নীড় পাতা » পার্বত্য উন্নয়ন » পাহাড় থেকে ইইউ’র সাহায্য প্রত্যাহারে উদ্বেগ

পাহাড় থেকে ইইউ’র সাহায্য প্রত্যাহারে উদ্বেগ

zela-parishad-cover-picইউরোপীয় ইউনিয়ন ক্রমান্বয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে তাদের সাহায্য প্রত্যাহার করায় উদ্বেগ প্রকাশ করে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নিখিল কুমার চাকমা বলেছেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি পূর্ণ বাস্তবায়নের আগেই যদি ইউরোপীয় ইউনিয়ন পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে তাদের সাহায্য প্রত্যাহার করে নেয় তাহলে এর বিরূপ প্রভাব পার্বত্য চট্টগ্রামের সার্বিক উন্নয়নের উপর পড়বে।
জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান রবিবার ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও স্পেনের রাষ্ট্রদূতসহ একটি প্রতিনিধিদল তার সাথে সৌজন্য সাক্ষাত করতে এলে তিনি এসব কথা বলেন। বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত উইলিয়াম হান্না ও স্পেনের রাষ্ট্রদূত লুইস তেজেদার নেতৃত্বে একটি দল ৯-১১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রাঙামাটি এবং বান্দরবান জেলা সফরেনর অংশ হিসেবে রাঙামাটি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নিখিল কুমার চাকমার সাথে সাক্ষাতকালে এই প্রত্যাশার কথা জানান। প্রতিনিধি দলঠি রাঙামাটি এবং বান্দরবান জেলায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন এর অর্থায়নে এবং ইউএনডিপি-সিএইচটিডিএফ এর মাধ্যমে বাস্তবায়িত বিভিন্ন প্রকল্প পরিদর্শনের পাশাপাশি স্থানীয় নেতৃবৃন্দের সাথে সাক্ষাৎ করবেন। প্রতিনিধি দলের অন্য দুই সদস্য হলেন ইউরোপিয় ইউনিয়নের উন্নয়ন প্রধান ফিলিপ জ্যাকুইস ও প্রতিনিধি ফেব্রেজিও সেনেসি।

জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বলেন, ইউএনডিপি-সিএইচটিডিএফ এবং রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কৃষি এবং পরিষদগুলির প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে যথেষ্ট অগ্রগতি সাধিত হয়েছে জানিয়ে চেয়ারম্যান রাষ্ট্রদূতদের কাছে যৌথ উন্নয়ন কার্যক্রম চালিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করেন।

পার্বত্য শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন সম্পর্কে সরকারি দল আওয়ামী লীগের এই নেতা আরো বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন একটি চলমান প্রক্রিয়া। ইতিমধ্যে চুক্তির একটি বৃহৎ অংশ বাস্তবায়িত হয়েছে এবং অন্যান্য ধারাগুলোও বাস্তবায়িত হচ্ছে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী পার্বত্য চুক্তি বাস্তবায়নে অত্যন্ত আন্তরিক। বর্তমান সরকার নির্বাচনী ইশ্তেহারেও পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়নে দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন বলেও প্রতিনিধি দলকে স্মরণ করিয়ে দেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান।

পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি বাস্তবায়ন, পার্বত্য জেলা পরিষদ আইন অনুযায়ী ভূমি, পুলিশ পরিষদে হস্তান্তর এবং পার্বত্য জেলা পরিষদসমূহের নির্বাচন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এ জেলার প্রকৃত উন্নয়ন নিশ্চিত করা সম্ভব বলেও মত প্রকাশ করেন চেয়ারম্যান।

বৈঠকে চেয়ারম্যানের সঙ্গে পরিষদের সদস্য অংসুই প্রু চৌধুরী, শামীম রশিদ, মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইরফান শরীফ এবং জনসংযোগ কর্মকর্তা অরুনেন্দু ত্রিপুরা উপস্থিত ছিলেন। ইউএনডিপি-সিএইচটিডিএফ এর পক্ষ থেকে ডেপুটি ডিরেক্টর প্রসেনজিৎ চাকমা, চীফ ইমপ্লিমেন্টাশন রব স্টোলম্যান এবং ডিস্ট্রিক্ট ম্যানেজার ঔশ্বর্য চাকমা উপস্থিত ছিলেন।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

ফুটবলের বিকাশে আসছে ডায়নামিক একাডেমি

পার্বত্য এলাকা রাঙামাটিতে ফুটবলকে আরও জনপ্রিয় করে তোলা, তৃনমূল পর্যায় থেকে ক্ষুদে ফুটবল খেলোয়াড় খুঁজে …

Leave a Reply