নীড় পাতা » ব্রেকিং » পাহাড়ের জীববৈচিত্র্য ও প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষায় আহ্বান বৃষ কেতুর

পাহাড়ের জীববৈচিত্র্য ও প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষায় আহ্বান বৃষ কেতুর

পাহাড়ের জীববৈচিত্র্য ও প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষায় সকলকে এগিয়ে আসার আহবান জানিয়েছেন রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বৃষ কেতু চাকমা। তিনি বলেন, পার্বত্য অঞ্চলে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাববেশী লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এই জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতি মোকাবিলায় আমাদেরকে সকলকে এক যোগে কাজ করতে যেতে হবে। পাহাড়ে আবারো নতুন নতুন সবুজ বনায়ন সৃষ্টির মাধ্যমে রিজার্ভ ফরেষ্ট সৃষ্টির দিকে আমাদের সকলকে লক্ষ্য রাখতে হবে। এসময় তিনি ব্র্যাক ও ইউএনডিপির যৌথ উদ্যোগে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় কর্ম পরিকল্পনা গ্রামীন পর্যায়ে বাস্তবায়নে অংশগ্রহণকারী জনপ্রতিনিধিদের প্রতি আহ্বান জানান।

বুধবার সকালে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে জনগোষ্ঠীর জলবায়ু বিপদাপন্নতা নিরূপন এবং স্থানীয় আপদ সহনশীল পরিকল্পনা প্রনয়ন বিষয়ক সেমিনারে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এ আহবান জানান। ইউএনডিপির ন্যাশনাল প্রজেক্ট ম্যানেজার প্রসেনজিৎ চাকমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের মূখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ছাদেক আহমদ, ব্র্যাক’র জলবায়ু পরিবর্তন প্রকল্পের প্রোগ্রাম হেড আবু সাদাত মনিরুজ্জামান খান, ইউএনডিপির কর্মকর্তা বিপ্লব চাকমা, ব্র্যাক’র রাঙামাটি জেলা সমন্বয়ক সমীর কুমার কুন্ডুসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা। সেমিনারে পার্বত্য তিন জেলার জনপ্রতিনিধি স্থানীয় গন্যমাণ্য ব্যক্তিবর্গ ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রকল্পের কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।

বৃষ কেতু আরও বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বেশি হুমকিতে আছে পার্বত্য চট্টগ্রাম। বিগত ২০১৭ সালে প্রাকৃতিক দুর্যোগের ফলে ১২০জন তাজা প্রাণ হারাতে হয়েছে আমাদেরকে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে পুরো রাঙামাটি জেলা। অসংখ্য পাহাড়ধসের কারণে পার্বত্য রাঙামাটির ভৌগলিক পরিবর্তন হয়েছে। তিনি এই ঝুঁকি মোকাবেলায় আরও কী কী করনীয় আছে তা খুঁজে বের করে পার্বত্য জনগণকে সম্পৃক্ত করার আহবান জানান।

উল্লেখ্য, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলা করে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সহনশীলতা বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে ইএনডিপি ডেনমার্ক সরকারের সহায়তায় সিএইচটি ক্লাইমেট রেসিলিয়েন্স প্রকল্প হাতে নিয়েছে। এবং তিন পার্বত্য জেলা (রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি এবং বান্দরবান) বাস্তবায়ন শুরু করেছে। ২০১৮ সালের মার্চ মাস থেকে এই প্রকল্পটি তিন পার্বত্য জেলার ১০টি উপজেলায় ১০ হাজার পাহাড়ি জনগোষ্ঠীকে নিয়ে বাস্তবায়ন করা হবে যারা জলবায়ু পরিবর্তন জনিত প্রভাবের কারণে বেশী বিপদাপন্ন। উপজেলাগুলো হচ্ছে রাঙামাটির জেলার রাঙামাটি সদর, জুরাছড়ি, বরকল ও বিলাইছড়ি। খাগড়াছড়ির খাগড়াছড়ি সদর, মহালছড়ি, গুইমারা এবং বান্দরবান জেলার বান্দরবান সদর, রুমা ও লামা উপজেলা।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

র‌্যাবের স্থায়ী পার্বত্য ব্যাটালিয়নের জন্য ৬৭৭ জনবল

পুলিশ অধিদফতরের আওতাধীন র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) সাংগঠনিক কাঠামোতে একটি স্থায়ী পার্বত্য ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব-১৫) জন্য …

Leave a Reply