নীড় পাতা » খাগড়াছড়ি » পাহাড়ের এক বীর মুক্তিযোদ্ধার গল্প….

পাহাড়ের এক বীর মুক্তিযোদ্ধার গল্প….

mongsa-thoaiবয়স তখন আঠারো। চঞ্চল মন। পড়াশুনার পাশাপাশি বন্ধুদের সাথে আড্ডা, খেলাধূলা এগুলোর মধ্যে মেতে থাকার কথা ছিল। কিন্তু দেশের পরিস্থিতি তখন ভালো ছিলোনা। সর্বত্র পাক বাহিনীর নির্মম নির্যাতন। সাথে আছে পাজ্ঞাবী এবং এই দেশীয় কিছু রাজাকার। যুদ্ধ পরিস্থিতি। সারাদেশের মত খাগড়াছড়িতে বর্বর পাক বাহিনী ও রাজাকারদের অত্যচার। একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় লক্ষ্যে দেশের লাখো মুক্তিসেনার মত যুদ্ধে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। তিনি খাগড়াছড়ির সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মংসাথোয়াই চৌধুরী। পাহাড়টোয়েন্টিফোরডটকমকে দেয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে জানালেন যুদ্ধে যাওয়া থেকে শুরু করে খাগড়াছড়ি হানাদার মুক্ত হওয়ার গল্প। সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন অপু দত্ত।

প্রশ্ন : শুরুতেই আপনার পরিবার নিয়ে জানতে চাই-

মংসাথোয়াই চৌধুরী : ১৯৫২ সালের ৩০ জুন মাসে আমার জন্ম। গুইমারা ২১৩ নং মৌজার হেডম্যান কংঞ্চো চৌধুরী এবং আনাই চৌধুরীর সন্তান আমি। তিন ভাই এবং তিন বোনের মধ্যে আমি সবার ছোট।

প্রশ্ন : যুদ্ধে কেন গেলেন এবং কিভাবে উদ্বুদ্ধ হলেন ?

মংসাথোয়াই চৌধুরী : অল্প কথায় বলতে গেলে মূলত ১৯৭১ সালের ৭ মার্চে ঢাকা রেসকোর্স ময়দানে দেয়া বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণই আমাকে উদ্বুদ্ধ করেছে যুদ্ধে যাওয়ার জন্য। কারন সেই ঐতিহাসিক ভাষনে এই দেশকে শত্রু মুক্ত করে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্যে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ গ্রহন করার সকল নির্দেশনা ছিল।

তাছাড়াও আমার এলাকা তথা খাগড়াছড়ি জেলাধীন গুইমারায় বর্বর পাক বাহিহনী ও রাজাকারদের অত্যচার আমাকে আরও বেশী উদ্বুদ্ধ করেছে যুদ্ধে যাওয়ার জন্য। তাই আমি পরিবারিক সকল মায়া ছেড়ে দেশ মাতৃকাকে শত্রু মুক্ত করে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ গ্রহন করি। যুদ্ধে যাওয়ার প্রাক্কালে আমার প্রয়াত গর্ভধারিনী মা চোখের পানি ফেলেছেন ঠিকই কিন্তু যুদ্ধে যাওয়ার ব্যপারে কোন রকম বাধা দেয়নি। প্রয়াত বাবাও সাহস যুগিয়েছেন।

প্রশ্ন : আপনি কোন সেক্টরে যুদ্ধ করেছেন ? আপনার সেক্টর কমান্ডারের নাম কি এবং কি কি প্রশিক্ষন পেয়েছেন ?

মংসাথোয়াই চৌধুরী : আমি ১নং সেক্টরের অধীনে মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহন করেছি। আমার সেক্টর কমান্ডারের নাম মেজর রফিকুল ইসলাম। মূলত: আমরা গেরিলা যুদ্ধের প্রশিক্ষন পেয়েছি। সাথে বিভিন্ন অস্ত্রেরও প্রশিক্ষন পেয়েছি। তন্মধ্যে থ্রি নট থ্রি ও মার্ক ফোর রাইফেল, এস এল আর, এল এম জি, নাইন এম এম কার্বন, রাশিয়ান ষ্টেন গান, হাই এক্্রপ্লোসিব
হ্যান্ড গ্রেনেড, টু ইঞ্চি ও থ্রি ইঞ্চি মটর ইত্যাদি।

প্রশ্ন : সম্মুখ বা গেরিলা যুদ্ধের কোন স্মৃতি কি আপনার মনে আছে ?

