নীড় পাতা » ব্রেকিং » জুরাছড়িতে কঠিন চীবর দানোৎসব সম্পন্ন

জুরাছড়িতে কঠিন চীবর দানোৎসব সম্পন্ন

jurachariজুরাছড়িতে যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদায় মহান দানোত্তম কঠিন চীবর দান উদযাপন করা হয়। এই কঠিন চীবর দান বুদ্ধের সময়ে বিশাখার প্রবর্তিত চীবর এক রাত্রের মধ্যে কঠিন থেকে কঠিনে রূপান্তর করা হয়। শুক্রবার বিশাখার এই প্রবর্তিত স্বধর্মীয় ইতিহাসকে ধরে রাখার জন্য তিন পার্বত্য জেলার ন্যায় জুরাছড়িতে কাপড় বুনন করা হয় এবং সেই কাপড়কে কঠিন করার জন্য ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নানা প্রকার ধর্মীয় কার্য হাতে নেওয়া হয়।

পান্না চাকমার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের মধ্যে সকালে পঞ্চশীল গ্রহণ, বুদ্ধ পূজা, পিন্ডদান, আকাশপ্রদীপ দান এবং বিকালে অপরূপা চাকমার সঞ্চালনায় বুদ্ধমূর্তি দান, অষ্টপরিষ্কার দান, কঠিন চীবরদানসহ নানাবিধদানের কার্য সম্পাদন করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন জুরাছড়ি জোনের কমান্ডার মোঃ শাহিন সাদি, রাঙামাটি জেলা পরিষদের সদস্য জ্ঞানেন্দু বিকাশ চাকমা, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান উদয়জয় চাকমা, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান রিটন চাকমা, উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মিসেস্ শেফালী দেওয়ান, খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা প্রিয় কুমার চাকমাসহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা হাজারো পূণ্যার্থীবৃন্দ। এতে প্রায় পাঁচ হাজারের অধিক পূণ্যার্থী অংশগ্রহণ করেন। সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রাক্তন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান প্রবর্তক চাকমা, বিশেষ প্রার্থনা করেন বিহার পরিচালনা কমিটির সভাপতি, ধলকুমার চাকমা। এসময় সকালে ধর্মদেশনা প্রদান করেন শ্রীমৎ জ্ঞানদীপ স্থবির ও শ্রীমৎ সুমনাতিষ্য এবং বিকালে শ্রীমৎ বিধুর স্থবির ও বিহার অধ্যক্ষ শ্রীমৎ বুদ্ধশ্রী মহাস্থবির। বিহার অধ্যক্ষ দেশনাকালে বলেন, সাধারণ গৃহী জীবনে পঞ্চশীল পালন করা প্রত্যেক বৌদ্ধধর্মালম্বীদের উচিত এবং সৎ কর্ম করলে সুফল ভোগ করা যাই সেটা ইহ জনমে না হলেও পরকালে জন্ম জন্মান্তরে এর ফল পাওয়া যায়।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নির্মাণে বিরোধীতার প্রতিবাদ রাঙামাটিতে

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য নির্মাণে বিরোধীতার নামে ‘উগ্রমৌলবাদ ও ধর্মান্ধগোষ্ঠীর জনমনে বিভ্রান্তির …

Leave a Reply