নীড় পাতা » ব্রেকিং » নিরাপদ খাদ্য প্রদানে রেস্তোরাঁ মালিকদের নানান উদ্যোগ

প্রশাসনের কাছে সময় চেয়েছেন দু’মাস

নিরাপদ খাদ্য প্রদানে রেস্তোরাঁ মালিকদের নানান উদ্যোগ

রাঙামাটিতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন রেস্তোরাঁয় উপর্যুপরি অভিযানের প্রেক্ষিতে রাঙামাটি রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। মঙ্গলবার বনরূপার এক অভিজাত রেস্তোরাঁয় এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

তাইপিং রেস্তোরাঁর মালিক ও রাঙামাটি রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির সভাপতি শামীম খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন রেইনবো মালিক জাহাঙ্গির আলম মুন্না, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ও গ্রীনভ্যালি রেস্তোরাঁ মালিক নেকাব্বর আলী, মাস্টার সেফ রেস্তোরাঁর কর্ণধার সাইফুল ইসলাম, জিয়া ফুডস রেস্তোরাঁর মালিক জসিম উদ্দিন, কামালিয়া ভাতঘর মালিক নাজিম উদ্দিন, বনফুল রেস্তোরাঁর মালিক আলহাজ্ব আক্তার হোসেনসহ বিভিন্ন রেস্তোরাঁ ও খাদ্যদ্রব্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের মালিকগণ।

বক্তারা বলেন, সম্প্রতি সরকার ভোক্তা অধিকার রক্ষার জন্য নতুন আইন প্রণয়ন করেছে। খাদ্য নিরাপদ করতে কাজ করে যাচ্ছে সরকার। আমরাও চাই মানুষকে নিরাপদ খাদ্য সরবরাহ করতে। আমরা মনে করি ব্যবসার পাশাপাশি আমরা একটা পবিত্র দায়িত্ব পালন করছি। একজন ব্যবসায়ী কখনই চায় না কোনও নি¤œমানের খাবার সরবরাহ করতে। আমাদের অনেক সীমাবদ্ধতার মাঝেও প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে।

বক্তারা আরও বলেন, বেশ কিছুদিন ধরে নিরাপদ খাদ্য অধিদপ্তর অভিযান পরিচালনা করেছে, এতে কয়েক জন মালিক জরিমানা প্রদান করেছেন। তাই যাতে আগামীতে আর কোন মালিককে জরিমানা করতে না পারে সেজন্য আমাদের সচেতন হতে হবে। মানসম্মত খাদ্য পরিবেশনের জন্য যা যা করা প্রয়োজন আমরা তা করবো।

বক্তারা বলেন, আমাদের কিছু দিন সময় দিয়েছেন তবে একটু সময় দিতে হবে, প্রশাসনের কাজে দাবি জানাচ্ছি আপনারা আমাদের কয়েক মাস সময় দিন। এর মধ্যেই আমার শহরে সকল রেস্তোরাঁকে আমাদের প্রদত্ত মানে নিয়ে আসতে পারবো। আর যদি তা না পারি তবে তখন আপনারা যে রায় দেবেন তা আমরা মাথা পেতে নিব। সভায় সিদ্ধান্ত হয়, সকল রেস্তোরাঁর বয়গণ নির্ধারিত পোশাক ও মাথায় ক্যাপ পরিধান করবে, বাবুর্চি, মেট ও কারিগরগণ এপ্রোন পরে কাজ করবেন।

সর্বোপরি, রেস্তোরাঁ মালিক ও বিভিন্ন বিভাগের কারিগরদের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে মানসম্মত খাদ্য প্রস্তুত করার জন্য সচেতন করে তোলা হবে। এই প্রশিক্ষণে, নিরাপদ খাদ্য অধিদপ্তরের প্রতিনিধির মাধ্যমে প্রশিক্ষণ দেয়া হবে, এবং উক্ত অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক, সিভিল সার্জন সেনাটারি ইন্সপেক্টরসহ লাইন ডিপার্টমেন্টের সকল কর্মকর্তাগণকে উপস্থিত রাখা হবে।

সভায় বক্তারা আরও বলেন, ঐক্য এবং সচেতনতায় পারে আমাদের এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ ঘটাতে। আমরা স্ব উদ্যোগে রমজান মাসে যেমন মানসম্মত ইফতার সরবরাহ করতে পেরেছি, কোনও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করতে হয়নি, তেমনি এখন আমাদের মাস দুয়েক সময় দেয় তবে আমরা বিশ্বাস করি সফলভাবেই আমরা খাবারের মান, পরিবেশসহ সকল আনুষাঙ্গিক বিষয় সঠিকভাবে পালন করতে পারবো, এবং রাঙামাটিই হতে পারবে দেশের প্রথম নিরাপদ খাদ্য সরবরাহকারী জেলা। পার্বত্য অঞ্চল একটি পিছিয়ে পড়া অঞ্চল হিসাবে প্রশাসনের সর্বাত্মক সহযোগিতা কমনা করেন রেস্তোরাঁর মালিকগণ।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

প্রেমিকের সঙ্গে বিয়েতে পরিবারের অসম্মতি, অতপর…

বান্দরবানের আলীকদম উপজেলায় মুবিনা আক্তার নয়ন (১৬) নামের এক তরুনী গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছে …

Leave a Reply