মংসাথোয়াই চৌধুরী : ১নং সেক্টরের সাব সেক্টর হিসেবে শিলাছড়ি ক্যাম্পে অবস্থানকালীন কয়েকটি গেরিলা যুদ্ধে আমি অংশগ্রহন করেছি। তন্মধ্যে একটি গেরিলা যুদ্ধের স্মৃতি এখনো আমার মনকে নাড়া দেয়। সেই যুদ্ধটি হয়েছিল পানছড়ি এবং তবলছড়ির মাঝামাঝি বৈদ্যপাড়া নামক স্থানে। সেখানে পাকবাহিনীর একটি আস্থায়ী ক্যাম্প ছিল।

সেই ক্যাম্প টার্গেট করে দুদিন আগে রেকি করার কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর সম্ভবত ০২/১২/১৯৭১ ইং তারিখে আমি ১২জন মুক্তিযোদ্ধা নিয়ে গেরিলা আক্রমনের জন্য নেমে পড়ি। রাত প্রায় ১১.০০ টায় বর্ডার ক্রস করে গাইডকে সঙ্গে নিয়ে পূর্ব নির্ধারিত নিরাপদ স্থানে অবস্থান নিয়ে আমরা আক্রমনের পরিকল্পনা করি। পূর্বের সংগৃহিত তথ্য অনুযায়ী ছয়জন করে দুই গ্রুপে ভাগ হয়ে আমরা অ্যামবুশ বসিয়ে শত্রুর অপেক্ষা করতে থাকি।

পরেরদিন সকাল পর্যন্ত শত্রুরা সেই এলাকায় টহলে বের হয়নি। আমরা কিন্তু অ্যামবুশ উইথড্র না করে শুকনো রুটি ও চিড়া খেয়ে শত্র“দের অপেক্ষা করতে থাকি। সন্ধ্যের একটু আগে আনুমানিক ৪.৩০ টার দিকে দেখতে পেলাম শত্র“দের ৬০-৬৫ জনের একটি বহর এগিয়ে আসছে। আমরা চুড়ান্ত প্রস্তুতি নিয়ে আপেক্ষা করছি। শত্র“বহরটি একসময় আমাদের অ্যামবুশ অতিক্রম করতে লাগলো। তখনো আমরা ফায়ার ওপেন করিনি। কারন গেরিলা আক্রমন কখনো শত্র“বহরের সম্মুখে বা মাঝামাঝিতে করা যায়না।

গেরিলা আক্রমনের একটি কৌশল হলো শত্রু বহরের পেছন দিক থেকে হামলা অর্থাৎ টেইল। কারন শত্রুকেও আঘাত হানতে হবে এবং নিজেকেও বাঁচতে হবে। সেই অনুযায়ি শত্র“বহরটি আমাদের অ্যামবুশ অতিক্রম করার পরপরই পেছনদিক থেকে আমরা ফায়ার ওপেন করে আঘাত হানলাম। আমাদের সাথে একটি এল এম জি, তিনটি এস এল আর, চারটি মার্ক ফোর রাইফেল, একটি রাশিয়ান ষ্টেন গান এবং বাকিদের হাতে হ্যান্ড গ্রেনেড ও অতিরিক্ত গোলাবরুদ ছিল।

প্রায় ২০ মিনিট একটানা যুদ্ধের পর আমরা তাৎক্ষনিক অ্যামবুশ উইথড্র করে পূর্ব নির্ধারিত নিরাপদ স্থানের (আর বি) দিকে দ্রুত অগ্রসর হতে থাকি। কিন্তু দুর্ভাগ্য বশত আমরা ছয়জন পথ ভুলে পূর্ব নির্ধারিত নিরাপদ স্থানে (আর বি)) পৌছুতে না পেরে চলে গেছি অন্য একটি স্থানে। সেখানে ছিল অঘোর বাঁশবন ও উচু পাহাড়। নিরাপদ স্থান হিসেবে একটি অন্ধকার গুহা বেছে নিয়ে সেখানে অবস্থান করলাম। সঙ্গে থাকা অবশিষ্ট শুকনো খাবার গুলো খেয়ে নিলাম। সারারাত আতঙ্কে ছিলাম কখন শত্রুপক্ষ আক্রমন করে।

