নীড় পাতা » বান্দরবান » পরিবেশ ঠিক রেখে কর্মোপযোগী পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে: জেলা প্রশাসক

পরিবেশ ঠিক রেখে কর্মোপযোগী পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে: জেলা প্রশাসক

বান্দরবান জেলা প্রশাসক মো. দাউদুল ইসলাম বলেছেন, শিক্ষা ছাড়া কোনো জাতির উন্নতি হতে পারে না। তাই সব শিশুকে সুশিক্ষিত করে গড়ে তুলতে হবে। তিনি বলেন, উপজেলার বিদ্যালয়গুলোতে বিদ্যমান শিক্ষক সংকট নিরসনে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলা পরিষদ সভা কক্ষে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। এ সময় তিনি আরও বলেন, পরিবেশ প্রকৃতি ঠিক রেখে মানুষের কর্মোপযোগী পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে। উপজেলায় টেকনিকেল স্কুল প্রতিষ্ঠিত হবে বলেও জানান। প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, আপনারা এমন একজন মন্ত্রী পেয়েছেন, যিনি প্রতিটি মানুষের কথা ভাবেন এবং উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তা নিজ থেকে উপলব্ধি করে তা বাস্তবায়ন করে থাকেন সুতরাং সেদিক থেকে আপনারা সু-ভাগ্যবান।

নির্বাহী অফিসার নূর-এ-জান্নাত রুমির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় পৌরসভার মেয়র মো. জহিরুল ইসলাম, জেলা পরিষদ সদস্য মোস্তফা জামাল, উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শরাবান তহুরা, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকতা আপ্পেহ্লা রাজু নাহা ও মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার শেখ মাহবুবুর রহমান বিশেষ অতিথি ছিলেন। সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক, সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ প্রমুখ।

এসময় উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নসমুহের নানান সমস্য ও সম্ভাবনার বিষয়ে আলোকপাত করা হয়। ইউনিয়ন পরিষদসমুহের নিজস্ব আয়ের সম্ভাব্য দিকগুলো তুলে ধরে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে এর সুরাহা-রাজস্ব আয়ের বাধা দূরীকরণ আশ্রায়ন প্রকল্পসমুহের সংস্কার, ভূমি জটিলতা নিরসন পূর্বক আশ্রিত মানুষের সেবা প্রদানে বিদ্যমান সমস্যা দূরীকরণের দাবি জানান ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানগণ। এছাড়া মিরিঞ্জা পর্যটনকে ঢেলে সাজানোসহ পর্যটন শিল্পের বিকাশের আহ্বান জানানো হয়। লামা পৌরশহরসহ আশপাশের গ্রামগুলোকে বন্যার কবল থেকে রক্ষায়, নদীর গতি পরিবর্তনের বিষয়টি তুলে ধরেন পৌর মেয়র মো: জহিরুল ইসলাম। বিদ্যালয়ের শিক্ষক সংকট নিরসনে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার দাবি জানান ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকগণ। এতে উপজেলা পরিষদের সম্মুখ থেকে দক্ষিণ দিকে প্রায় পৌনে এক কিলোমটিার সড়ক উঁচু করার প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা দেন লামা প্রেসক্লাব সেক্রেটারি মো.কামরুজ্জামান। শেষে তিনি একটি বাড়ি একটি কামার প্রকল্পের আওতায় বিভিন্ন ইউনিয়নরে উপকারভোগিদের মাঝে ঋণের নগদ অর্থ তুলে দেন।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

জনপ্রিয় হচ্ছে ‘তৈলাফাং’ ঝর্ণা

করোনার প্রভাবে দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল খাগড়াছড়ির পর্যটন ও বিনোদনকেন্দ্র। তবে টানা বন্ধের পর এখন খুলেছে …

Leave a Reply