নীড় পাতা » ব্রেকিং » পার্বত্য চট্টগ্রাম অচল করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি

পার্বত্য চট্টগ্রাম অচল করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি

21রাঙামাটির বরকল উপজেলার একটি কেন্দ্রের ফলাফল বাতিল ও পুননির্বাচনের দাবিতে সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির নেতৃত্বে ১১ দিন ধরে বরকল উপজেলাকে বিচ্ছিন্ন করে রাখা,পুরো রাঙামাটি জেলায় ১৩ ও ১৪ জুন দুইদিনের অবরোধের পর আবার ১৯,২০ এবং ২১ জুন আবার তিনদিনের অবরোধের ঘোষণার পর এবার মাঠে নেমে পড়েছে বাঙালী সংগঠনগুলো। জনসংহ

জনসংহতির কর্মসূচীকে উস্কানিমূলক,সাম্প্রদায়িক,ভূয়া ও রমজানের পবিত্রতা নষ্টকারি বলে অভিযোগ করে এবং এজন্য ভয়াবহ পরিণতির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে মঙ্গলবার সকালে বরকল উপজেলায় কয়েকশত মানুষকে নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে পার্বত্য বাঙালী ছাত্র পরিষদ।

বরকল উপজেলা সদরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে বক্তারা অভিযোগ করেছেন, রাঙামাটি তথা পার্বত্য চট্টগ্রামে সাম্প্রদায়িক সংঘাত সৃষ্টি করে পরিস্থিতি ঘোলাটে করার পাঁয়তার করছে সন্তু লারমা ও তার ক্যাডাররা।

তারা স্থানীয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ এনে বলেন, অজ্ঞাত কারণে পাহাড়ের অবৈধ অস্ত্রধারিদের বিরুদ্ধে কোন পদক্ষেপই নিচ্ছেনা প্রশাসন। তারা প্রশাসন অবৈধ অস্ত্র ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কোন পদক্ষেপ না নিলে পুরো বরকল উপজেলাকে অচল করে দেয়ার হুমকিও দেন।Rangamati-somo-pic

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ভূষনছড়ার নব নির্বাচিত চেয়ারম্যান মামুনুর রশীদ মামুন,জাফর ইকবাল,শামসুল ইসলাম,সবুর মেম্বার সহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

এদিকে অবরোধের নামে সাম্প্রদায়িক উস্কানি ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের অভিযোগ এনে এর প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে পার্বত্য চট্টগ্রাম সম-অধিকার আন্দোলন ও সমমনা সংগঠনসমূহ। বুধবার সকালে রাঙামাটি জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে এই বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

পার্বত্য চট্টগ্রাম সম-অধিকার আন্দোলন কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি জাহাঙ্গীর কামাল’র সভাপতিত্বে এবং যুব ফ্রন্ট কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো: শাহ জাহান’র পরিচালনায় সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় সম-অধিকার আন্দোলনের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু বক্কর, যুব ফ্রন্টের উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম মুন্না ও জে এম জালোয়া, পার্বত্য বাঙালী ছাত্র পরিষদের সভাপতি সাব্বির আহম্মেদ।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, পবিত্র রমজান মাসে আঞ্চলিক সংগঠন জেএসএস অবরোধের নামে যে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করেছে ,এর জন্য তাদেরকে জবাব দিতে হবে। তাদের দাবিকে একটি ‘ফালতু’ দাবি মন্তব্য করে বক্তারা বলেন, এমন অবরোধ কেউ মানে না। জেএসএস ইউপি নির্বাচনে অধিক সংখ্যায় ইউপি জয় করার পরেও তারা এমন একটি বিষয়কে কেন্দ্র করে অবরোধের নামে যে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করছে, তা কেউ আশা করে না। এর পরিণাম শুভ হবেনা।

বক্তারা আরো বলেন, জেএসএস ইউপি নির্বাচনে সন্ত্রাসী করে অধিক সংখ্যায় ইউপি দখল করার পরেও তাদের মনের আশা পূর্ণ হয়নি। তারা যদি মনে করে পার্বত্য অঞ্চল তাদের আলাদা রাষ্ট্র তবে এটি ভূল ধারণা। পার্বত্য অঞ্চল বাংলাদেশের আয়তনের মধ্য দিয়ে পড়ে, এটিতে আলাদা রাষ্ট্র ভাবার কোনও সুযোগ নেই। জেএসএস যদি তাদের এই কর্মসূচি বন্ধ না করে তবে ঈদের পরে পার্বত্যবাসী এক হয়ে লাগাতার কর্মসূচি দিয়ে পার্বত্য অঞ্চলকে অচল করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন বক্তারা।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

জুরাছড়িতে গুলিতে নিহত কার্বারির ময়নাতদন্ত সম্পন্ন

রাঙামাটির জুরাছড়ি উপজেলায় স্থানীয় এক কার্বারিকে (গ্রামপ্রধান) গুলি করে হত্যা করেছে অজ্ঞাত বন্দুকধারী সন্ত্রাসীরা। রোববার …

৪ comments

  1. বাঙালী ছাত্র পরিষদ মারে চুদি।।।এদের গুষ্টি চুদি।।।।

  2. পার্বত্য আঞ্চলিক দলরা কারো হুকোমে চলে না যে কেউ হুমকি দিলে ভয়ের পালিয়ে যাবে।আমাদের মাননীয় সন্তু স্যার যে কারণে হরতাল করেছে সেটা যারা রাজনীতিবীত গণ্যমান্য ব্যক্তিরা বিবেচনা করে যেকোনো একটা পদক্ষেপ নিলেই হয়ত সব সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে।

  3. সমস্যা টা বাংগালীর নয় আওয়ামীগের, তাই ব্যানারটা আওয়ামীলীগের হলে ভালো হতো। আপনারা শুধু শুধু বাংগালী ছাত্র পরিষদের নাম নষ্ট করছেন। বাংগালী ছাত্র পরিষদ কোনো ব্যাক্তির জন্য কাজ করেনা। কাজ করে পার্বত্য বাংগালীর অধিকার আদায়ের।।।।

Leave a Reply

%d bloggers like this: