নীড় পাতা » পাহাড়ের সংবাদ » পাহাড়ে ব্রাক’র ম্যালেরিয়া নির্মূল প্রকল্প পার্বত্য চুক্তির সুস্পষ্ট লংঘন !

পাহাড়ে ব্রাক’র ম্যালেরিয়া নির্মূল প্রকল্প পার্বত্য চুক্তির সুস্পষ্ট লংঘন !

RHDC-Picture-30-01-14-03‘পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি (শান্তিচুক্তি) এবং পার্বত্য জেলা পরিষদ আইনের আলোকে জেলার সকল উন্নয়ন কার্যক্রম পার্বত্য জেলা পরিষদকে কেন্দ্র করে পরিচালিত হবে। এরই আলোকে সরকার ১৯৯০ সালে এ জেলার পরিবার পরিকল্পনা এবং স্বাস্থ্য কার্যক্রম পরিষদের হাতে ন্যস্ত করে। ইউএনডিপিও পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির আলোকে তিন পার্বত্য জেলা পরিষদগুলির সাথে সমন্বয় রেখে স্বাস্থ্য কার্যক্রম পরিচালনা করছে। ইতিমধ্যে ইউনিসেফ এবং ইউএনএফপিএ পরিষদের সাথে কাজ শুরু করেছে। কিন্তু দাতা সংস্থার অর্থায়নে পরিচালিত ম্যালেরিয়া নির্মূল এর একটি প্রকল্প ব্র্যাক মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সরাসরি বাস্তবায়ন করছে,যা পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির সুষ্পষ্ট লংঘন বলে অভিযোগ করেছেন রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নিখিল কুমার চাকমা। তিনি বৃহস্পতিবার পার্বত্য চট্টগ্রামের স্বাস্থ্য বিষয়ে পর্যবেক্ষণ করার জন্য জাতিসংঘের নেতৃত্বে স্বাস্থ্য বিষয়ক একটি যৌথ মিশন পরিষদ তার সাথে সাক্ষাৎ করলে এই অভিযোগ করেন।

তিনি দাতা সংস্থার প্রতিনিধিদের প্রতি আহ্বান রেখে বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নয়নে পার্বত্য জেলা পরিষদের নেতৃত্বে সকল স্বাস্থ্য কার্যক্রম পরিচালিত হওয়া উচিত। আলাদাভাবে কোন স্বাস্থ্য কার্যক্রম গ্রহণ করলে প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা এবং সমন্বয়ের ক্ষেত্রে দ্বৈততার সৃষ্টি হবে এবং এলাকার জনগণ এর সুফল থেকে বঞ্চিত হবে।

পার্বত্য চট্টগ্রামের স্বাস্থ্য বিষয়ে পর্যবেক্ষণ করার জন্য জাতিসংঘের নেতৃত্বে স্বাস্থ্য বিষয়ক একটি যৌথ মিশন রাঙামাটি সফরের অংশ হিসাবে দুপুরে পরিষদ চেয়ারম্যানের সঙ্গে তাঁর অফিসকক্ষে সাক্ষাৎ করেন। প্রতিনিধিদলে ইউএনএইড,ইউনিসেফ,বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা,ইউএনএফপিএ,ব্রাক,সেভ দ্য চিলড্রেন ও ইউএনডিপির প্রতিনিধিরা ছিলেন। প্রতিনিধিদলটি রাঙামাটি জেলার স্বাস্থ্য বিষয়ে বিভিন্ন সরকারি এবং বেসরকারি কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।
প্রতিনিধি দলটি জানান, সরকারি পর্যায়ে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের অধীনে সিভিল সার্জনের নেতৃত্বে স্বাস্থ্য কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এছাড়া ইউএনডিপি-র অর্থায়নে এবং পার্বত্য জেলা পরিষদের নেতৃত্বে একটি যৌথ স্বাস্থ্য কার্যক্রমও চলমান রয়েছে। তারা মূলত জেলার স্বাস্থ্য কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য কি কি বাধা আছে এবং তা কিভাবে উত্তরণ পাওয়া যায় জানতে এসেছেন ।

রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের জনসংযোগ কর্মকর্তা অরুনেন্দু ত্রিপুরা সাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এইসব তথ্য জানানো হযেছে।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

বেইলি সেতু ভেঙে রাঙামাটি-বান্দরবান সড়ক যোগাযোগ বন্ধ

রাঙামাটির রাজস্থলী উপজেলায় রাঙামাটি-বান্দরবান প্রধান সড়কের সিনামা হল এলাকার বেইলি সেতু ভেঙে পাথর বোঝাই ট্রাক …

Leave a Reply