পর বছর একের পর এক দুর্নীতি করে যাচ্ছে কিন্তু কোন শালার বেতা এই মাদার চোদদের কিছুই করতে পারছে না।দুর্নীতি দমন কমিশন কি মরে গেছে না বেচে আছে? নাকি তারাও ভাগ পায়? এর থেকে মুক্তি হবে কি কোন দিন? ি

Leave a Reply

%d bloggers like this: