নীড় পাতা » ব্রেকিং » ডিজিটাল স্বপ্নে শেষ উদ্ভাবনী মেলা

ডিজিটাল স্বপ্নে শেষ উদ্ভাবনী মেলা

বাংলাদেশ দিনে দিনে উন্নত হচ্ছে,এর পেছনে যেটা বেশি ভূমিকা রাখছে, তা হলো তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি। দেশ বর্তমানে প্রযুক্তি ক্ষেত্রে অনেক দূর এগিয়ে গেছে, যার ফলে এখন আমাদের এই দেশ অনেক উন্নত এবং আরো উন্নত হচ্ছে। সরকার যে ডিজিটাল বাংলাদেশ করবে এবং ২০২১ নামে যে ভিশন হাতে নিয়েছে তারই পরিপেক্ষিতে এই ডিজিটাল মেলা। যার মধ্য দিয়ে সরকার চেষ্টা করছে শিক্ষার্থী সহ দেশের জনগণের মধ্যে ডিজিটালের ছোঁয়া লাগাতে।

শনিবার বিকালে রাঙামাটি জেলা প্রশাসক কার্যালয় প্রাঙ্গণে জেলা প্রশাসন এর আয়োজনে রাঙামাটি ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলার সমাপনী, পুরস্কার বিতরণী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাঙামাটির জেলা প্রশাসক মোঃ সামসুল আরেফিন এসব কথা বলেছেন।

অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্টেট আবু শাহেদ চৌধুরী‘র সভাপতিত্বে এসময় আরো বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ শহিদুল্লাহ, রাঙামাটি সরকারি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মফিজ আহম্মেদ, রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক জুয়েল শিকদার, রাঙামাটি পাবলিক কলেজের অধ্যক্ষ তাছাদ্দিক হোসেন কবির, টেকভ্যালির স্বত্বাধিকারী মোঃ হালিম শেখ, রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শামসুজ্জামান বাপ্পি।

জেলা প্রশাসক মোঃ সামসুল আরেফিন আরো বলেন, আগে আমাদেরকে বলা হত ‘তলা বিহিন ঝুড়ি’, কারণ আমাদের দেশে তেমন কিছুই ছিলো না। কিন্তু বর্তমানে আমরা আমাদের দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিভিন্ন পন্য বিদেশে রপ্তানি করছি। যার মধ্য অন্যতম হচ্ছে ধান। এটি আগে আমরা প্রায় বাহির থেকে আমদানি করতাম, কিন্তু আমরা এখন নিজেরা তৈরি করে বাহিরে রপ্তানি করি। এছাড়াও পোশাক শিল্পের ক্ষেত্রে আমাদের অগ্রযাত্রা অনেক দূর এগিয়ে গেছে। আমরা এখন পোশাক শিল্পের জন্য বিশ্বের অন্যতম দেশ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছি। আর এই সব কিছু সম্ভব হয়েছে একমাত্র প্রযুক্তির জন্য।

রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে জেলা প্রশাসক বলেন, প্রযুক্তি সম্পর্কে জানতে হলে সে বিষয়ে পড়ালেখা করতে হবে। তবে সে বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করা সম্ভব। যদি পড়ালেখা করে এই জ্ঞান অর্জন করা যায়, তবে দেশ এগিয়ে যাবে এটি চিন্তা করে বর্তমান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী রাঙামাটিতে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় নির্মাণ করেছেন।

তিনি মনে করেন একমাত্র এই কলেজের শিক্ষার্থীরা নিজেদের মেধাকে কাজে লাগিয়ে নতুন নতুন কিছু তৈরি করে দেশের জন্য কিছু করবে। রাঙামাটিবাসী অনেক বেশি পাওয়া যে এরকম একটি বিশ্ববিদ্যালয় রাঙামাটিতে স্থাপিত হয়েছে।

পরে জেলা প্রশাসক সেরা ই-গভার্ন্যান্স অফিস হিসেবে আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস, সেরা তরুন উদ্ভাবক হিসেবে ১ম স্থান অর্জন করা রাঙামাটি সায়েন্স ক্লাব, ২য় স্থান অর্জন করা রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ৩য় স্থান অর্জন করা টংকা, সেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে ১ম স্থান অর্জন করা রাঙামাটি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, ২য় স্থান অধিকারী রাণী দয়াময়ী উচ্চ বিদ্যালয়, ৩য় স্থান লাভ করা রাঙামাটি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, ডিজিটাল সেন্টার হিসেবে সুবলং ডিজিটাল সেন্টার এবং লংগদু ডিজিটাল সেন্টার, সেরা পরিচালনা দপ্তর হিসেবে রাঙামাটি সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার কার্যালয়। সেরা উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে কাউখালির আফিয়া আক্তার। সেরা সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ মোস্তফা জামান, সেরা জেলা তথ্য অফিসার কৃপাময় চাকমার হাতে পুরস্কার তুলে দেন।

পুরষ্কার প্রদান শেষে অনুষ্ঠিত হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এতে রাঙামাটির বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে।
digitalll--01

Micro Web Technology

আরো দেখুন

জুরাছড়িতে গুলিতে নিহত কার্বারির ময়নাতদন্ত সম্পন্ন

রাঙামাটির জুরাছড়ি উপজেলায় স্থানীয় এক কার্বারিকে (গ্রামপ্রধান) গুলি করে হত্যা করেছে অজ্ঞাত বন্দুকধারী সন্ত্রাসীরা। রোববার …

Leave a Reply