নীড় পাতা » ব্রেকিং » ‘পাহাড়ে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের চাহিদা রয়েছে’

‘পাহাড়ে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের চাহিদা রয়েছে’

রাঙামাটির অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এস এম শফি কামাল বলেছেন, ‘পার্বত্য চট্টগ্রামে পর্যটন শিল্পের অপার সম্ভাবনা রয়েছে। পর্যটন শিল্পকে কেন্দ্র করে এখানে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের চাহিদাও রয়েছে। এসএমই ফাউন্ডেশনের সহযোগীতায় নারী বিবর্তন ফ্যাশন হাউজ ও উদ্যোক্তা উন্নয়ন পরিষদের আয়োজনে রাঙামাটিতে যে প্রশিক্ষণের যে ব্যবস্থা করা হয়েছে; এটা খবুই ভালো উদ্যোগ। ৫ দিন ব্যাপি এই প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে অংশগ্রহণকারীরা এখান থেকে কিছু না কিছু শিখতে পেরেছে। এই প্রশিক্ষণ গ্রহণের মাধ্যমে তারা দেশ ও রাঙামাটির উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারবে, নিজেরাও সাবলম্বী হবে।’

বৃহস্পতিবার বিকেলে শহরের আশিকা কনফারেন্স হলে আয়োজিত বিভিন্ন ধরণের হস্তশিল্প পণ্য তৈরি বিষয়ক প্রশিক্ষণের সমাপনী ও সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

নারী বিবর্তন ফ্যাশন হাউজের পরিচালক ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা প্রোগ্রেসিভ’র নির্বাহী পরিচালক সুচরিতা চাকমার সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন- রাঙামাটি প্রেসক্লাব সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন রুবেল, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সাবেক সদস্য নিরূপা দেওয়ান, এসএমই ফাউন্ডেশনের সহকারী ব্যবস্থাপক আবির হোসেন, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা আশিকা মানবিক উন্নয়ন কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক ও উদ্যোক্তা উন্নয়ন পরিষদ রাঙামাটি জেলার সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব চাকমা। অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন প্রোগ্রেসিভ’র সমন্বয়কারী নুকু চাকমা।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বলেন, ‘এই শিল্পে আমরা এখনও আশানুরূপ ভাবে বিকাশ ঘটাতে পারিনি। তার মানে এই নয় সময় শেষ হয়ে হয়ে গেছে। আমি মনে করি, আগামী দিনে রাঙামাটিতে পর্যটকের সংখ্যা আরও বাড়বে; সেখানে এই শিল্প অবদান রাখবে।’

সমাপনী অনুষ্ঠানে এডিসি শফি কামাল বলেন, ‘এসএমই ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের মাঝারি ও ক্ষুদ্র শিল্পের উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকারের হয়ে কাজ করে যাচ্ছে। ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের উদ্যোক্তাদের পথ দেখানো এবং তাদের উৎসাহিত করার জন্যই এসএমই মেলার আয়োজন করা হয়। পার্বত্য এলাকার হস্তশিল্প সামগ্রীর উৎপাদন বাড়াতে ও বাজার সৃষ্টি করতে এ প্রশিক্ষণ বিশেষ ভূমিকা রাখবে। আর বাজার তৈরি করতে হলে প্রচার বাড়াতে হবে।’

গত ২০ জানুয়ারি রাঙামাটিতে এই হস্তশিল্প পন্য তৈরি বিষয়ক প্রশিক্ষণ শুরু হয়। প্রশিক্ষণে বিশেষ করে মহিলাদের গয়না, হাতের কারু, পুতির মালাসহ বিভিন্ন সামগ্রী তৈরির ওপর প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। প্রশিক্ষণে জেলার ৩৪ জন প্রশিক্ষনার্থী অংশগ্রহণ করেন। এর মধ্যে বেশিরভাগই নারী। ৫ দিন ব্যাপী এই প্রশিক্ষণে প্রশিক্ষক ছিলেন ডিএনএ ফ্যাশন হাউজের কর্ণধার ও প্রশিক্ষক পার্থ গুপ্ত ও তন্দ্রা মুখার্জী।

প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারীরা জানিয়েছেন, এই প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে তারা বিভিন্ন হাতের কাজ শিখতে পেরেছেন। প্রশিক্ষণ শেষে তা ব্যক্তিজীবনে ব্যবহার করে সাবলম্বী হতে পারবেন।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

নানিয়ারচর সেতু : এক সেতুতেই দুর্গমতা ঘুচছে তিন উপজেলার

কাপ্তাই হ্রদ সৃষ্টির ৬০ বছর পর এক নানিয়ারচর সেতুতেই স্বপ্ন বুনছে রাঙামাটি জেলার দুর্গম তিন …

Leave a Reply