নীড় পাতা » পাহাড়ের সংবাদ » ‘ন্যাক্কারজনক ও কাপুরুষোচিত’

‘ন্যাক্কারজনক ও কাপুরুষোচিত’

updf-flagসাবেক ইউপিডিএফ সদস্য সন্তোষ চাকমা  হিমেল হত্যাকান্ডকে ‘ন্যাক্কারজনক ও কাপুরুষোচিত’ উল্লেখ করে হত্যাকারি ও হামলাকারি ‘সন্তু গ্রুপের’ সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারপূর্বক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে ইউপিডিএফ।

ইউনাইটেড পিপল্স ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট(ইউপিডিএফ) রাঙামাটি জেলা ইউনিটের সংগঠক সচল চাকমা শনিবার এক বিবৃতিতে শুক্রবার বিকালে রাঙামাটির নানিয়ারর উপজেলার ঘিলাছড়ি এলাকায় জেএসএস সন্তু গ্রুপের সশস্ত্র হামলায় সাবেক ইউপিডিএফ সদস্য সন্তোষ চাকমা ওরফে হিমেল(২৮) নিহত ও আরেকজন আহত হওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে এই কথা বলেন।

বিবৃতিতে তিনি এ হামলার ঘটনাকে ‘ন্যাক্কারজনক ও কাপুরুষোচিত’ উল্লেখ করে বলেন, উষাতন তালুকদার এমপি নির্বাচিত হওয়ার পর জেএসএস সন্তু গ্রুপের সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা বেপরোয়া হয়ে ইউপিডিএফের কর্মী, সমর্থকদের আবারো হত্যাকান্ড শুরু করেছে। অথচ তিনি এমপি নির্বাচিত হলে পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য জনগণকে ওয়াদা দিয়েছিলেন।

বিবৃতিতে তিনি আরো বলেন, ইউপিডিএফ পার্বত্য চট্টগ্রামে ভ্রাতৃঘাতি সংঘাত বন্ধের লক্ষ্যে বার বার ঐক্যের প্রস্তাব দিলেও সন্তু গ্রুপ ইউপিডিএফ নির্মুলের কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামে সংঘাতকে জিইয়ে রাখতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। রাঙামাটির বিভিন্ন জায়গায় তারা প্রকাশ্যে সশস্ত্র তৎপরতা চালালেও প্রশাসন তাদের বিরুদ্ধে কোন পদক্ষেপ গ্রহণ না করে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছে।

বিবৃতিতে তিনি অবিলম্বে সন্তোষ চাকমার হত্যাকারী ও হামলাকারী সন্তু গ্রুপের সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারপূর্বক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। এছাড়া তিনি সন্তু গ্রুপের সন্ত্রাসীদের সশস্ত্র তৎপরতা বন্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ ও তাদেরকে সহযোগিতা ও মদদদান বন্ধের জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

প্রসঙ্গত, শুক্রবার সাবেক ইউপিডিএফ সদস্য সন্তোষ চাকমা সহ তিন যুবক মোটর সাইকেল চালনা শেখার সময় উপজেলার ঘিলাছড়ি ইউনিয়নের শিয়াল্যা পাড়া যাওয়ার রাস্তার মুখ এলাকায় আগে থেকে ওঁৎ পেতে সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের গুলিতে সন্তোষ চাকমা ও জীবন কুমার চাকমা গুরুতর আহত হয়। অপরজন কোন রকমে পালিয়ে প্রাণে রক্ষা পান। স্থানীয় লোকজন গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রামে পাঠিয়ে দেয়। সেখানে একটি হাসপাতালে রাত পৌনে ১১টার দিকে সন্তোষ চাকমা মারা যায়। সন্তোষ চাকমা বুড়িঘাট ইউনিয়নের শিয়াল্যা পাড়া এলাকার তরুনী পাড়ার বাসিন্দা জ্ঞান বিকাশ চাকমার ছেলে।

এর আগে ২০০৩ সালে ১৫ মে একইভাবে ঘিলাছড়ি এলাকায় সন্তু গ্রুপের সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের ব্রাশ ফায়ারে সন্তোষ চাকমার বড় ভাই লেন্দুচান চাকমা(বিপ্লব) নিহত হয়েছিলেন। এই হত্যাকান্ডের জন্যও ইউপিডিএফ সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন জনসংহতি সমিতিকে দায়ী করে থাকে।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

বেইলি সেতু ভেঙে রাঙামাটি-বান্দরবান সড়ক যোগাযোগ বন্ধ

রাঙামাটির রাজস্থলী উপজেলায় রাঙামাটি-বান্দরবান প্রধান সড়কের সিনামা হল এলাকার বেইলি সেতু ভেঙে পাথর বোঝাই ট্রাক …

Leave a Reply