নীড় পাতা » ব্রেকিং » ত্রাণ নিয়ে খেটে খাওয়া মানুষের ঘরে জেলা প্রশাসক

ত্রাণ নিয়ে খেটে খাওয়া মানুষের ঘরে জেলা প্রশাসক

রোববার সকাল থেকেই জেলা শহরের দুটি এলাকায় নিম্নআয়ের মানুষের ঘরে গিয়ে ত্রাণ সহায়তা দিয়ে আসছেন রাঙামাটির জেলা প্রশাসক একেএম মামুনুর রশিদ। নভেল করোনাভাইরাস প্রভাবে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে জেলা শহরের কাঁঠালতলী ও রসুলপুর এলাকার ঘরবন্দি দুই শতাধিক পরিবারের মাঝে নিত্যপ্রয়োজনীয় এসব ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছে দেন তিনি।

এসময় জেলা প্রশাসকের সঙ্গে ছিলেন, জেলা প্রশাসনের নেজারত ডেপুটি কালেক্টর (এনডিসি) উত্তম কুমার দাশ, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পল্বব হোম দাশ ও রাঙামাটি পৌরসভার প্যানেল মেয়র মো. জামাল উদ্দিনসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা।

এ প্রসঙ্গে জেলা প্রশাসক একেএম মামুনুর রশিদ জানিয়েছেন, খেটে-খাওয়া নিম্নআয়ের শ্রমজীবী মানুষেরা করোনাভাইরাসের কারণে কর্মহীন হয়ে পড়েছে। তাই তাদের তালিকা করে ঘরে ঘরে নিত্যপ্রয়োজনীয় ও খাদ্য সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। যাতে খাবারের খোঁজে তাদের ঘর থেকে বের হতে না হয়। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষকে কনোরাভাইরাস সংক্রান্ত সচেতন করা হচ্ছে। সবাই যেন ‘সামাজিক দূরত্ব’ বজায় রেখে চলাচল করে এবং বিনা প্রয়োজনে কেউ ঘর থেকে বাহির না হয়।

জেলা প্রশাসক বলেন, করোনাভাইরাসের কারণে যারা দিন মজুর তাদের আয় রোজগার বন্ধ হয়ে গেছে। তাদের জন্য ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। ত্রাণ সামগ্রী হিসেবে ১০ কেজি চালসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র দেওয়া হচ্ছে।

এদিকে জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা. মোস্তফা কামাল জানান, ইমিগ্রেশনের তথ্য অনুযায়ী, রাঙ্গামাটিতে ২৭৪ জন প্রবাসী ও বিদেশ ফেরত এসেছেন। এদের মধ্যে ১৭৩ জনকে আমরা হোম কোয়ারেন্টিনে রাখতে পেরেছি। ১৭৩ জনের মধ্যে নির্ধারিত ১৪ দিন সময় শেষ হওয়ায় ৫৩ জন হোম কোয়ারেন্টিন মুক্ত হয়েছেন। এখনো ১২০ জন হোম কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন। বাকী ৯৯ জনকেও খোঁজা হচ্ছে।

ডা. মোস্তফা জানান, এখনো পর্যন্ত রাঙ্গামাটিতে করোনাভাইরাস পরীক্ষার জন্য কোন কীট আসেনি। কিন্তু যারা এটি পরীক্ষা করবেন তাদের প্রশিক্ষণ সম্পন্ন হয়েছে। সরকার নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

রাঙামাটিতে এক দিনেই ১১ জনের করোনা শনাক্ত

শীতের আবহে হঠাৎ করেই পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙামাটি জেলায় করোনা সংক্রমণে উল্লম্ফন দেখা দিয়েছে। বিগত কয়েকদিনের …