নীড় পাতা » ব্রেকিং » ‘প্রবাস থেকে এলেই হোম ‘কোয়ারেন্টাইনে’ রাখা হবে’

নভেল করোনাভাইরাস প্রসঙ্গে সিভিল সার্জন

‘প্রবাস থেকে এলেই হোম ‘কোয়ারেন্টাইনে’ রাখা হবে’

রাঙামাটির সিভিল সার্জন ডা. বিপাশ খীসা বলেছেন, রাঙামাটিতে এক স্পেন প্রবাসীকে হোম কোয়ান্টোইনে রাখা হয়েছে। তার সঙ্গে স্বাস্থ্য বিভাগের সার্বক্ষনিক যোগাযোগ রয়েছে। এছাড়া আর কোনো প্রবাসী রাঙামাটিতে ফেরত এলে আমাদের অবগত করবেন। সব প্রবাসীকে হোম রোয়ান্টোইনে থাকার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ করোনাভাইরাসের প্রস্তুতি হিসেবে জেলা শহরেই ১০০ শয্যা প্রস্তুত রেখেছে।

রোববার বিকালে জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জেলা সিভিল সার্জন ডা. বিপাশ খীসা এসব কথা বলেন। এসময় তিনি চীনের উহান শহর থেকে সৃষ্ট নভেল করোনাভাইরাসের বিস্তাররোধে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগকে বিদেশ ফেরতদের তথ্য দিয়ে সহায়তা করার আহ্বান জানান।

সংবাদ সম্মেলনে হাম-রুবেলা প্রসঙ্গে ডা. বিপাশ খীসা বলেন, পার্বত্য এলাকার মানুষ এখনো অন্যান্য এলাকার চেয়ে এতটা বেশি সচেতন নয়। তাই আমরা স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে বিভিন্নভাবে প্রচারণা চালাচ্ছি, যাতে করে কোনো শিশু যেন টিকাগ্রহণ থেকে বিরত না থাকে। সব ধরণের টিকাদানে বিরূপ প্রতিক্রিয়া ঘটে। টিকা দেওয়ার পর কিছু প্রাকৃতিক বিপত্তি লক্ষ্য করা যায়। অনেক শিশুকে টিকাদানের সময় শিশু অজ্ঞান হয়ে যায়, এতে করে অভিভাবকরা অনেকেই শিশুকে টিকা দিতে চান না। টিকা গ্রহণের পর কারো শিশু অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে।

সিভিল সার্জন বলেন, আমরা ১০ ধরণের টিকা প্রদান করে থাকি। এরমধ্যে হাম-রুবেলা টিকাও রয়েছে। হাম-রুবেলার কারণে গর্ভপাত ও জন্মনেওয়া সন্তান প্রতিবন্ধীও হতে পারে। টিকাদান করলেও এখনো শতভাগ শিশু টিকা পাচ্ছে না। এর পরিমাণ ১৫ শতাংশের কম না। পার্বত্য চট্টগ্রামে এসব টিকাদান কর্মসূচির বড় চ্যালেঞ্জ দুর্গমতা। দুর্গমতার কারণে আমাদের এখানে এমনও এলাকা আছে যেখানে পৌছাতে দুই-তিন সময় লাগে।

তিনি বলেন, এবার টিকাদান ক্যাম্পেইনে প্রতিটি গ্রুপে ৫ জন সদস্য নিয়োজিত থাকবেন। এরমধ্যে দুইজন টিকাদান কর্মী থাকবেন, তারা টিকা প্রদান করবেন। আর বাকী তিনজন স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে নিয়োজিত থাকবেন। এছাড়া প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদে তিনজন করে তদারককারী নিয়োজিত থাকবেন। সর্বোপরি আমরা চাইনা কোনো শিশু টিকাগ্রহণ থেকে বিরত থাকুন। এজন্য আমাদের সবাইকেই প্রচারণা চালাতে হবে। কারণ একজন শিশু যদি টিকা না পেয়ে হাম-রুবেলায় আক্রান্ত হয়, তবে তার থেকে টিকাগ্রহণ করা শিশুরাও আক্রান্ত হতে পারে। তাই নিজেদের সন্তানের পাশাপাশি আশপাশের শিশুরা টিকাগ্রহণ করেছে কি-না সে ব্যাপারে সকলকে নজরদারি রাখার আহ্বান জানান এই স্বাস্থ্য কর্মকতা।

সংবাদ সম্মেলনে হাম-রুবেলা প্রসঙ্গে পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপন করেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সার্ভিলেন্স এন্ড ইমোনাইজেশন অফিসার ডা. জয়ধন তঞ্চঙ্গ্যা। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা. মো. মোস্তফা কামাল প্রমুখ।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

রাঙামাটিতে এক দিনেই ১১ জনের করোনা শনাক্ত

শীতের আবহে হঠাৎ করেই পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙামাটি জেলায় করোনা সংক্রমণে উল্লম্ফন দেখা দিয়েছে। বিগত কয়েকদিনের …

Leave a Reply