নীড় পাতা » পাহাড়ের সংবাদ » পাহাড়ে রক্তের হোলি খেলা নয়, মৈত্রীর বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার আহ্বান

পাহাড়ে রক্তের হোলি খেলা নয়, মৈত্রীর বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার আহ্বান

sangrai-pic-q1‘পার্বত্য এলাকায় রক্তের হোলিখেলা নয়,মৈত্রীর পানি বর্ষনে জরা-ব্যাধি-সন্ত্রাসকে মুছতে পারলে,পার্বত্য এলাকা বাংলাদেশের বোঝা নয়,বিরাট সম্পদ হবে, বলে মন্তব্য করেছেন পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি। পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, রক্ত ডেকে আনে রক্ত, সন্ত্রাস ডেকে আনে সন্ত্রাস আর মৈত্রী ডেকে আনে কল্যাণ, শান্তি। অস্ত্র নয়, সন্ত্রাস নয়, রক্ত নয়, মৈত্রী চাই। sangrai-pic-q2

বুধবার রাঙামাটিতে বৈসাবির শেষ পর্বে কাপ্তাইয়ের চিৎমরমে আয়োজিত মারমা সংস্কৃতি সংস্থা(মাসস) এর সাংগ্রাই জলোৎসবে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, অস্ত্রের ঝনঝনানি বন্ধ করতে জননেত্রী শেখ হাসিনা শান্তি চুক্তি করে। চুক্তির কিছু বিষয় এখনো পূরণ হয়নি। যেগুলো পূরণ হয়নি সেগুলো ভবিষ্যতে হবে। এজন্য ঝগড়া ঠিক নয়। ঝগড়া দুরত্ব বাড়ায়। তিনি মারমা জনগোষ্ঠীসহ সকলকে শিক্ষিত হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, অস্ত্রের শক্তির চেয়ে কলমের শক্তি অনেক বেশি। অস্ত্র যা করতে পারে না, কলম তা করতে পারে। কলমের কোনো নির্দিষ্ট সীমারেখা নেই। ভাষা ও সংস্কৃতির প্রসারে শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই বলে তিনি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, আমি কোনো নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের মন্ত্রী নই, আমি সকল সম্প্রদায়ের মন্ত্রী। তাই সকলের কল্যাণের কথা আমাকে চিন্তা করতে হয়। বীর বাহাদুর বলেন, পার্বত্যাঞ্চল দেশের বোঝা নয়। দেশের সম্পদ। এই সম্পদকে কাজে লাগাতে হবে।
মহিলা সাংসদ ফিরোজা বেগম চিনু বলেন, বৈসাবি মানেই অসাম্প্রদায়িকতা। সাংগ্রাইয়ের জলোৎসবে সকলে সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ হয়। বৈসাবি উৎসবে সকল সম্প্রদায়ের মধ্যে সেতুবন্ধন সৃষ্টি হয়। তিনি বলেন, সন্ত্রাসীদের সংখ্যা খুবই সীমিত। এই সীমিত সংখ্যক সন্ত্রাসীদের মোকাবেলায় সকলকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

মাসসের সভাপতি অংসুইছাইন চৌধুরীর সভাপতিত্বে এতে বক্তব্য রাখেন পার্বত্য চট্টগ্রামের মহিলা সাংসদ ফিরোজা বেগম চিনু, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নিখিল কুমার চাকমা, রাঙামাটি রিজিয়নের কমান্ডার রেদওয়ান আল মামুন, রাঙামাটির জেলাপ্রশাসক মোঃ মোস্তফা কামাল, রাঙামাটির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) হাবিবুর রহমান। স্বাগত বক্তব্য রাখেন মাসসের সাধারণ সম্পাদক অংসাপ্রু মারমা। sangrai-pic-q3

সকাল থেকেই মারমা তরুন তরুণীরা দলবেধে জড়ো হতে থাকে চিৎমরম মাঠে। নাচে গানে মাতিয়ে তোলে পুরো চত্বর। বর্নাঢ্য মারমা সংস্কৃতি আর বাঙালী সংস্কৃতির উপস্থাপনার পাশাপাশি ছিলো মূল আকর্ষন পানিখেলাও। তরুন তরুণীরা সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে পরস্পরের দিকে পানি ছুড়ে পুরনো বছরের গ্লানি এবং জীর্ণতাকে ভুলে নতুন বছরকে স্বাগত জানিয়েছে।sangrai-pic-q4

চিৎমরমের এই উৎসবের মাধ্যমে পার্বত্য রাঙামাটিতে শেষ হলো মারমা জনগোষ্ঠীর বর্ষবরণ ও বিদায়ের মহান উৎসব সাংগ্রাই।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

বেইলি সেতু ভেঙে রাঙামাটি-বান্দরবান সড়ক যোগাযোগ বন্ধ

রাঙামাটির রাজস্থলী উপজেলায় রাঙামাটি-বান্দরবান প্রধান সড়কের সিনামা হল এলাকার বেইলি সেতু ভেঙে পাথর বোঝাই ট্রাক …

One comment

  1. CHADABAZ APOHORONKARI SOSOSHTRO SONTRASIDER BIRUDDHE BEBOSTHA NA NIE BALER KOTHA BOLE KONO LUV NIRE

Leave a Reply

%d bloggers like this: