নীড় পাতা » ব্রেকিং » ‘জাতির পিতাকে কোন আদিবাসী আজ পর্যন্ত অসম্মান করেনি’

‘জাতির পিতাকে কোন আদিবাসী আজ পর্যন্ত অসম্মান করেনি’

IMG_5356‘জাতিসংঘ ইউনিভার্সেল পিরিয়ডিক রিভিউ (ইউপিআর) সুপারিশসমূহ বাস্তবায়নে অগ্রগতির বর্তমান অবস্থা : আদিবাসী প্রেক্ষিত’ শীর্ষক এক জাতীয় সেমিনার বৃহস্পতিবার রাজধানী ঢাকার সিরডাপ মিলনায়তনে কাপেং ফাউন্ডেশন এবং একশন এইড এর উদ্যোগে সেমিনারের আয়োজন করা হয়।
সাবেক তথ্য কমিশনার অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম এর সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন আন্তর্জাতিক ট্রাইবুনালের প্রসিকিউটর এডভোকেট রানা দাশগুপ্ত; নিজেরা করি’র সমন্বয়ক খুশী কবীর; পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের যুগ্ম সচিব সালমা আক্তার জাহান; বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক সঞ্জীব দ্রং; জাতীয় আদিবাসী পরিষদের সভাপতি রবীন্দ্রনাথ সরেন প্রমুখ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন একশন এইড এর প্রেপাগ্রাম, পলিসি এন্ড ক্যাম্পেইন এর পরিচালক আসগর আলী সাবরী। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কাপেং ফাউন্ডেশনের বিনোতাময় ধামাই।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মিজানুর রহমান বলেন, জাতির পিতাকে কোন আদিবাসী আজ পর্যন্ত অসম্মান করেনি। কেউ কোনদিন রাজাকার বলেনি। এ থেকে বোঝা যায় আদিবাসীদের আস্থা বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর উপর আছে। কিন্তু এ আস্থা আর কতদিন থাকবে? সরকারপক্ষ বা প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ জানাবো আদিবাসীদের এই আস্থাকে সম্মান দেখাতে। এতে করে পারস্পরিক সম্প্রীতি যেমন বাড়বে তেমনি সরকারই লাভবান হবে।
তিনি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির বিষয়ে সরকার শুধু বিভিন্ন বিভাগ হস্তান্তরের বিষয়গুলো বলে মূল সমস্যাকে এড়িয়ে যায়। কিন্তু আমি মনে করি সেখানকার ভূমি কমিশনকে কার্যকর করতে পারলে অনেক সমস্যার সমাধান হবে। এছাড়াও তিনি পার্বত্য চট্টগ্রামের আইন শৃ্খংলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের ভারও আঞ্চলিক পরিষদের কাছে হস্তান্তরের সুপারিশ করেন।
পার্বত্য চট্ট্রগামে জোরকরে বাঙালি জনসংখ্যা বাড়িয়ে সেখানকার আদিবাসীদের সংখ্যালঘু করার রাজণীতি বন্ধের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে সরকার যেসব বাঙ্গালিদের পুনর্বাসন করেছে প্রয়োজনে তাদের আবারো সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে অন্য জায়গায় পুনর্বাসন করতে হবে।
তিনি আরো বলেন, এই দেশের আদিবাসীরা এখনো তাদের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ থেকে বঞ্চিত। তাই আদিবাসীদের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিতের জন্য জাতীয় সংসদে নির্দিষ্ট পরিমান আসন সংরক্ষন করতে হবে এবং শুধুমাত্র আদিবাসীদের ভোটেই তারা নির্বাচিত হবেন এমন ব্যবস্থা করতে হবে।
কাপেং ফাউন্ডেশনের গবেষনা সহযোগী মানিক সরেন সাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

কাপ্তাইয়ে করোনা সংক্রমণ কমছে

প্রশাসনের কঠোর নজরদারি এবং থানা পুলিশের তৎপরতায় রাঙামাটির কাপ্তাইয়ে করোনা সংক্রমন হার কমছে। কাপ্তাই উপজেলা …

Leave a Reply