নীড় পাতা » খাগড়াছড়ি » নানা আয়োজনে এমএন লারমাকে স্মরণ

নানা আয়োজনে এমএন লারমাকে স্মরণ

khagrachari-pic-2খাগড়াছড়িতে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে পালিত হচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রামের ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীর অধিকার আদায় আন্দোলনের পুরোধা ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মানবেন্দ্র নারায়ন লারমা ওরফে এমএন লারমা ৩১ তম মৃত্যু বার্ষিকী।

দিবসটি উপলক্ষে সোমবার সকালে খাগড়াছড়িতে জেএসএস(এমএন লারমা) গ্রুপের উদ্যোগে কালো ব্যাজ ধারণ করে শোক র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালীটি শহরের গুরুত্বপূর্ন সড়ক প্রদক্ষিন করে চেঙ্গী স্কোয়ারে এসে শেষ হয়। পরে মানবেন্দ্র নারায়ন লারমার স্মৃতি ভাস্কর্য্যে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ ও স্মরণ সভার আয়োজন করা হয়।

স্বরণ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্যে রাখেন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির(এমএন) গ্রুপের সভাপতি সুধাসিন্দু খীসা। এসময় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় নেতা বিভূভোষন চাকমা, রবি শংকর তালুকদার ও কেন্দ্রীয় মহিলা সমিতির সভানেত্রী কাকলি খীসা প্রমুখ।

দিনটি উপলক্ষে দুপুরে শিশুদের চিত্রাকংন প্রতিযোগিতা,সন্ধ্যায় মোমবাতি প্রজ্জলন ও ফানুস উড়ানোর কর্মসূচী রয়েছে।

উল্লেখ,১৯৮৩ সালের এই দিনে আভ্যন্তরীন কোন্দলের জের ধরে আট সহযোদ্ধাসহ নিহত হন মানবেন্দ্র নারায়ন লারমা ওরফে মঞ্জু(এমএন লারমা)। সে থেকে প্রতি বছর দিনটি পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি জনগণ জাতীয় শোক দিবস হিসেবে পালন করে আসছে। মানবেন্দ্র নারায়ন ওরফে মঞ্জু (এমএন লারমা)ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর নির্বাচিত প্রথম সংসদ সদস্য। পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য ১৯৭২ সালের ৭ মার্চ তাঁর নেতৃত্বে রাঙ্গামাটিতে গঠিত হয় পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি। পরবর্তীতে ১৯৭৩ সালের ৭ জানুয়ারী খাগড়াছড়ির ইটছড়িতে গঠিত হয় পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির সশস্ত্র সংগঠন ‘শান্তি বাহিনী’। যার পরিসমাপ্তি ঘটে ১৯৯৭ সালের ২রা ডিসেম্বর সরকারের সাথে চুক্তি স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

কাপ্তাইয়ে করোনা সংক্রমণ কমছে

প্রশাসনের কঠোর নজরদারি এবং থানা পুলিশের তৎপরতায় রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে করোনা সংক্রমন হার কমছে। কাপ্তাই উপজেলা …

Leave a Reply