নীড় পাতা » খাগড়াছড়ি » দীঘিনালা বনবিহারে কঠিন চীবর দানোৎসব

দীঘিনালা বনবিহারে কঠিন চীবর দানোৎসব

dighinala-pic-1‘ভগবান গৌতম বুদ্ধের নির্দেশনা মোতাবেক নির্বাণ লাভ করতে হলে বৌদ্ধ ধর্মালম্বী সবাইকে ইহকালের সকল প্রকার লোভ লালসা পরিহার করে ত্যাগের মহিমায় ধর্মপরায়ন হতে হবে’। দীঘিনালা বনবিহারে দুই দিন ব্যাপি দানোত্তম কঠিন চীবর দানোৎসবের শেষ দিন সোমবার এক ধর্মীয় সভায় কথাগুলো বলেছেন প্রয়াত সাধনানন্দ মহাস্থবির বনভান্তের প্রধান শিষ্য শ্রীমৎ নন্দপাল মহাস্থবির।

সহ¯্র পূণ্যার্থী ভক্তদের উদ্দেশ্যে তিনি আরো বলেন, ত্যাগের মহিমা ও অহিংস মননশীলতা মানুষকে পাপমুক্ত রাখে; শান্তি ও সম্প্রীতি উন্নয়নে প্রেরনা যোগায় এবং এ অঞ্চলের মানুষ নিঃসন্দেহে পুণ্যবান আর পুণ্যবান বলেই পরম শ্রদ্ধেয় বনভান্তের মত মহামানব এ অঞ্চলে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন। তিনি আরও বলেন, পাপী জগতে আঁধার মনকে আলোকিত করতে হলে একাগ্রচিত্তে ধর্মীয় নিয়মনীতি অনুসরণ করতে হবে। ধর্মসভায় আগতরা নিজেকে পাপমুক্ত করে পুণ্যের আশায় চীবরদান, অষ্টপরিষ্কারদান ও সংঘদানসহ পঞ্চশীল প্রার্থনা করেন। ধর্মীয় অনুষ্ঠানে খাগড়াছড়ির সংসদ সদস্য কুজেন্দ্রলাল ত্রিপুরাসহ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

সভাস্থলে জাতিধর্ম নির্বিশেষে সব ধর্মাবলম্বী মানুষের উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়। ঐতিহ্যবাহী এই ধর্মীয় উৎসবকে ঘিরে বন বিহার প্রাঙ্গণ পরিণত হয়েছিল মানষের মিলন মেলায়। ক্ষণিকের জন্য হলেও এই উৎসব বয়ে এনেছিল পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ববোধ ও সম্প্রীতি। রবিবার সন্ধ্যায় হাজার বাতি প্রজ্জ্বলন ও ফানুস উত্তোলনের মাধ্যমে দুই দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের সূচনা করা হয়েছিল।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

রাঙামাটিতে এক দিনেই ১১ জনের করোনা শনাক্ত

শীতের আবহে হঠাৎ করেই পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙামাটি জেলায় করোনা সংক্রমণে উল্লম্ফন দেখা দিয়েছে। বিগত কয়েকদিনের …

Leave a Reply