নীড় পাতা » ব্রেকিং » নানিয়ারচরে ‘নিহতের’ মরদেহ খুঁজে পায়নি পুলিশ!

নানিয়ারচরে ‘নিহতের’ মরদেহ খুঁজে পায়নি পুলিশ!

রাঙামাটির নানিয়ারচর উপজেলার দুর্গম এলাকায় ‘প্রতিপক্ষের গুলিতে’ রাজনৈতিক দলের এক কর্মী নিহতের খবর পাওয়া গেলেও কোনো মরদেহ কিংবা আলামত খুঁজে পায়নি পুলিশ।

বুধবার সন্ধ্যায় নানিয়ারচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন জানান, “আমরা সকালে একজন নিহতের খবর পাই। পরে পুলিশ-সেনাবাহিনীসহ সাবেক্ষ্যং ইউনিয়নের বড়পুল পাড়া, এগারোল্যা ছড়াসহ এর আশেপাশে অনেক খোঁজাখুজি করেও কারো মরদেহ কিংবা কোনো আলামত পাইনি। আমরা এলাকাবাসীর সাথে কথা বলার চেষ্টা করেছি, কিন্তু কেউ মুখ খুলছেন না। তাই সন্ধ্যার দিকে থানায় ফিরে এসেছি।”

এর আগে সকালে জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার (ডিএসবি) কর্মকর্তা একে নজিবুল ইসলাম জানিয়েছিলেন, “ভোররাতে উপজেলার এগারোল্যা ছড়ায় ইউপিডিএফ মূলদলের একজনকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনাস্থল দুর্গম এলাকা থানা থেকে প্রায় ৩০-৩৫ কিলোটিমার দূরের পথ এবং নেটওয়ার্কবিহীন এলাকা।”

এ বিষয়ে জানতে সাবেক্ষ্যং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সুপন চাকমার মুঠোফোনে একাধিবার চেষ্টা করেও কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ইউপিডিএফ মুখপাত্র ও গণতান্ত্রিক যুব ফোরামের কেন্দ্রীয় সভাপতি অংগ্য মারমা জানান, “নানিয়ারচরে কেউ নিহত হয়েছেন কিনা আমরা নিশ্চিত নই। আমি মনে করি, সাধারণ মানুষের পক্ষ থেকে পার্বত্য চট্টগ্রামে ভ্রাতৃঘাতি সংঘাত বন্ধের যে জোরালে আন্দোলন গড়ে ওঠেছে, মূলত: সেই আন্দোলনকে ধামাচাপা দিতে এটা একটি মহলের অপপ্রচার। আর এসবে ইউপিডিএফকে উদ্দেশ্যমূলকভাবে জড়িত করা হচ্ছে।”

উল্লেখ্য, গত সোমবার (১ ডিসেম্বর) রাঙামাটি সদর উপজেলার মগবান ইউনিয়নের আওলাদ বাজারে বিক্রম চাকমা নামে সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন জনসংহতি সমিতির (জেএসএস) এক নেতাকে গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় জনসংহতি সমিতি (এমএন লারমা) দায়ী করেছে সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন জনসংহতি সমিতির (জেএসএস)। তবে এমএন লারমা অভিযোগ অস্বীকার করেছিলো।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

নানিয়ারচর সেতু : এক সেতুতেই দুর্গমতা ঘুচছে তিন উপজেলার

কাপ্তাই হ্রদ সৃষ্টির ৬০ বছর পর এক নানিয়ারচর সেতুতেই স্বপ্ন বুনছে রাঙামাটি জেলার দুর্গম তিন …

Leave a Reply