নীড় পাতা » খাগড়াছড়ি » চালু হচ্ছে দীঘিনালা আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার

চালু হচ্ছে দীঘিনালা আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার

diginala-weather-officeপার্বত্য চট্টগ্রামের আবহাওয়া উপযোগি চাষাবাদ,কৃষি উন্নয়ন,গবেষনা ও পূর্বাবাসের জন্য খাগড়াছড়ির দীঘিনালার আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার স্থাপনের কাজ শেষ পর্যায়ে।বিদেশ থেকে পর্যবেক্ষণাগারের যন্ত্রাংশও আমদানী করা হয়েছে। আগামী সপ্তাহে যন্ত্রাংশ স্থাপনের কাজ শুরু হবে। মে মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে অটোমেটিক পদ্ধতিতে কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দপ্তরে আবহাওয়ার তথ্য প্রেরণ কাজ শুরু হবে। জুলাই মাস থেকে পূর্ণাঙ্গভাবে পর্যবেক্ষণাগারটি চালু করা হবে। তবে লোকবল নিয়োগের জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রানালয়ে দেড় বছর আগে পত্র লেখা হলেও এখনো পর্যন্ত লোকবল নিয়োগ করা হয়নি। পর্যবেক্ষণাগারটির মাধ্যমে পাহাড়ের চাষাবাদের গবেষনা,আবহাওয়ার পূর্বাবাস,দূর্যোগের সর্তকীকরণ,স্থাণিয় আবহাওয়ার সাথে কৃষকদের চাষাবাদসহ কৃষকদের প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। কেন্দ্রটির মাধ্যমে স্থানিয় আবহাওয়ার তথ্য সরাসরি কেন্দ্রীয় দপ্তরে প্রেরণ করা হবে। মুলত পাহাড়ের আবহাওয়ার সাথে মিলিয়ে কৃষি উন্নয়নের লক্ষ্যেই এ পর্যবেক্ষণাগারটি স্থাপন করা হয়েছে বলে আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের ৫টি প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার স্থাপন প্রকল্পের কর্মকর্তার সাথে কথা বলে জানা যায়,প্রকল্পের আওতায় খাগড়াছড়ির দীঘিনালার পোমাংপাড়া এলাকায় ২০১১ সালে দুই কোটি টাকা ৭৫ লাখ বরাদ্দে আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারটি নির্মাণের প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। স্থাপনার কাজ শুরু করা হয় ২০১৩ সালে। বর্তমানে স্থাপনা নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। ১৮ এপ্রিল আবহাওয়া পর্যবেক্ষণারে বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়া হয়েছে। আগামী সপ্তাহ থেকে যন্ত্রাংশ স্থাপন কাজ শুরু করা হবে। মে মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে অটোমেটিক পদ্ধতিতে স্থানিয় আবহাওয়ার তথ্য কেন্দ্রীয় আবহাওয়া কার্যালয়ে প্রেরণের কাজ শুরু হবে। জুলাই মাস থেকে পর্যবেক্ষণাগারটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করার সম্ভাবনা রয়েছে। দেড় বছর আগে পর্যবেক্ষনাগারটির জন্য একজন সহকারি আবহাওয়াবিদসহ দশজনের লোকবল চেয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রাণালয়ে পত্র প্রেরণ করা হলেও এখনো পর্যন্ত জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় জনবল নিয়োগের ব্যবপারে কোন সিদ্ধান্ত জানায়নি।

পর্যবেক্ষণাগার কেন্দ্রটিতে একজন প্রথম শ্রেণির সহকারি আবহাওয়াবিদের তত্বাবধানে ১০ জন কর্মকর্তা কর্মচারী কাজ করবেন। কেন্দ্রটির মাধ্যমে আবহাওয়ার পূর্বাবাস,দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা,সর্তকীকরণ ব্যবস্থাপনা,কৃষি আবহাওয়ার পূর্বাবাস। এছাড়াও পাহাড়ের চাষাবাদের গবেষণার এবং স্থানীয় আবহাওয়ার সাথে মিলিয়ে বিভিন্ন কৃষকদের চাষের ব্যাপারে প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। স্থানিয় আবহাওয়ার সকল তথ্য সরাসরি কেন্দ্রীয় দপ্তরে প্রেরণ করা হবে।

৫টি প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার স্থাপন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক(পিডি)শামীম আহসান ভূঁইয়া জানান,স্থাপনার কাজ শেষ হয়েছে। বিদেশ থেকে যন্ত্রাংশ আমদানীও করা হয়েছে। বিদ্যুৎ সংযোগও পাওয়া গেছে। আগামী সপ্তাহে যন্ত্রাংশ বসানোর কাজ শুরু হবে। লোকবল নিয়োগের জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে দেড় বছর আগে পত্র প্রেরণ করা হয়েছে তবে এখনো পর্যন্ত সিদ্ধান্ত পাওয়া যায়নি। মুলত পাহাড়ের কৃষি উন্নয়নের লক্ষ্যেই দীঘিনালার আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারটি স্থাপন করা হয়েছে। এখান থেকে স্থানিয়সহ আবহাওয়ার সকল তথ্যই পাওয়া যাবে। আগামী জুলাই মাসের মধ্যেই পর্যবেক্ষণাগারটি চালু করা হবে। তবে মে মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে অটোমেটিকভাবে আবহাওয়ার তথ্য কেন্দ্রীয় দপ্তরে প্রেরণ করা হবে বলেও জানান তিনি।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

বেইলি সেতু ভেঙে রাঙামাটি-বান্দরবান সড়ক যোগাযোগ বন্ধ

রাঙামাটির রাজস্থলী উপজেলায় রাঙামাটি-বান্দরবান প্রধান সড়কের সিনামা হল এলাকার বেইলি সেতু ভেঙে পাথর বোঝাই ট্রাক …

Leave a Reply