নীড় পাতা » ব্রেকিং » নীরবে বছর পার

রাঙামাটি জেলা ক্রীড়া সংস্থা

নীরবে বছর পার

২০১৯ সালের পুরো বছর জুড়েই অনেকটা নীরবেই পার করল রাঙামাটি জেলার অভিভাবক সংস্থাটি। বছরজুড়ে ছিল না কোনো বড় অজর্ন, ঠিক তেমনই মাঠেও খেলা ছিল না বললেই চলে। ফুটবল বা ক্রিকেটে সব সময় দর্শকরা যেমন মুখিয়ে থাকে তেমনই জেলা ক্রীড়া সংস্থাও চেষ্টা করে সে প্রত্যাশা পূরণে। অবশ্য ফুটবল কিংবা ক্রিকেটে কোনো ইভেন্টেই ছিল না বছরজুড়ে কোনো বড় আয়োজন। জুলাই মাসের দিকে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের অর্থায়নে ফুটবল অনুর্ধ্ব ১৬ অনুষ্ঠিত হবার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত আজানা কারণে জেলা পরিষদ মুখ ফিরিয়ে নেয় জেলা ক্রীড়ার সংস্থার কাছ থেকে। অবশ্য শেষ মুহূর্ত্বে নিরূপায় হয়ে ক্রীড়া সংস্থা নিজস্ব অর্থায়নে টুর্নামেন্ট আয়োজন করে। ফুটবলে এ ছাড়া আর কোনো আয়োজন করতে পারেনি সংস্থাটি। অন্যদিকে জেলা ফুটবল দলেও কোনো সুখবর এনে দিতে পারেনি এ বছর।

অবহেলার আরেক নাম ছিল ক্রিকেট। দীর্ঘ তিন বছর কোনো ক্রিকেট লীগ আয়োজন করতে পারেনি জেলা ক্রীড়া সংস্থা। সর্বশেষ ডিসেম্বরের শেষ দিকে ‘রিজিয়ন কাপ টি-টোয়েন্টি’ আয়োজন করে সংস্থাটি। বয়সভিত্তিক বা জেলা ক্রীকেট দল যতবারই গেছে কোনো টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করতে ততবারই লজ্জাই ডুবিয়েছে রাঙামাটিকে। বছরের শেষ মাস ডিসেম্বরে অনুর্ধ্ব ১৪ ক্রিকেট দল চার ম্যাচই বড় ব্যবধানে হেরে বিদায় জানায় পুরানো বছরকে। অন্যদিকে ব্যাডমিন্টন, টেনিস, কাবাডি, কেরাম, হ্যান্ডবল সহ অন্য কোনো ইভেন্টেই ছিল না কোনো আয়োজন! এ নিয়ে হতাশায় বছর পার করেছে জেলার ক্রীড়াপ্রেমী দর্শকরা।

হতাশার মাঝে কিছুটা সুখের খবর দিয়েছিল জুরাছড়ির উপজেলার ভুবনজয় বালিকা বিদ্যালয়। তাঁরা কাবাডিতে দেশ সেরা হয়ে মুখ উজ্জ্বল করেছিল রাঙামাটির। অন্যদিকে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের অর্থায়নে শেখ রাসেলের জন্মদিনে আয়োজন করে শেখ রাসেল নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা। অবশ্য: রাঙামাটি জেলা ক্রীড়া সংস্থার আয়োজনে কক্সবাজার আনন্দ ভ্রমণ বা পিকনিক করা এবং কার্যনির্বাহী কমিটির ব্লেজার গ্রহণ ছিল স্বাভাবিক বিষয়। জেলা ক্রীড়া সংস্থা অবশ্য বেশ মনোযোগ দিয়েছিল অর্থ সংগ্রহে। সংস্থাটি স্টেডিয়ামের ৪২টি দোকান বরাদ্দ দিয়ে আয় করে প্রায় ৬০ লাখ টাকা। পুরানো বছরের সকল কিছু ভুলে আবার মাঠ মুখরিত থাকবে, নতুন বছরজুড়ে তেমনটাই প্রত্যাশা করছেন ক্রীড়াপ্রেমী দর্শকরা।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

পাহাড়ের বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি সংরক্ষণ-বিকাশে কাজ করছে সরকার: সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী

সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এম খালিদ বলেছেন, ‘পাহাড়ের বৈচিত্রময় সংস্কৃতি সংরক্ষণ ও বিকাশে কাজ করছে সরকার। …

Leave a Reply