নীড় পাতা » ব্রেকিং » পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে মূলধারায় আনতে কাজ করছে সরকার: বৃষ কেতু

পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে মূলধারায় আনতে কাজ করছে সরকার: বৃষ কেতু

রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বৃষ কেতু চাকমা বলেছেন, ‘বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পার্বত্যাঞ্চল থেকে দারিদ্রতা দূরীকরণে একটি বৃহৎ প্রকল্প গ্রহণ করতে যাচ্ছে। এরই প্রেক্ষিতে সমাজসেবা অধিদপ্তর হতে সমাজের পিছিয়ে পড়া, বেদে, অনগ্রসর জনগোষ্ঠীকে মূলধারায় নিয়ে যেতে নিরলসভাবে কাজ করছে। পিছিয়ে পড়া অনগ্রসর জনগোষ্ঠীকে মূল স্রোত ধারায় নিয়ে যাওয়ার জন্য বিভিন্ন প্রশিক্ষণ প্রদান করেছে। যাতে করে তারা স্বাবলম্বী হতে পারে।’

সমাজ সেবা অধিদপ্তরের আয়োজনে রাঙামাটিতে বেদে ও অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় সেলাই, বিউটিফিকেশন, মাশরুম ও কম্পিউটার ট্রেডে ৫০দিনব্যাপী দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী ও সনদপত্র বিতরনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে চেয়ারম্যান এসব কথা বলেন।

বৃহস্পতিবার সকালে রাঙামাটি শিশু একাডেমি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাঙামাটি সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ ওমর ফারুক। এ সময় বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা আশিকা মানবিক কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক বিল্পব চাকমা, উন্নয়ন সংস্থা প্রোগ্রেসিভ’র নির্বাহী পরিচালক সুচরিতা চাকমা ও জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের সহকারী উপ-পরিচালক রূপনা চাকমা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বলেন, ‘প্রশিক্ষন হতে অর্জিত জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে প্রশিক্ষণার্থীদের নিজেদের আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হবে। তবেই এ ধরনের প্রশিক্ষণের সফলতা আসবে। দেশের অন্যান্য জেলা সর্বক্ষেত্রে এগিয়ে গেলে আমরা পিছিয়ে থাকবো কেন।’

তিনি বলেন, প্রশিক্ষন নিয়ে ঘরে বসে না থেকে ধৈর্য্য নিয়ে কাজ করলে সফলতা অবশ্যই হবে। যারা যে ট্রেডে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন সে বিষয়ে কাজ শুরু করলে দক্ষ হয়ে অন্যদের শিক্ষা প্রদান করতে পারবে। সরকার আপনার ও আপনার পরিবারের বাড়তি আয়ের ক্ষেত্র হিসেবে এ সুযোগ প্রদান করছে। এ সুযোগগুলোকে যথাযথ কাজে লাগানোর পরামর্শ দেন তিনি। তিনি প্রশিক্ষণে সেলাই ট্রেডে অংশগ্রহণকারীদের প্রত্যেককে পরিষদ হতে সেলাই মেশিন প্রদানের প্রতিশ্রুতি ব্যাক্ত করেন।

পরে অতিথিরা প্রশিক্ষনার্থীদের মাঝে সনদ পত্র ও প্রতিজন প্রশিক্ষনার্থীকে ১০ হাজার করে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এ সেলাই, বিউটিফিকেশন, মাশরুম ও কম্পিউটার এই ৪টি ট্রেডে প্রশিক্ষণ প্রদান করেন স্থানীয় বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা আশিকা ও প্রোগ্রেসিভ। প্রশিক্ষণে জেলার মোট ৫০জন নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করে।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

জনপ্রিয় হচ্ছে ‘তৈলাফাং’ ঝর্ণা

করোনার প্রভাবে দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল খাগড়াছড়ির পর্যটন ও বিনোদনকেন্দ্র। তবে টানা বন্ধের পর এখন খুলেছে …

Leave a Reply