রাত গড়িয়ে সকাল হলো। অচেনা জায়গা হিসেবে নিরাপদ রাস্তাও খুঁজে পাচ্ছিলামনা। আমাদের সঙ্গে যে গাইডার ছিল তারও কোন হদিস পাচ্ছিলামনা। দুপুর গড়িয়ে বিকেল হলো, সঙ্গে থাকা শুকনো খাবারগুলোও শেষ। প্রচন্ড ক্ষিদায় নিরুপায় হয়ে সবাই জংলি কলাগাছের বগলি খেয়ে ক্ষুদা নিবারনের চেষ্টা করলাম। তারপর খাওয়ার পানি হিসেবে শুকনো ছড়ায় গরুর খোশে জমে থাকা লাল পানিটুকু বাঁশের পাতাকে পাইপ (ষ্ট্র) বানিয়ে পান করে পিপাসা নিবারনের চেষ্টা করলাম। দিন গড়িয়ে আবার রাত হলো। সবাই চিন্তা করছে আদৌ আমরা জীবিত অবস্থায় ফিরে যেতে পারবো কিণা।

রাত প্রায় ১০.০০ টার দিকে হঠাৎ আমাদের নির্ধারিত পাশওয়ার্ডের সুর শুনতে পেয়ে মনে হলো যেন জীবন ফিরে পেলাম। আস্তে আস্তে এগিয়ে গিয়ে রিটার্ন পাসওয়ার্ডের সুর শুনানোর পর পরই দ্রুতগতিতে গাইড আমাদের কাছে এসে পৌছাল। সঙ্গে সঙ্গে আমরা গাইডের সাথে ক্যাম্পের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হলাম।

রাত প্রায় ১.৩০ টার দিকে আমরা বর্ডার ক্রস করে ভোর ৫.০০ টায় ক্যাম্পে পৌছালাম। পরে জানতে পারলাম সেদিন আমাদের আক্রমনে তিন জন পাক সেনা এবং দুইজন রাজাকার মারা গেছে এবং ৮-১০ জন আহত হয়েছে।

আর সম্মুখ যুদ্ধ আমাদের তিনটি হয়েছে। আমরা চার প্লাটুন একসাথে পানছড়ি দিয়ে নিজ মাতৃভূমিতে প্রবেশ করেছি। আমাদের গ্রুপ কমান্ডার ছিলেন ক্যাপটেন অশোক দাশ গুপ্ত (বাবুল চৌধুরী) এবং সেকেন্ড ইন কমান্ড ছিলেন সুবেদার খায়রুজ্জামান। যতদুর মনে পড়ে ১১/১২/১৯৭১ ইং তারিখ রাতে আমরা পানছড়িস্থ পাকবাহিনীর ক্যাম্প আক্রমন করে ১২/১২/১৯৭১ ইং ভোরে দখলে নেয়।

এরপর ১৩/১২/১৯৭১ ইং তারিখে পানছড়ি থেকে খাগড়াছড়ির দিকে অগ্রসর হওয়ার পথে বিকেল ৪.০০ ঘটিকায় ভাইবোনছড়াস্থ পাক বাহিনীর ক্যাম্প আক্রমন করে ১৪/১২/১৯৭১ ইং তারিখ ভোর ৫.৩০ টায় আমরা ভাইবোনছড়া দখল করি। ঐদিনই আমরা খাগড়াছড়ির দিকে অগ্রসর হতে গিয়ে গাছবান নামক এলাকায় আমরা পাকবাহিনী ও মিজোদের অ্যামবুশে পড়ে যাই। সেখানে আমাদের শেষ যুদ্ধ হয় পাকবাহিনীর সাথে। প্রায় ঘন্টাখানেক তুমুল যুদ্ধের পর একসময় পাকবাহিনীরা পিছু হটে যায়।

সেই যুদ্ধে আমাদের দুইজন মুক্তিযোদ্ধা আহত হয়। পরবর্তিতে সন্ধ্যের পর রাত ৮.০০ টার দিকে আমরা খাগড়াছড়ি মহকুমা শহরের দিকে অগ্রসর হতে াকি। ১৫/১২/১৯৭১ ইং তারিখে ৯.৩০ টায় আমরা তৎকালীন খাগড়াছড়ি মহকুমা শহর দখল করি। সকাল ১১.০০ টায় মহকুমা প্রশাসক ভবনে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার পতাকা উত্তোলন করা হয়। সহযোদ্ধা দোস্ত মোহাম্মদ চৌধুরী এই পতাকা উত্তোলন করেন। এ সময় গ্রুপ কমান্ডার অশোক চৌধুরী বাবুল, আমি, মোবারক মাস্টার, জুলু মারমাসহ অনেকেই সাথে ছিলেন। সেদিন থেকে খাগড়াছড়ি হানাদার মুক্ত দিবস পালিত হয়।
এখানে উল্লেখ্য যে, জাতি ধর্ম বর্ন নির্বিশেষে আমরা বাঙ্গালী পাহাড়ি একসাথে যুদ্ধ করেছি, একসাথে থেকেছি, একসাথে খেয়েছি। আমাদের মাঝে তখন কোন রকম বিভাজন ছিলনা।

প্রশ্ন : ঐ সময় পাহাড়ী জনগনের মনোভাব কি রকম ছিল ? কতজন পাহাড়ি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহন করেছেন ?

মংসাথোয়াই চৌধুরী : ঐ সময় বর্বর পাকবাহিনী ও রাজাকারদের অত্যাচারের ভয়ে পাহাড়ি জনগন আতঙ্কগ্রস্ত ছিল। সর্বোপরি পাকহানাদারদের প্রতি পাহাড়ি জনগনের ছিল প্রবল ঘৃণা ও অপছন্দ। যুদ্ধ চলাকালীন পাহাড়ি জনগন যতদূর সম্ভব মুক্তিযোদ্ধাদেরকে সহযোগিতা করেছে। খাগড়াছড়ি জেলায় মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহনকারী পাহাড়ি জনগনের মধ্যে রয়েছে মারমা সম্প্রদায়ের- ৫৯ জন, ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের-৩৪ জন এবং চাকমা সম্প্রদায়ের-০৪ জন।

প্রশ্ন : পড়াশুনা আর চাকুরী জীবন নিয়ে কিছু বলেন।

মংসাথোয়াই চৌধুরী : যুদ্ধের পর ১৯৭২ সালে এসএসসি পরীক্ষায় দেই। ১৯৭৩ সালে গুইমারা উচ্চ বিদ্যালয়ে এক বছর শিক্ষকতা করি। ৭৪ সালে বাংলাদেশ মেডিকেল রিসার্জ কাউন্সিলের অধীনে ঢাকায় কলেরা হাসপাতালে রিসার্জ এসিটেন্ট হিসেবে যোগ দেয়। ওখানেও এক বছর চাকুরী করে ৭৫ সালের শুরুতে খাগড়াছড়ি কলেজে এইচএসসি ১ম বর্ষে ভর্তি হয়। ৭৬ পরিক্ষায় পাশ করে বছরের শেষের দিকে সোনালী ব্যাংকে চাকুরী করি। ব্যাংকে ১ বছর চাকুরী করে ৭৮ সালের ১০ জানুয়ারী যোগদান করি সড়ক ও জনপদ বিভাগের কার্যসহকারী পদে। যেখানে অদ্যবদি পর্যন্ত কর্মরত আছি। তবে চাকুরি প্রায় শেষ প্রান্তে। এছাড়াও ২০০৮ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত দুই মেয়াদে আমি খাগড়াছড়ি জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার হিসেবে দ্বায়িত্ব পালন করেছি।

প্রশ্ন : যুদ্ধ থেকে ফিরে এসে সেই মুহূর্তের এবং বর্তমানে স্বাধীনতার অনুভূতি কি ?

মংসাথোয়াই চৌধুরী : যুদ্ধ থেকে ফিরে এসে স্বাধীনতা লাভের যে কি অনন্দ ও অনুভূতি তা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। তখন মনে হয়েছে যেন পৃথিবী জয় করেছি। মূলত আমরা যে আশা এবং আকাঙ্খা নিয়ে যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছি তার বাস্তব রূপ এখনো পুরোপুরি দেখছিনা। বিগত ৪৩ বছর ধরে অনেক ঘাত-প্রতিঘাতের মধ্য দিয়ে দেশ এগিয়েছে।

তার মধ্যে ৭৫ এ স্বাধীন বাংলা দেশের স্বপ্নদ্রষ্টা জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে হারালাম, জাতীয় চার নেতাকে হারালাম। এখনো কুখ্যাত রাজাকার আলবদর বাহিনী তথা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শেষ হয়নি। হয়তোবা এসব কিছু একদিন শেষ হবে, দেশ এগিয়ে যাবে, এদেশ শত্রুমুক্ত হবে, দারিদ্রমুক্ত ও অর্থনৈতিক ভাবে সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হবে। ততোদিন বাঁচবো কিনা সেটিই মূল কথা…..।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

ডিপ্লোমা প্রকৌশলী পরিষদের প্রধান উপদেষ্টা হলেন দীপংকর তালুকদার

বঙ্গবন্ধু ডিপ্লোমা প্রকৌশলী পরিষদ রাঙামাটি জেলা শাখার প্রধান উপদেষ্টা হয়েছেন খাদ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী …

Leave a Reply