নীড় পাতা » বান্দরবান » নির্মাণের ১৬ দিনেই ভাঙ্গলো সিভিল সার্জন অফিসের গেইট

নির্মাণের ১৬ দিনেই ভাঙ্গলো সিভিল সার্জন অফিসের গেইট

321বান্দরবানে নির্মাণের ১৬ দিনের মাথায় সিভিল সার্জন অফিসের প্রধান ফটকে নির্মিত পাকা গেইট ভেঙ্গে পড়েছে। নির্মাণকাজে অনিয়ম-দূর্নীতি এবং সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীর অব্যবস্থাপনায় এ দূর্ঘটনা ঘটেছে দাবি স্থানীয়দের। বুধবার দুপুরে জেলা শহরে এ ঘটনা ঘটে।

গনপুর্ত বিভাগ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, গনপূর্ত বিভাগের অর্থায়নে ৪ লক্ষ টাকা ব্যয়ে বান্দরবান শহরের হাসপাতাল এলাকায় জেলা সিভিল সার্জন অফিসের সৌন্দর্য বর্ধনে প্রধান ফটকে একটি আকর্ষণীয় গেইট নির্মাণ করা হয়। কিন্তু নির্মাণকাজে অনিয়ম-দূর্নীতি এবং সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীর অব্যবস্থাপনায় নির্মিত গেইট’টি নির্মাণের মাত্র ১৬ দিনের মাথায় ভেঙ্গে পড়েছে। গেইট ধসে পড়ার খবরে জেলা শহরে তোলপাড় শুরু হয়েছে। তবে বৃষ্টির মধ্যে গেইট’টি ধসে পড়ায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি খবর পাওয়া গেছে।

এদিকে নির্মাণকাজে অনিয়ম-দূর্নীতি এবং সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীর অব্যবস্থাপনায় গনপুর্ত বিভাগের নির্মিত গেইট’টি ভেঙ্গে পড়েছে দাবী স্থানীয়দের।
অপরদিকে বুধবার রাতেও সিভিল সার্জন অফিস এলাকায় গনপূর্ত বিভাগের অর্থায়নে নির্মাণধীন আরেকটি দ্বিতল ভবনের ছাদ ঢালাই দেয়া হয়েছে রাতের আধাঁরে। সংশ্লিষ্ট বিভাগের অব্যবস্থাপনায় এবং প্রকৌশলীর সহযোগীতায় নির্মাণকাজে অনিয়ম দূর্ণীতির ঘটনাগুলো ঘটছে অভিযোগ স্থানীয় ঠিকাদারদের।

নির্মাণ কাজের ঠিকাদার মোহাম্মদ ফারুক বলেন, শ্রমিকের অবহেলায় নির্মিত গেইট’টি ভেঙ্গে পড়েছে। কাজের গুনগতমান খারাপ ছিলনা। কোনো অনিয়ম-দূর্নীতি করা হয়নি নির্মাণ কাজে। গনপুর্ত বিভাগের অর্থায়নে রোয়াংছড়ি উপজেলায় ১ কোটি ৩৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ফায়ার সার্ভিস স্টেশন দু’তলা ভবনের নির্মাণ কাজও আমি করছি। এদিকে গেইট ভেঙ্গে পড়ার বিষয়ে কথা বলতে জেলা গনপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী এম.এ মনিমের মোবাইলফোনে একাধিকবার কল করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

তবে নির্মাণকাজের দায়িত্বশীল গনপূর্ত বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো: ইলিয়াছ শাহ জানান, আমার (নির্মাণ কাজের দায়িত্বশীল প্রকৌশলীর) অনুপস্থিতিতে গেইটের ছাদ ঢালাই দেয়া হয়েছিল। ছাদে লোহার পরিমাণ কম দেয়া’সহ নির্মাণকাজে ত্রুটির বিষয়টি আগেই ধরা পড়েছিল। কিন্তু নির্মিত গেইটের সেন্টারিং কাঠ সরানোর সময় নির্মিত গেইট’টি সম্পূর্ন ভেঙ্গে পড়েছে। তবে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

প্রধান শিক্ষক নেই ৫৮ স্কুলে, সহকারী শিক্ষকের পদ শূন্য ৮৮টি

শিক্ষক সংকটে ব্যাহত হচ্ছে পার্বত্য জনপদ বান্দরবানের প্রাথমিক শিক্ষা। জেলার সাতটি উপজেলায় ৫৮টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের …

One comment

  1. ঠিকাদার নিশ্চয়…… দলীয় প্রভাবশালী ব্যক্তি?????

Leave a Reply

%d bloggers like this: