নীড় পাতা » ব্রেকিং » নানিয়ারচরে তিন ইউপিডিএফ কর্মী আটক

নানিয়ারচরে তিন ইউপিডিএফ কর্মী আটক

সংরক্ষিত এলাকায় প্রবেশ করে সেনাবাহিনীর সদস্যদের উপর হামলার চেষ্টাকালে তিন ইউপিডিএফ কর্মীকে আটক করেছে যৌথবাহিনী। আটককৃতরা হলেন পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ নানিয়ারচর উপজেলা কমিটির সভাপতি জয়ন্ত চাকমা (২৪), সুশান্ত চাকমা (৩১), শংকর চাকমা (৩২) নামের তিনজন আটক করে যৌথবাহিনীর সদস্যরা।
আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভিত্তিহীন অভিযোগ এনে সোমবার সকালে নানিয়ারচর উপজেলায় সেনাবাহিনীর নিরাপত্তা বেষ্টনীতে মিছিল নিয়ে প্রবেশ করে সেনাসদস্যদের উপর হামলার চেষ্টা করে ইউপিডিএফ এর সমর্থকরা। এসময় তিনজনকে আটক করা হয়েছে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে ইউপিডিএফ এর মুখমাত্র মাইকেল চাকমা বলেন, রাঙামাটির লংগদু এলাকায় সেনাবাহিনী কর্তৃক গত ১৭ মে একটি বৌদ্ধ ধর্মীয় কুটিরে দরজা ভেঙ্গে জুতা-টুপি-অস্ত্রসহ প্রবেশ ও ভাংচুরের অভিযোগে সাধারণ জনগন প্রতিবাদের সময় সাধারণ বৌদ্ধ ধর্মালম্বীদের মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিরাপত্তাবাহিনী। এসময় নারী পুরুষ শিশুসহ অসংখ্য মানুষ আহত হয়েছে। মিছিল থেকে নানিয়ারচর উপজেলা শাখার পিসিপি’র সভাপতি জয়ন্ত চাকমাসহ কয়েকজনকে ধরে নিয়ে গেছে।
রাঙামাটির পুলিশ সুপার সাঈদ তারিকুল হাসান জানিয়েছেন, সরকারি কাজে বাধা ও বে-আইনী সমাবেশ থেকে তিনজনে আটক করা হয়েছে। মামলার প্রস্তুতি চলছে।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

শক্তিমান চাকমা হত্যা মামলার আসামি বন্দুকযুদ্ধে নিহত

রাঙামাটিতে নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নানিয়ারচর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট শক্তিমান চাকমা হত্যা মামলার আসামি অর্পন …

2 comments

  1. ৯০ দিনের মধ্যে রাজাকার ত্রিদিব
    রায়ের নাম সকল স্থাপনা
    থেকে মুছে ফেলতে
    হাইকোর্ট থেকে নির্দেশ
    &&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&&

    বাংলাদেশের
    স্বাধীনতাবিরোধী,
    মুক্তিযুদ্ধবিরোধী
    প্রয়াত
    চাকমা
    রাজা
    ত্রিদিব
    রায়ের
    নাম
    পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের সকল স্থাপনা থেকে মুছে
    ফেলার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
    সোমবার বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও
    বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহর সমন্বয়ে গঠিত
    হাইকোর্ট বেঞ্চে এই আদেশ দেন।
    একই সঙ্গে ত্রিদিব রায়ের নাম মুছে ফেলার নির্দেশ
    কেন দেয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি
    করেছেন আদালত। আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে
    মুক্তিযোদ্ধা সচিব, এলজিআরডি সচিব, শিক্ষা
    সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের উক্ত রুলের জবাব দিতে বলা
    হয়েছে।
    পৃথক রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে সোমবার
    হাইকোর্টের বিচারপতি কাজি রেজা-উল হক ও
    মোহাম্মদ উল্লাহ’র সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই আদেশ
    দেন। আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন শরীফ
    আহমেদ এবং রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি
    জেনারেল তাপস কুমার বিশ্বাস।
    আইনজীবীরা জানান, খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামটিসহ
    সারাদেশের স্থাপনা থেকে স্বাধীনতা বিরোধী
    হিসেবে পরিচিত চাকমা রাজা ত্রিদিব রায়ের নাম
    ৯০ দিনের মধ্যে অপসারণের নির্দেশ দিয়েছেন
    হাইকোর্ট।
    এর আগে হাইকোর্টে পৃথক দুটি রিট আবেদন করেন
    রাঙ্গামাটির বাসিন্দা বদিউজ্জামান সওদাগর ও
    খাগড়াছড়ির হেলাল উদ্দিন। রিট আবেদনে
    মুক্তিযোদ্ধা সচিব, এলজিআরডি সচিব, শিক্ষা
    সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়েছে।
    ওই আবেদনের শুনানি নিয়ে আদালত ৯০ দিনের মধ্যে
    সকল স্থাপনা থেকে ত্রিদিব রায়ের নাম অপসারণের
    নির্দেশ দেন।
    রিট আবেদনে বর্তমান চাকমা রাজা ব্যারিস্টার
    দেবাশীষ রায়ের বাবা ওই অঞ্চলের ৫০তম চাকমা
    রাজা ত্রিদিব রায়কে ১৯৭১ সালে পাকিস্তানিদের
    সহযোগী উল্লেখ করে বলা হয়, তার নামে রোড,
    মার্কেট, বিল্ডিং, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ অন্যান্য
    স্থাপনা রয়েছে। এসব স্থাপনা থেকে তার নাম
    অপসারণ করতে হবে।
    রাজা ত্রিদিব রায়ের নাম ১৯৭২ সালের দালাল
    আইনে অভিযুক্তদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ৭৯
    বছর বয়সে ২০১২ সালের ১২ সেপ্টেম্বর মারা যাওয়া
    আগে তিনি পাকিস্তানেই ছিলেন।
    উল্লেখ্য, চাকমাদের ৫০তম রাজা ত্রিদিব রায়-এর
    নাম ১৯৭২ সালের দালাল আইনে অভিযুক্তদের
    তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। তিনি সেই অভিযোগ
    মোকাবেলা করার জন্য কখনো বাংলাদেশে ফিরে
    আসেননি।
    ১৯৫৩ সালের ২ মে থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত তিনি
    রাজা ছিলেন। পাকিস্তানে তিনি একজন লেখক,
    কূটনৈতিক, বৌদ্ধ ধর্মীয় নেতা ও রাজনীতিবিদ
    হিসেবে পরিচিত। ১৯৮১ থেকে ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত
    তিনি আর্জেন্টিনায় পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত
    হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

  2. ত্রিবিব রায়ের সকল স্থাপনা মুছলেই হবে না, তার পুত্র দেবাসীষ রায়ের দেশ বিরোধী সকল অপকর্মও বন্ধ করতে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে হবে।
    তাছাড়া আমরাতো আর ব্রিটিশ শাষন আমলে বসবাস করছি না। আমরা বসবাস করছি স্বাধীন, স্বার্বভৌম, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র বাংলাদেশে।
    সুতরাং রাষ্ট্রের এক সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালিত হবে। সেই মতে পাহাড় বসবাস করতে রাজাকার পুত্রকে কেন খাজনা দিব? পাহাড় হতে তিন সার্কেল বিলুপ্ত করে রাষ্ট্রের গণতন্ত্রের মর্যাদা রক্ষা করা সরকারের মৌলিক দায়িত্ব ও কর্তব্য।

    যতোদিন না পর্যন্ত ব্রিটিশদের শোষন নীতি বাতিল করা হবে ততদিন পার্বত্য চট্টগ্রাম বৈদেশিক অপশক্তি মুক্ত হবে না। মুছবে না পাহাড় হতে রাজাকারের অস্তিত্ব্য।

    কার্টেসিঃ- আবু উবাইদা

Leave a Reply

%d bloggers like this: