টাকা দিলে ফুল ভোল্টেজ,না দিলে লো-ভোল্টেজ!

টাকা দিলে পুরো ভোল্টেজ আর টাকা না দিলে লো-ভোল্টেজ এ ধরণের অভিযোগসহ প্রায় ১০ দিন ধরে কারো পুরো এবং কারো লো-ভোল্টেজ অবস্থা চলতে থাকার অভিযোগ নিয়ে শনিবার সন্ধ্যা ৭ টায় উপজেলা সদরের হাসপাতাল এলাকার বিদ্যুৎ গ্রাহকগণ থানায় ভিড় জমিয়েছেন। গ্রাহকদের অভিযোগের ভিত্তিতে থানার উপ-পরিদর্শক মোঃ মোশারফ বিলাইছড়িতে বিদ্যুৎ বিভাগে কর্মরত মোঃ শাহ্ আলমকে থানায় মোবাইলে ডেকে পাঠান এবং এরমধ্যে আর কেউ কেউ এ বিষয়ে বিদ্যুতের লাইনম্যান এর সাথে ফোনে কথা বলছেন। এ উত্তপ্ত পরিস্থিতির কিছুক্ষন পরে লো-ভোল্টেজসহ পুরো বিদ্যুৎ চলে গিয়ে ২-৫ মিনিটের মধ্যে সারা উপজেলায় পুরো ভোল্টেজে বিদ্যুৎ চলে আসে বলে থানায় অভিযোগকারী গ্রাহকরা জানান।
বিদ্যুৎ কর্মচারী মোঃ শাহ্ আলম থানায় আসলে উপ-পরিদর্শক তার সাথে বিদ্যুতের এ চরম অবস্থা ও টাকা নেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি অস্বীকার করে বলেন, আমরা কোন টাকা নেইনি। আর বিদ্যুতের লো-ভোল্টেজের বিষয়ে আমাদের কোন হাত নেই, বৃষ্টির কারণে লাইনে সমস্যা ঘটে থাকে।

এছাড়া থানার উপ-পরিদর্শক বিলাইছড়ি উপজেলায় দায়িত্বরত বিদ্যুৎ বিভাগের সংশ্লিষ্ট লাইনম্যান ফয়েজ আহমদ এর সাথে ফোনে কথা বললে বিদ্যুৎ লাইনের সমস্যার কারণে বিদুতের এ সমস্যা দেখা দিয়েছে জানিয়েছেন বলে তিনি জানান।

সংশ্লিষ্ট লাইনম্যান ফয়েজ আহমদ এর সাথে সেল ফোনে কথা হলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে আমাদের বিদ্যুৎ বিভাগের কারো দোষ নেই, বৃষ্টির কারণে লাইনের সমস্যা হয়। ফলে এক লাইনে পুরো ভোল্টেজ থাকে আর এক লাইনে পুরো ভোল্টেজ থাকে না।

তিনি আরও বলেন, বিলাইছড়িবাসী যদি কেউ ১ টাকা দেয় তখন সে বলে লাখ টাকা দিয়েছি। যারা টাকা দেয়, তারা বলে না, আর যারা দেয় না, তারা বলে লাখ টাকা দিয়েছে।

যে কারণেই হোক না কেনো বিদ্যুৎ লাইনের এ সমস্যা সমাধানের জন্য নিয়মিত বিলাইছড়িতে এসে লাইন চেক করা দেখার অনুরোধ জানালে তিনি বলেন, কাপ্তাই থেকে যদি লাইন ভালভাবে না যায়, তাহলে আমি বিলাইছড়ি থাকলে কি বিলাইছড়িতে বিদ্যুৎ পাবে ? এ বিষয়ে তিনি উপজেলার এলিট বা মুরব্বী সমাজের লোকদেরকে সংশ্লিষ্ট আবাসিক প্রকৌশলীর সাথে কথা বলার পরামর্শ দেন।

অভিযোগকারী গ্রাহকদের মতে, আমরা যখন থানায় অভিযোগ করতে এসেছি, পুরো বিদ্যুৎ বিভাগে শোরগোল পড়েছে তখন কিভাবে পুরো ভোল্টেজে বিলাইছড়িতে বিদ্যুৎ আসতে পারল। তাছাড়া প্রত্যেকদিন তো সন্ধ্যায় বা রাতে বৃষ্টি হয় না, তাহলে দিনে পুরো ভোল্টেজ আর রাতে কেন লো-ভোল্টেজ হবে। আর যে সব টাকা গ্রাহকদের কাছে থেকে আদায় করা হয় সেগুলোর কোন প্রমাণ থাকে না। কারণে যে টাকা দেয় সেও অপরাধী। ফলে সে কোনদিন টাকা দেওয়ার বিষয়টা স্বীকার করে না।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

কারাতে ফেডারেশনের ব্ল্যাক বেল্ট প্রাপ্তদের সংবর্ধনা

বাংলাদেশ কারাতে ফেডারেশন হতে ২০২১ সালে ব্ল্যাক বেল্ট বিজয়ী রাঙামাটির কারাতে খেলোয়াড়দের সংবধর্না দিয়েছে রাঙামাটি …

Leave a Reply