নীড় পাতা » পাহাড়ের সংবাদ » জেলা পরিষদের ৩ সদস্যসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

জেলা পরিষদের ৩ সদস্যসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

বান্দরবানে পরিবার পরিকল্পা বিভাগের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে দুদকের মামলায় পার্বত্য জেলা পরিষদের সাবেক তিন সদস্য’সহ চার জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করেছে বিজ্ঞ স্পেশাল জজ ও জেলা দায়রা জজ আদালত। এরা হলেন- সাবেক পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য বিএনপি নেতা আরিফ উদ্দিন চৌধুরী, লুসাই মং মারমা, উক্যমং চৌধুরী এবং জেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের তৎকালীন উপ-পরিচালক উৎপল কান্তি চাকমা।

বৃহস্পতিবার দুপুরে বিজ্ঞ স্পেশাল জজ এবং বান্দরবান জেলা ও দায়রা জজ মো: শফিকুর রহমানের আদালত এই আদেশ দেন। এছাড়াও একই আদেশে দুদকের তদান্তে প্রমানিত না হওয়ায় অনিয়মের মাধ্যমে চাকুরী পাওয়া অভিযুক্ত উনুচিং মারমা, কাবেরী নন্দী, মো: নুরুল আলম এবং মো: শহীদুল্লাহ অপর চার আসামীকে মামলা থেকে অব্যাহত দেয়া হয়।

আইনজীবি ও আদালত সূত্রে জানাগেছে, ২০০৪ সালে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের অধিনে ন্যস্থ পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের বিভিন্ন পদে ৩৯ জন’কে নিয়োগ দেয়া হয়। পরীক্ষার খাতা গসামাজা করিয় নাম্বারসীট পরিবর্তন করিয়া অযোগ্য প্রার্থীদের নিয়োগ দেয়া হয়। দুর্নীতির অভিযোগে মন্ত্রণালয়ের তদন্ত শেষে ২০০৪ সালের ২৮ মে দুদক একটি মামলা করেন। দুদকের তদন্তে দূর্নীতির বিষয়টি প্রমানিত হওয়ায় চলতি বছরের ২৩ ফেব্রুয়ারী স্পেশাল জজ এবং বান্দরবান জেলা ও দায়রা জজ আদালতে মামলার কাগজপত্র দাখিল করেন। আদালত অভিযোগ প্রাপ্ত হয়ে ১ মে অভিযোগ গ্রহণ করে অপরাধ আমলে নিয়ে ১৫ মে শুনানীর দিন ধার্য্য করেন। দুদক কর্তক আসামীগনের বিরুদ্ধে দ্বন্ডবিধির ধারা ৪৭৭ (ক)/১০৯ এবং দূর্নীতি প্রতিরোধ আইন ১৯৪৭ এর আওতায় অপরাধ সংঘটনের বিষয়টি তদন্তে প্রাথমিকভাবে প্রমানিত হয়েছে। চার জনের বিরুদ্ধে অপরাধ আমলে গ্রহণের জন্য এবং অপর চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি উল্লেখ করে তাদের অব্যাহতি প্রদানের জন্য প্রার্থণা জানানো হয়। দদুকের স্পেশাল পিপি এ্যাডভোকেট বিশ্বজিত চাকমার তদন্ত রিপোর্টের উত্থাপিত বক্তব্য শুনে বৃহস্পতিবার শুনানীর দিনে আদালত এই আদেশ দেন। দদুকের স্পেশাল পিপি এ্যাড. বিশ্বজিত চাকমা জানান, দুদকের তদন্তে আসামীগনের মধ্যে জেলা পরিষদের সাবেক তিন সদস্য এবং পরিবার পরিকল্পনা সাবেক জেলা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নেয়ার এবং অপর চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমানিত না হওয়ায় অব্যাহতি দেয়ার প্রার্থনা জানানো হয়। আদালত বিষয়টি আমলে নিয়ে প্রমাণিত ব্যক্তিরা পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করেছেন। এবং অন্যদের মামলা থেকে অব্যাহতি দেন।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

সংবর্ধিত হলেন রাঙামাটি পৌরসভার অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা

রাঙামাটি পৌরসভার অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিদায়ী সংবর্ধনা দিয়েছে পৌরসভা কর্তৃপক্ষ। এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার দুপুরে পৌরসভা মিলনায়তনে …

Leave a Reply