নীড় পাতা » পাহাড়ের অর্থনীতি » তিল চাষে রাঙামাটির বাসুদেব চাকমার সাফল্য

তিল চাষে রাঙামাটির বাসুদেব চাকমার সাফল্য

রাঙামাটির সদর উপজেলার রাঙামাটি-কাপ্তাই সংযোগ সড়কের জীবতলী ইউনিয়নের আগরবাগান এলাকার পাহাড়ি জমি জুড়ে তিল চাষ করে আসছেন স্থানীয় বাসুদেব চাকমা নামের একজন চাষি। বিগত দু’বছর ধরে তিনি তিলের চাষ করে আসছেন। পেয়েছেন সাফল্যও। প্রথম বছর ফলন ভালো হওয়ায় এবার প্রায় ২ একর জমি জুড়ে তিল চাষ শুরু করেন।

বাসুদেব চাকমা জানান, বৈশাখ মাসে বৃষ্টির মধ্যে বীজ রোপন করার পর প্রায় সাতমাস পরে এই কার্তিক মাসে তিনি ফসল কাটা শুরু করেছেন। ফসল কাটার পরে প্রায় ১৫ দিনের মতো রোদে ভালো করে তিল শুকাতে হয়। শুকানোর পড়ে তিলগুলোকে সঠিকভাবে ঝেরে নিয়ে তা বিক্রির উপযোগী করে সংগ্রহ করে রাখা হয়।

বাসুদেব আরও জানান, বাজারে এই তিল বিক্রি করা হয় থাকে কেজি প্রতি ৭০-৮০ টাকায়। এবারও তিল চাষে ভালো ফলন হওয়ায় এবং বাজারে তিলের ব্যাপক চাহিদা থাকায় তিনি ভালো দাম পাবেন। এতে করে পরিবারে অর্থনৈতিকভাবে আরও স্বচ্ছলতা ফিরবে তাঁর এমনটাই আশাবাদী তিনি।

এদিকে বাসুদেব চাকমার তিল চাষ দেখে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন সে এলাকার অনেকেই। তারাও ভবিষ্যতে তিল চাষ করবেন এমন উদ্যোগ নিচ্ছেন। মূলত রাঙামাটির যে এলাকাগুলো পাহাড়ের কোলে সনাতন পদ্ধতিতে জুম চাষ হয়ে থাকে সেখানে জুমের সঙ্গে জুমিয়ারা তিল চাষ করছেন।

এ বিষয়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর রাঙামাটি কার্যালয়ের উপপরিচালক পবন কুমার চাকমা জানিয়েছেন, সমতলের মতো পার্বত্য চট্টগ্রাম সে পরিমাণে তিল চাষ করা হয় না। তবে এখানে তিল চাষ হয় মূলত জুম ক্ষেতেই। পাহাড়ের যেসব এলাকায় জুম চাষ করা হবে সেখানেই তিল চাষ করা হয়ে থাকে। পুরো রাঙামাটি জেলায় প্রায় ৩৫০ হেক্টর জমিতে তিল চাষ হয়ে থাকে। যার বাৎসরিক উৎপাদন গড়ে ১ দশমিক ২৫ মেট্রিক টন। খুচরা বাজারে রাঙামাটিতে প্রতি কেজি তিল ৭০-৮০ টাকা দরে বিক্রয় করা হয়ে থাকে।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

রাঙামাটিতে এক দিনেই ১১ জনের করোনা শনাক্ত

শীতের আবহে হঠাৎ করেই পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙামাটি জেলায় করোনা সংক্রমণে উল্লম্ফন দেখা দিয়েছে। বিগত কয়েকদিনের …

Leave a Reply