নীড় পাতা » ফিচার » খোলা জানালা » পাহাড়ে সেগুন বিপ্লব বনাম পানি, এবং ভবিষ্যৎ জনজীবন

পাহাড়ে সেগুন বিপ্লব বনাম পানি, এবং ভবিষ্যৎ জনজীবন

segun-pic-01মানুষ বাঁচার জন্য দরকার অর্থ উপার্জনের কোন উপায় বা কর্মপন্থা। ঠিক তেমনি পাহাড়বাসি বেঁচে থাকার তাগিদে যুগ যুগ ধরে প্রজন্ম হতে প্রজন্মব্যাপী গতানুগতিক একই কর্মপন্থায় জীবিকা নির্বাহ করে আসলেও অর্থনৈতিক বিপ্লবে আমূল কোন পরিবর্তন আসেনি। দীর্ঘ জীবন চলছে দীন-দরিদ্রাবস্থায়। সেখানে ছিলনা যোগাযোগ বা যাতায়াত ব্যবস্থা। ফলে ছিল না বিদ্যুৎ এমনকি কোন ব্যবসা বাণিজ্যও। ঠিক সে মুহুর্তে বাংলাদেশ বন বিভাগের দক্ষিণ বনাঞ্চলের জুরাছড়ি ও বিলাইছড়ি উপজেলায় হাজার হাজার একর জুরে সৃজিত বনাঞ্চলের গাছ ১৯৯৪ কি ৯৫ সাল হতে বিভিন্ন উপায়ে জমজমাট অবৈধভাবে পাচার চলছিল। কিন্তু অবৈধ হলেও এটিই ছিল তখনকার সময়ের একমাত্র ব্যবসা বা বাণিজ্য। সে সময় জনগণ দেখেছে সেগুনের উষ্ণ বাজার দর ও অতৃপ্ত চাহিদা। তখন থেকে পাহাড়ি জনগণ ভবিষ্যতের উপায় হিসেবে একমাত্র সেগুন গাছের বাগান বা বনায়ন করা ছাড়া কোন বিকল্প উপায় দেখতে পায়নি। বেছে নিয়েছে সময়ের উপযুক্ত সম্পদ হিসেবে সেগুনকে। এ থেকে সেগুন বিপ্লব পাহাড়ি মানুষের জীবনযুদ্ধের সাথে একাকার হয়ে মিশে রয়েছে অদ্যাবধি পর্যন্ত। সম্প্রতি পাহাড় অতি উষ্ণতায় পরিণত হয়েছে। নিচে নেমে যাচ্ছে পানির স্তর। মাটির উর্বরতা, আর্দ্রতা কমে গিয়ে এখন অনেকগুণে উৎপাদন কমে গেছে খাদ্যশস্য তথা কৃষি ফসলের। এক সময় তিল, তুলা, মরিচ পাশাপাশি কলা ইত্যাদি ছিল পাহাড়ি জুমচাষীদের প্রধান অর্থকরী ফসল। বর্তমানে মরিচে কিছু ফলন দিলেও তুলা আর তিল একেবারেই বিরল হয়ে পড়েছে। তিল, তুলার উৎপাদন না থাকায় বর্তমানে এটি প্রায়ই চাষ করেন না কেউ। অন্যদিকে কলা বর্তমান প্রধান অর্থকরী ফসল হলেও এখন আর ভাল হচ্ছে না কলা চাষ। তাই কলাচষও এখন বহুগণে সীমিত হয়ে এসেছে। আগামী বিশ বছরে হয়তো কলা উৎপাদন পাহাড়ে নাও হতে পারে এ হুমকি বর্তমান অবস্থাই প্রমাণ করে। এখন মাটির সেই পানি, আর্দ্রতা এবং উর্বরতা মোটেই নেই পাহাড়ের মাটিতে। শুকিয়ে যাচ্ছে পানির উৎস বা ছড়াগুলো। ঠিক এহেন চরম মুহুর্তে আবার সেই মাটি ক্ষয় ও পানি শোষণকারী সেগুনের বিস্তার ও সম্প্রসারণ যেন বর্তমান অপ্রতিরোধ্য। অপরদিকে জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে আনুপাতিক হারে কমে যাচ্ছে জায়গা-জমির পরিমাণ। এ সীমিত জায়গাগুলোতেও সেগুন বাগান সৃজনের ফলে অনেকের খাদ্যশস্য উৎপাদনের মত জায়গা-জমি পর্যন্ত অবশিষ্ট থাকছে না এখন । সেগুন বনায়নের বড় হুমকি হচ্ছে মাটি ক্ষয় আর পানি। পাহাড়ে গত বিশ বছরের পানির অবস্থা তুলনা করলে এক ভয়ানক চিত্র দেখা যায়। গত বিশ বছর সময়ের ব্যবধানে আজকে পানির এ করুন অবস্থার কথা কেউ ভাবতে পারে নি বলে অনেকের মতামত পাওয়া যায়। সেগুনের পানি বিরোধী ক্ষতিকারক বিষয়কে জনগণ পুরোটাই জানে এবং শুনে আসছেন। কিন্তু এ তথ্যগুলো মাথায় ধারণ না করার ফলে সচেতন না থাকতে পারায় আপন মনে তারা নিজেকে চরম ক্ষতি করতে চলেছেন এ বিষয়টি অনেকের অজানা রয়েছে আজও। যেটি তারা ভাবতে পারছেন না এক বিন্দুমাত্র। যেমনি করে বিশ বছর আগে মাটির জীবন তথা আর্দ্রতা, উর্বরতা ও ছড়াগুলোর পানি শুকিয়ে যাওয়ার কথা তারা ভাবতে পারেন নি। ঠিক তেমনি সেগুনের ক্ষেত্রেও বর্তমান তাই ঘটে চলছে। শুধু পানি কেন, বর্তমান পাহাড়ে বহু প্রজাতির গাছ গাছালি পর্যন্ত বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। আর পশু-পাখি বিলুপ্তির কথা তো বলাই বাহুল্য। তাই প্রাকৃতিক পরিবেশ ও জীব বৈচিত্র্য তথা ভবিষ্যৎ জন-জীবন বাঁচাতে এখনই দরকার তামাকের মত সেগুনের বিরুদ্ধেও সরকার তথা প্রশাসনিক নিষেধাজ্ঞা। দরকার সচেতনমূলক কার্যক্রম হাতে নেয়া এবং পরিবেশ উপযোগী দরিদ্র জনসাধারণের জন্য স্বল্প বয়সে পরিপক্ষ ও লাভজনক দেশী-বিদেশী উন্নত বৃক্ষের সরবরাহ করা। কেন না পাহাড়বাসী সকল এদেশের নাগরিক এবং পাহাড়ও এদেশের ভূ-খন্ডের একটি অংশ। পাহাড়ে ক্ষতি মানেই দেশের চরম ক্ষতি। দেশের নাগরিক এবং ভূ-প্রকৃতিকে বাঁচানো সরকারের একান্ত নৈতিক দায়িত্ব রয়েছে। বাংলাদেশ নদী মাতৃক দেশ হিসেবে কর্ণফুলী বাংলাদেশের নদীগুলোর মধ্যে একটি অন্যতম ঐতিহ্যবাহী নদী। এ নদীকে বাঁচাতে হলে আগে দরকার পাহাড়ের জীব বৈচিত্র্য ও ভূ-প্রকৃতিকে বাঁচানো। কর্ণফুলী নদীর অবনতি ও বিপর্যয়ের কারণে আমাদের দেশের প্রধান বৈদ্যুতিক কেন্দ্র কাপ্তাই জল বিদ্যুৎ কেন্দ্র আজ অচলাবস্থা প্রায়। এ মহান বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের অবস্থা সম্প্রতি খুবই চরমে দাঁড়িয়েছে যা আমরা সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় দেখতে পায়। এ কারণে আজ এখানকার বৈদ্যুতিক চরম ঘাটতি দেখা দিয়েছে। কর্ণফুলীর জীবন হলো তার বুকের উপর প্রবাহিত ছোট বড় উপনদী বা ছড়াগুলো। এসব উপনদী সমূহকে বাঁচাতে দরকার পরিবেশ বান্ধব চাষাবাদ ও বনায়ন। আজকাল পাহাড়ে সেগুন বনায়নের পরিসংখ্যান শতকরা হার পেরিয়ে হাজারে পরিণত হয়েছে। ফলে এখন প্রতি হাজারে ৯শ নিরানব্বই জন সেগুন বনায়নের সাথে জড়িত। সুতরাং হাজার জনের মধ্যে একজনকে এর বিপক্ষে কথা বলাটাও এখন ভয়ানক অবস্থা হয়ে দাঁড়িয়েছে এখানে। এহেন বাস্তব অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে আশু দরকার প্রশাসনিক নিষেধাজ্ঞা বা প্রতিরোধমূলক উদ্যোগ। তবে শুধু ইহার নিষেধাজ্ঞা বা প্রতিরোধমূলক উদ্যোগ নিলে চলবে না। প্রতিরোধের আগে ব্যবস্থা নিতে হবে তাদের ভবিষ্যতে বাঁচার জন্য বিকল্প কোন ব্যবস্থা। কারণ জনগণের স্বপ্ন বা ভবিষ্যৎকে ধুলোই মিশে দেওয়ার ক্ষমতা বা অধিকার কারো নেই। তাই নিষেধাজ্ঞা জারির পাশাপাশি তাদের ব্যবস্থা করে দিতে হবে স্বল্প বয়সী পরিবেশ বান্ধব উন্নত জাতের দেশী অথবা বিদেশী গাছের চারা সরবরাহ। segun-pic-02 আমার মত হতদরিদ্র, যারা সেগুন বনায়ন করছেন এবং এছাড়া আর কিছুই ভবিষ্যতের উপায় খুঁজে পাচ্ছেন না তাদের উদ্দেশ্যে আমি কিছু বলতে চাই। আপনারা হয়তো বলবেন সমাজে, বা স্থানীয়ভাবে যারা প্রভাব শালী তারা একরকে একর জুড়ে সেগুন বনায়ন করেছেন তাদের তো কেউ বাধা দেননি। আমরা দরিদ্র এবং প্রভাবহীন বলে আমাদের জন্য এখন বাধা হয়ে দাড়াচ্ছে। হ্যাঁ কথাগুলো যুক্তি মনে হলেও বিষয়টি আসলে সেটি নয়। কারণ কোন দুর্যোগ অথবা বিপর্যয়ে সরাসরি আমাদের মত গরীবরাই ক্ষতিগ্রস্ত হয় বেশি। একজন প্রভাবশালী ব্যক্তির চাষবাদ করার প্রয়োজন পড়ে না। সেজন্য তাদের মাটি, পানি নিয়ে চিন্তার প্রয়োজন তারা মনে করে না। যেহেতু তাদের সবই আছে। পানির ক্ষেত্রে প্রয়োজনে তারা হাজার ফুট গভীর ডিপটিউবওয়েল স্থাপন করতে পারে। আর সেটা স্থাপন করতেও হয়ত তাদের এক পয়সা খরচ হবে না। যেহেতু তাদের প্রভাব ও ক্ষমতার হাত অনেক বি¯তৃত। কিন্তু আপনাকে খেতে হবে আজীবন সেই ছড়া বা কুয়ার পানি। বড় জোর সরকার দেয়া ৩৫ থেকে ৪০ ফুট গভীর রিংওয়েলের পানি আপনি পান করতে পারেন। সুতরাং আপনাকে অবশ্যই মাটি এবং পানির নিয়ে বেশি ভাবতে হবে। যে কথা কটুসত্য সেটা হলো, সমাজে নোংরামি এবং অন্যায়-অপরাধ মূলক কাজগুলো সৃষ্টি করে প্রভাবশালী ব্যক্তিরা। সেটা হতে পারে কোন কায়দায় বা অন্য কাউকে দিয়ে। আমাদের মতো দরিদ্ররা বেঁেচ তাকে সরলতা নিয়ে। মাথার ঘাম পায়ে ফেলে অর্থ উপার্জন করে। তাই না বুঝে আমরা অনেক সময় প্রভাবশালীদের হাতিয়ারও হয়ে থাকি অনেকে। segun-pic-03 সম্প্রতি প্রভাবশালীদের শত একর জুড়ে দৃষ্টান্তমূলক সেগুন বনায়ন আমাদের দরিদ্র শ্রেণীর মানুষদের লোভ দেখিয়ে ক্ষতি করার পরিকল্পনা থাকতে পারে না এটাও আমরা কিভাবে বলতে পারি! হতেওতো পারে সেটা। যেহেতু আমাদের জায়গা জমির পরিমাণ খুব কম। আর সেখানে যদি সেগুন বাগান সৃজন করে ২৫/৩০ বছর বন্দী করে রাখি তাহলে সে সময়ে আমরা কোথায় চাষ করব। খাব কি? তাদের সাথে তাল মেলানো কি আমাদের শোভা পায়? আপানারা ভাবুন! যা হোক, সেগুন বনায়নে বৃহদাকার আয় আসে যা ভবিষ্যতে অর্থনৈতিকভাবে মানুষ হওয়া সম্ভব এ গঁদবাধা চিন্তা চেতনা করাও আমাদের মারাত্মক ভুল। সেটাও আমি এভাবে বলতে চাই, বর্তমানে শুধু সেগুন কেন? তুলা গাছেও তো এখন মানুষ অনেক টাকা আয় করছে। বাজারে তুলা গাছ এখন জমজমাট বিক্রয় হচ্ছে। তার মানে কি? তার মানে হচ্ছে এখন গাছ হলেই টাকা। দেশের সর্বত্রই এখন সকল গাছের চাহিদা রয়েছে। কেবল দামটাই একটু তফাট, যেটা স্বাভাবিক ব্যাপার। কিন্তু দামটা তফাট হলে কি? এতে আমাদের সময়ের হিসাব করলে হয়তো সেগুনের চাইতে একটি বাজে গাছও অনেক টাকা দিতে পারে। কারণ একটি সেগুন গাছ পরিপক্ক হতে কমপক্ষে ২৫ বছর সময় লাগবে। তাও শতকরা ৫ শতাংশ গাছ একসাথে পরিপক্ষ হবে না। এ সুদীর্ঘ সময়ে আমাদের তথা পরিবেশের ক্ষতিকর সেগুন বাগান না করে স্বল্প বয়সী কোন জাতিগাছ রোপন করলে যে কেউ প্রচুর লাভবান হতে পারেন নিসন্দেহে। কারণ যে কোন জাতের গাছ একসাথে বড় হয় এবং সেটা সেগুনের ২৫ বছর সময়ে দ্বিগুন হারে বড় হবে। তাছাড়া সময়ও লাগবে সেগুনের তুলনায় প্রায় অর্ধেক। এ হিসেবে আপনার সময়ও বাঁচবে আর মাটি পানির জীবনও বাঁচবে। মাটি পানি বেঁচে থাকলে পরবর্তীতে ঐ জায়গায় যে কোন ফসল চাষ করলেই ভাল ফসল পাওয়া যাবে এবং আমরা নিশ্চিন্তে বেঁচে থাকতে পারব। কিন্তু সেগুন সৃজন পরবর্তী মাটিতে কিছুই ফলন হয়না বলে সবার জানা। মাটি কেবল পাথরে পরিণত হয়। সুতরাং আমাদের দরকার এখনই সচেতন হওয়া। দরকার সরকারী উদ্যোগ ও সহায়তা। কিন্তু পক্ষান্তরে সরকারের উদ্যোগ থাকলেও দেখা যায় সেগুলো অনেকটা বিপরীতমূখী।segun-pic-04 জ্বাজ্জল্যমান একটি উদাহরণ দেই, বিলাইছড়ির কোন এক ফরেস্ট বিট অফিসারের সাথে দেখা হয়। বর্তমান প্রাকৃতিক পরিবেশ ও বনায়ন নিয়ে গল্প করেছি। পরামর্শ চেয়েছিলাম নিজে মেহগনি গাছের বাগান করতে। কথার ছলে প্রাকৃতিক পরিবেশে সেগুনের ক্ষতিকর প্রসঙ্গে উপনীত হই। আমার কথামতে তখন তিনি নিজেই মত প্রকাশ করে বলেন, সেগুনটাই পানি তথা প্রাকৃতিক পরিবেশের জন্য একেবারে ক্ষতিকর। কিন্তু পরে দেখি যে, তিনি নিজেই একটা কাজ করতে এসেছেন আমার কাছে। সেটা হলো ২৯৯ রাঙ্গামাটি আসনের সাংসদ ঊষাতন তালুকদারের কাছে ১ শ ৫০ পরিবারকে সেগুন ও গামারী চারা (স্ট্যাম্প) বিতরণের অনুমতি পত্র প্রস্তুত করতে। যেখানে লেখা ছিল, ‘‘মাননীয় সংসদ সদস্য ২৯৯, পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটি মহোদয়ের (বিলাইছড়ি উপজেলার জন্য) বরাদ্দকৃত জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবেলায় সারাদেশব্যাপী ব্যাপক বনায়নের লক্ষে চারা উত্তোলন প্রকল্পের আওতায় ২০১২-১৩ সনে আলিখিয়ং রেঞ্জের ধুপশীল বিটে উত্তোলিত ৩০,০০০ (ত্রিশ হাজার) টি সেগুন ও গামার চারা (স্ট্যাম্প) বিনামূল্যে স্থানীয় জনসাধারণের মধ্যে বিতরণ’’।

তাহলে সরকার তো স্বয়ং পরিবেশের এ ক্ষতিকর উদ্যোগ নিতে পারেন না। গামার চারাটা না হয় ঠিক আছে কিন্তু সেগুনে উৎসাহিত করাটা তো সরকারের মোটেই উচিত নয়। জনসচেতনতা তৈরি অপেক্ষা যদি এ ধরণের প্রকৃতির হুমকিমূলক উদ্যোগ নেয়া হয় তাহলে আমাদের দেশ রক্ষা তথা দেশ গড়ার অঙ্গিকার কি? আমাদের বেঁচে থাকার অঙ্গীকার কি…..?

পুষ্পমোহন চাকমা : সংবাদকর্মী, বিলাইছড়ি

(‘খোলা জানালা’ বিভাগে প্রকাশিত সকল লেখার মতামতই লেখকের নিজস্ব, এর সাথে পাহাড়টোয়েন্টিফোর ডট কম এর সম্পাদকীয় নীতিমালার সম্পর্ক নেই, এ বিষয়ে ভিন্ন বক্তব্য সম্বলিত লেখা পেলেও প্রকাশ করা হবে…সম্পাদক)

Micro Web Technology

আরো দেখুন

কারাতে ফেডারেশনের ব্ল্যাক বেল্ট প্রাপ্তদের সংবর্ধনা

বাংলাদেশ কারাতে ফেডারেশন হতে ২০২১ সালে ব্ল্যাক বেল্ট বিজয়ী রাঙামাটির কারাতে খেলোয়াড়দের সংবধর্না দিয়েছে রাঙামাটি …

Leave a Reply