নীড় পাতা » পাহাড়ের অর্থনীতি » দুরের ফারুয়ায়ও তামাকের আগ্রাসন

দুরের ফারুয়ায়ও তামাকের আগ্রাসন

tamak-Coverবিলাইছড়ি উপজেলার দুর্গম এলাকা ফারুয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে তামাকচাষের রঙিন স্বপ্নের হাতছানি আর প্রলোভনে পড়েছেন স্থানীয় দরিদ্র চাষীরা। ফারুয়ার এগুজ্যাছড়ি, তক্তানালা ও ওড়াছড়ি এলাকায় বিস্তির্ণ এলাকাজুড়ে শুরু হয়েছে ক্ষতিকর তামাকচাষ ।

তামাক উৎপাদনকারী অঞ্চলগুলোর জনগণের কাছে সরকারী ও বেসরকারী সংস্থাসমূহের জনসচেতনমূলক কার্যক্রমের কারণে যখন তামাকের চাষ কমছে,সেই সময় বেনিয়া টোবাকো কোম্পানীগুলো এখন পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম এলাকাগুলোতে তামাকচাষ করতে ঢুকে পড়েছে এবং তামাকচাষে বেশি লাভের প্রলোভন দেখিয়ে দরিদ্র কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করছে। এজন্য দিচ্ছে বিশেষ ঋণ সুবিধাও।

আর পাহাড়ের সরলপ্রান কৃষকরা তামাকের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে ভালোভাবে অবহিত না থাকায় কেবল সামান্য লাভের আশায় কোম্পানীগুলোর অসৎ উদ্দেশ্যকে সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছে।

এ বিষয়ে বিলাইছড়ি উপজেলা ভাইসচেয়ারম্যান অমর কুমার তঞ্চঙ্গ্য বলেন, বলতে গেলে সর্ব প্রথম বিলাইছড়িতে আমিই তামাকচাষ শুরু করেছি। পরবর্তীতে তামাকচাষে প্রশাসনিক নিষেধাজ্ঞা আসায় আমি প্রায় ২ বছর আগে তামাক চাষ বন্ধ করে দিয়েছি। কিন্তু প্রশাসনিক নিষেধাজ্ঞাকে তোয়াক্কা না করে অনেকে এখনও এ তামাক চাষে লিপ্ত রয়েছেন। এতে সম্ভাবনাময় কৃষিপণ্য উৎপাদনযোগ্য সমতলভূমিগুলো হুমকির মধ্যে পড়েছে,ফসলি জমিগুলো নষ্ট হচ্ছে। এছাড়া পরিবেশের উপর বিরূপ প্রভাব তো পড়ছেই।

বিলাইছড়ি উপজেলা কৃষি অফিসার সুদর্শন সিকদার বলেন, তামাকচাষে সরকারি নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। কিন্তু এ নিষেধাজ্ঞাকে তোয়াক্কা না করে ফারুয়ার বিভিন্ন এলাকায় অনেকে তামাক চাষ করে যাচ্ছেন। এ বছর আনুমানিক ৫ হেক্টর জায়গায় জুড়ে ফারুয়ায় তামাক চাষের রিপোর্ট পাওয়া গেছে, যা আমরা সংশ্লিষ্ট দপ্তরে প্রতিবেদন জমা দিয়েছি।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

বেইলি সেতু ভেঙে রাঙামাটি-বান্দরবান সড়ক যোগাযোগ বন্ধ

রাঙামাটির রাজস্থলী উপজেলায় রাঙামাটি-বান্দরবান প্রধান সড়কের সিনামা হল এলাকার বেইলি সেতু ভেঙে পাথর বোঝাই ট্রাক …

Leave a Reply