জেলা পরিষদ ছাড়লেন অভিমানী মুজিব !

Bandarban-Press-PiCজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক পদ থেকে বহিষ্কারের ১৫ দিনের মাথায় পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন কাজী মুজিবর রহমান!। সোমবার সন্ধ্যায় নিজবাসভবনে আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পার্বত্য জেলা পরিষদের লোভনীয় পদ থেকে পদত্যাগ করলেও নিজেকে জেলা আওয়ামীলীগের বৈধ সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবী করেছেন আওয়ামীলীগের প্রভাবশালী নেতা কাজী মুজিবর রহমান। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি মোহাম্মদ ইসহাক, আওয়ামীলীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা অব: ক্যাপ্টেন মো: তারু মিয়া’সহ স্থানীয় কর্মরত প্রিন্ট ও ইলেকট্রিক মিডিয়ার গনমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আওয়ামীলীগের প্রভাবশালী নেতা কাজী মুজিবর রহমান বলেন, ব্যক্তিগত কারণে দায়িত্ব পালনে পর্যাপ্ত সময় দিতে না পারায় বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য পদ থেকে তিনি পদত্যাগ করেছেন। সোমবার সকালে স্ব-শরীরে অফিসে গিয়ে পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ক্যশৈহ্লা মারমা’র কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। বাদ পড়ার কোনো ধরণের শঙ্কায় এবং কারণ দর্শানোর নোটিশ পাওয়ার কারণে পদত্যাগ করেননি বলে দাবী করেছেন।

পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ক্যশৈ হ্লা মারমা সাংবাদিকদের জানান, কাজী মুজিবর রহমানের পদত্যাগপত্র পেয়েছি। পার্বত্য জেলা পরিষদের নীতিমালা অনুসরণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আওয়ামীলীগের প্রভাবশালী নেতা কাজী মুজিবর রহমান আরো বলেন, সাধারণ সম্পাদক’কে (কাজী মুজিবর রহমান) বহিস্কারের এখতিয়ার জেলা আওয়ামীলীগের নেই। কোনো ধরণের কারণ দর্শানো নোটিশ ছাড়াই জরুরী সভায় জোরপূর্বক কমিটির সদস্যদের সম্মতিক্রমে বহিস্কারের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। আত্মপক্ষ সমর্থনের কোনো সুযোগও দেয়া হয়নি। জেলা আওয়ামীলীগের কতিপয় নেতাদের এ সিদ্ধান্ত আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক গঠনতন্ত্র পরিপন্থী। আমি এখনো জেলা আওয়ামীলীগের বৈধ সাধারণ সম্পাদক।

তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়ার পর সদুত্তর না পেলে কেন্দ্রীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনার বরাবরে বহিস্কারের সুপারিশ পাঠাতে পারে। কিন্ত বহিস্কার করার কোনো এখতিয়ার নেই। আমার বিশ্বাস আওয়ামীলীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কোনদিনও আমার বহিস্কার আদেশে স্বাক্ষর করবেন না। কারণ মাঠ পর্যায়ে আমার জনসমর্থন এবং সংগঠনের স্বার্থে আমার নিরলস পরিশ্রমের কথা তিনি জানেন।

প্রসঙ্গত,গত ২৩ জুলাই দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে বান্দরবান জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী মজিবুর রহমান’কে বহিস্কার করা হয়। জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ক্যশৈ হ্লা মারমার সভাপতিত্বে জরুরী সভায় জেলা কমিটির ৭১ জন সদস্যের মধ্যে ৬৩ জন সদস্যের সম্মতিতে তাকে বহিস্কারের এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

কারাতে ফেডারেশনের ব্ল্যাক বেল্ট প্রাপ্তদের সংবর্ধনা

বাংলাদেশ কারাতে ফেডারেশন হতে ২০২১ সালে ব্ল্যাক বেল্ট বিজয়ী রাঙামাটির কারাতে খেলোয়াড়দের সংবধর্না দিয়েছে রাঙামাটি …

Leave a Reply