নীড় পাতা » পাহাড়ের সংবাদ » জেরী-মাম্যাচিং বিরোধে কপাল পুড়বে বিএনপির

জেরী-মাম্যাচিং বিরোধে কপাল পুড়বে বিএনপির

BBN-UZ-cover-picউপজেলা নির্বাচনে বান্দরবান বিএনপিতে বিদ্রোহী প্রার্থীর ছড়াছড়ি। সাচিং প্রু জেরী ও মাম্যাচিং মারমা ,বিএনপির এই দুই শীর্ষ নেতা পাল্টাপাল্টি প্রার্থী দিয়েছেন কয়েকটি উপজেলায়। জেলা বিএনপির সভাপতি সাচিং প্রু জেরীর বিরুদ্ধে আবারও দাম্ভিকতা এবং সংগঠনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে সমন্বয় না করে প্রার্থী দেয়ার অভিযোগ তুলেছেন দলের বঞ্চিত নেতাকর্মীরা। বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির উপজাতীয় বিষয়ক সম্পাদক মাম্যাচিং এবং জেলা বিএনপির সভাপতি সাচিং প্রু জেরী দুজনের মধ্যে সমন্বয়হীনতায় নির্বাচনে কপাল পুড়বে বিএনপির, এমনটাই দাবী স্থানীয়দের।
বিএনপির নেতাকর্মীরা জানান, লামা উপজেলায় জেরী গ্রুপের চেয়ারম্যান প্রার্থী থোয়াইনু অং চৌধুরী (মোটর সাইকেল) এবং মাম্যাচিং গ্রুপের প্রার্থী সেতারা আহমদ (আনারস)। বিএনপির অপর বিদ্রোহী প্রার্থী আবু মূছা (দোয়াত কলম)। বান্দরবান সদর উপজেলায় জেরী গ্রুপের প্রার্থী শ্রমিকনেতা আব্দুল কুদ্দুছ এবং মাম্যাচিং গ্রুপের প্রার্থী ছাত্রনেতা জাহাঙ্গীর আলম। থানচি ও আলীকদম উপজেলায় জেরী-মাম্যাচিং দুজনের পছন্দের প্রার্থী সাবেক দুই উপজেলা চেয়ারম্যান থানছিতে খামলাই ম্রো (ঘোড়া) এবং আলীকদমে আবুল কালাম। তবে আলীকদমে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী ফরিদ আহাম্মদ। ইতিমধ্যে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন তিনি। অপরদিকে রুমা ও রোয়াংছড়ি উপজেলা প্রার্থী সংকটে ভুগছে বিএনপি। উপজেলা দুটিতে বিএনপির দুগ্রুপের কারোর কোনো প্রার্থী না থাকায় আঞ্চলিক রাজনৈতিক সংগঠন জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) প্রার্থীদের সমর্থন দিয়েছেন বিএনপি। রুমা উপজেলায় জেএসএস প্রার্থী অংথোয়াই চিং মারমা (আনারস) এবং রোয়াংছড়ি উপজেলায় ক্যবা মং মারমা (আনারস)। নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় মাম্যাচিং গ্রুপের প্রার্থী ছাত্রনেতা আব্দুল আলীম বাহাদুর। তবে সাবেক চেয়ারম্যান জামায়াত নেতা তোফাইল আহম্মেদ জেলে থাকায় বিষয়টি নিয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি বিএনপির জেরী গ্রুপ। এদিকে জেরী-মাম্যাচিং বিএনপির দুই শার্ষ সমন্বয় না করে পাল্টাপাল্টি প্রার্থী দেয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সাবিকুর রহমান জুয়েল কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

জেলা বিএনপির সভাপতি সাচিং প্রু জেরীর মায়ের মৃত্যুতে পারিবারিক ধর্মীয় অনুষ্ঠানমালা থাকায় সভাপতির বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি। তবে সংগঠনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে সমন্বয় না করে প্রার্থী দেয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান বলেন, কোনো উপজেলায় বিএনপির দুজন প্রার্থী নেই, সংগঠনের প্রার্থী প্রতিটি উপজেলায় পদের বিপরীতে একজনই। ব্যক্তি বিশেষের পছন্দের প্রার্থী থাকতে পারে। তবে যোগ্য প্রার্থী না থাকায় রুমা ও রোয়াংছড়ি উপজেলায় জেএসএস সমর্থিত প্রার্থীদের সমর্থন দেয়া হয়েছে।

বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির উপজাতীয় বিষয়ক সম্পাদক মাম্যাচিং বলেন, প্রার্থী নির্বাচনী বোর্ডের সদস্য কারা জানিনা। তবে আমাদের পক্ষ থেকে প্রতিটি উপজেলা থেকে দুজন করে প্রার্থীর নাম প্রস্তাব করেছি। প্রার্থী নিয়ে আমাদের দ্বিমত থাকতে পারে, কিন্তু বিষয়টি নিয়ে লিখিতভাবে তারা কিছুই জানায়নি। দাম্ভিক মনোভাব নিয়ে বসে আছেন,আমাদের প্রস্তাবিত প্রার্থীরা সকলে যোগ্য ও গ্রহণযোগ্য এবং বিএনপির ত্যাগী সক্রিয় সৈনিক,তাই আমরা তাদের মনোনয়ন দিয়েছি।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

বাজার তদারকিতে রাঙামাটির জেলা প্রশাসক

নভেল করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউের সংক্রামন রোধে চলমান লকডাউনে ও রমজান মাসে দ্রব্যমূল্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে …

Leave a Reply