নীড় পাতা » পাহাড়ের সংবাদ » দিলদার হোসেন’র সাক্ষাৎকার

দিলদার হোসেন’র সাক্ষাৎকার

Dildar-coverদিলদার হোসেন, কাপ্তাই উপজেলা পরিষদের চতুর্থ চেয়ারম্যান। জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সাথে জড়িত এই তরুণ চেয়ারম্যান গত ২৭ মার্চ কাপ্তাই উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। গত এক মাস দায়িত্ব পালনের পর কেমন চালাচ্ছেন পরিষদ, স্বপ্ন কি এবং কাপ্তাই উপজেলাকে কিভাবে দেখতে চান এসব প্রশ্ন নিয়ে পাহাড় টোয়েন্টিফোরডটকম এর মুখোমুখি হন এই তরুণ নেতা।
আইনশৃঙ্খলা উন্নয়নের পূর্বশর্ত হলো সম্প্রীতির বন্ধন দৃঢ় করা। সম্প্রীতির বন্ধন দৃঢ় না হলে এলাকার উন্নয়ন সম্ভব নয়। তাই উপজেলা পরিষদের দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই সম্প্রীতির বন্ধন দৃঢ় করার ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করে চেয়ারম্যান বলেন, সম্প্রীতি শুধুমাত্র ধর্মে নয়, সেটা মানুষে হোক, সমাজে হোক, যেকোনো পর্যায়ে হোক না কেন তা রক্ষার ব্যাপারে কাজ করে যাবো। DSCN8840

তিনি বলেন, নির্বাচনের পূর্বে আমি সকলকে বলেছিলাম তৃণমূল প্রতিনিধিদের সহযোগিতায় আমি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা গ্রহণ করে উপজেলার উন্নয়নে কাজ করে যাবো। দায়িত্ব নেওয়ার প্রথম দুই সভায় আমি তা করতে না পারলেও ৩য় মাসিক সভায় ধর্মীয়, শ্রমিক, শিক্ষক, কৃষক, জেলেসহ অন্যান্য কমিউনিটির প্রতিনিধিদের নিয়ে মতামত গ্রহণ করে উপজেলার উন্নয়নে কাজ করে যাবো।
দিলদার বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই প্রতিদিন উপজেলা পরিষদে প্রচুর লোক তাদের সমস্যা নিয়ে আসে। আমি আন্তরিকতার সাথে তাদেরকে সন্তুষ্টি প্রদানের চেষ্টা করি।
সরকার এখনো চেয়ারম্যান, ভাইস-চেয়ারম্যানদের স্ট্যাস্টাস(মর্যাদা) নির্দিষ্ট করে দিচ্ছে না অভিযোগ করে দিলদার হোসেন বলেন, উপজেলা পরিষদ নির্বাচন হলেও উপজেলা পরিষদের আইন প্রয়োগ করা হচ্ছে না। উপজেলা পরিষদকে পুরোপুরি কার্যকর করা হচ্ছে না। সামাজিকভাবে থোক বরাদ্দ দেওয়া হলেও এখন তা রাজনীতিককরণ করা হচ্ছে।DSCN8845
কাপ্তাই উপজেলাকে পর্যটন শহর হিসাবে গড়ে তোলার জন্য বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন বলে জানিয়ে তিনি বলেন, এ খাতের উন্নয়নে আমি বিশেষভাবে কাজ করে যাবো। তিনি বলেন, কাপ্তাই পর্যটন সমৃদ্ধ হলে রাঙামাটিও পর্যটন খাতে সমৃদ্ধ হবে। কারণ হিসেবে তিনি বলেন, বাইরে থেকে কোনো পর্যটক আসলে শুধুমাত্র রাঙামাটিকে দেখার জন্য তাঁরা আসে না। সাথে সাথে তাঁরা কাপ্তাইও ঘুরে যেতে চান। কাপ্তাইও পর্যটন খাতে শক্তিশালী হলে রাঙামাটির পর্যটন খাতও শক্তিশালী হবে। এজন্য তিনি কাপ্তাইয়ে বেসরকারি বিনিয়োগকে স্বাগত জানাবেন। যারা এখানে বিনিয়োগ করবে তাদেরকে প্রশাসন থেকে সব দিক থেকে সহযোগিতা করা হবে বলে জানান তিনি ।
চেয়ারম্যান বলেন, তবে দায়িত্ব গ্রহণের পূর্বে এবং পরে স্বপ্ন ও বাস্তবতা ফারাক অনেক। স্থানীয় প্রতিষ্ঠানসমূহ শক্তিশালী না হলে রাষ্ট্র শক্তিশালী হবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকার আন্তরিক না হলে যে বাস্তবতা নিয়ে দায়িত্ব নিয়েছি তা পূরণ সম্ভব হবে না। তিনি বলেন, আমি আশাবাদী মানুষ। আশা করছি সরকার আন্তরিক হবে। সরকার স্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ে দলীয়করণ করবে না। সবশেষে তিনি উপজেলার উন্নয়নে জনগণকে একটু ধৈর্য্য ধরার পরামর্শ দেন।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

কারাতে ফেডারেশনের ব্ল্যাক বেল্ট প্রাপ্তদের সংবর্ধনা

বাংলাদেশ কারাতে ফেডারেশন হতে ২০২১ সালে ব্ল্যাক বেল্ট বিজয়ী রাঙামাটির কারাতে খেলোয়াড়দের সংবধর্না দিয়েছে রাঙামাটি …

Leave a Reply