নীড় পাতা » পাহাড়ের সংবাদ » নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে ৩৯ মাইন উদ্ধার

নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে ৩৯ মাইন উদ্ধার

Bandarban-Mayin-Picবিজিবি অভিযানে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে মায়ানমার সীমান্ত থেকে ৩৯টি মাইন উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার সকাল থেকে রাত পর্যন্ত জেলার বাংলাদেশ-মায়ানমার সীমান্তের ৪২ থেকে ৪৬ নাম্বার সীমান্ত পিলার পর্যন্ত বিভিন্নস্থানে তল্লাসী বিশেষ অভিযান চালিয়ে বিজিবি স্পেশাল টিম মাইনগুলো উদ্ধার করেছে বলে জানিয়েছেন বিজিবি ৩১ ব্যাটেলিয়নের অধিনায়ক লে: কর্নেল শফিকুর রহমান।
বিজিবি সূত্র জানায়, ১৯৯০ দশক থেকে বাংলাদেশ-মায়ানমার সীমান্তের নো ম্যান্স ল্যান্ডে মাইন স্থাপন শুরু করে মায়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনী লুনপিন। ইন্টারন্যাশনাল ক্যাম্পেইন টু ল্যান্ড মাইনসের (আইসিবিএলএম) তথ্যমতে ২০০১ থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত মায়ানমারের স্থাপন করা ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরনে বাংলাদেশ ও মায়ানমারের প্রায় ৬৪ জন নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন। আহত হয়েছেন আরো শতাধিক দুদেশের নাগরিক। মাটির নীচে স্থাপিত ভূমি মাইন ভূমিক্ষয়ের কারণে অন্যত্র সরে গিয়ে আরো বেশি বিপজ্জনক হয়ে উঠে। বিপদজনক মাইনগুলো বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষীরা সরিয়ে নেয়।
বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, বান্দরবান জেলার সঙ্গে মায়ানমারের ১৮৫ কিলোমিটার সীমান্ত এলাকা রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে নাইক্ষ্যংছড়ির দোছড়ি-আশারতলী সীমান্ত থেকে আরো ৭টি ভূমি মাইন উদ্ধার করে বিজিবি। আষাঢ়তলী ইউপি মেম্বার নুর হোসেনসহ স্থানীয়রা জানান, সীমান্ত অঞ্চলের মানুষেরা গাছ কেটে ও কৃষি কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে। কিন্তু সীমান্তের মানুষেরা লুনপিন বাহিনীর স্থাপিত মাইন বিস্ফোরণের ভয়ে আতঙ্কে দিন কাটাতে হয়।
এ ব্যাপারে নাইক্ষ্যংছড়ি ৩১ বিজিবি ব্যাটেলিয়নের অধিনায়ক লে: কর্ণেল শফিকুর রহমান জানান, সীমান্তে অভিযান চালিয়ে ছোট-বড় ৩৯টি মাইন (আইডি) উদ্ধার করা হয়েছে। মায়ানমার সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সঙ্গে পতাকা বৈঠকে সীমান্তে মাইন স্থাপনের বিষয়ে প্রতিবাদ জানানো হবে বলেও জানান তিনি।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

রাঙামাটিতে করোনায় আরও এক নারীর মৃত্যু

রাঙামাটি শহরে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার ভোররাতে শহরের চম্পকনগর আইসোলেশন …

Leave a Reply